১০টি মাথাব্যথার কারণসমূহ জেনে নিন

 মাথাব্যথার কারণসমূহ জেনে নিন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে এই আর্টিকেলে উপস্থাপন করেছি ।আপনারা এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

মাথা ব্যথা এমন একটি রোগ, যা চোখে দেখা যায় না। এটি অত্যন্ত কষ্টের একটি অনুভূতি। মাথা ব্যথা বেশির ভাগ সময় নিউরোলজিক্যাল সমস্যার কারণে হয়ে থাকে, তবে চোখের সমস্যার কারণে ও মাথা ব্যাথা হতে পারে।

ভূমিকা

মাথাব্যথা বিভিন্ন সমস্যার কারণে হয়ে থাকে।টেনশন বেশি করলে মানসিক চাপ এবং মাইগ্রেনের জন্য হয়ে থাকে আর এই সকল লক্ষণের দেখে মাথা ব্যথার ধরন দেখে বুঝা যায়।যে কি ধরনের মাথাব্যথা। মাথা ব্যাথা বিভিন্ন কারণে হতে পারে যেমন মাইগ্রেন হেডেক আই হেডেক ইত্যাদি মূলত রোগীর ব্যাথার ধরন দেখেই কেন মাথা ব্যথা হচ্ছে তা বুঝা বা শনাক্ত করা যায়।

চিন্তার মাথা ব্যাথা

বিভিন্ন ধরনের মাথা ব্যথার মধ্যে সব চাইতে বেশি দেখা যায় টেনশন টাইপের মাথাব্যথা।টেনশন টাইপের হেডেক প্রাথমিক মাথা ব্যথার সবচেয়ে সাধারণ ধরন।ব্যথা সাধারণত মাথার নিচের দিকে, ঘাড়, চোখ বা শরীরের অন্যান্য পেশী গ্রুপ থেকে বিকিরণ করে যা সাধারণত মাথার উভয় পাশে প্রভাবিত করে।চিন্তা-টাইপ মাথা ব্যথা সমস্ত মাথা ব্যথার প্রায় ৯০% জন্য দায়ী।

টেনশন টাইপ মাথাব্যথার লক্ষণগুলো কী

মাথার দুপাশেই একটি স্থায়ী ব্যথা অনুভত হতে পারে।ঘাড়ের মাংশপেশিতে টানটান লাগতে পারে।চোখের পেছনে একটা চাপ চাপ ভাব হতে পারে।৩০ মিনিট থেকে ৭ দিনের মধ্যে সময় কাল হালকা থেকে মাঝারি ব্যথা, সাধারণত প্রতিদিনের ক্রিয়াকলাপ সম্ভব।এই মাথা ব্যথা যাদের হয়।বেশির ভাগ মানুষই জীবনে কোন না কোন সময়ে এই ধরনের মাথাব্যথায় ভোগে।যেকোন বয়সেই এই মাথা ব্যথা হতে পারে, তবে মাঝবয়সী ছেলেমেয়ে এবং প্রাপ্তবয়স্কদের মাঝে বেশি দেখা যায়।

যদি কোন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মাঝে এই মাথাব্যথা টানা ৩ মাস ন্যূনতম আর প্রতি মাসে ১৫ বারের বেশি দেখা দেয়,তবে সেটিকে ক্রনিক টেসশন টািইপ মাথাব্যথঅ বলে।পুরুষদের তুলনায় নারীদের মাঝে এই মাথাব্যথা বেশি হয়ে থাকে।ঘন ঘন মাথা ব্যথার কারণ কি আপনারা যদি জানতে চান, তাহলে আমি বলবো রাত জাগা বা কম ঘুম হওয়া আবার ঘুম বেশি হলে ও মাথা ব্যথা হয়, মানসিক টেনসান কঠিন রোগে আক্রন্ত থাকে ইত্যাদি।এসবের কারনে আপনার মাথা ব্যথা হতে পারে।

মাথাব্যথার কারণসমূহ জেনে নিন

মাদকাসক্তি, মদপান, ঘুমের টাবলেট যদি বেশি খেয়ে থাকেন।ক্ষুধার্ত, শারিরীক চিন্তা, মানসিক টেনসান এতে মাথা ব্যথার কারন হয়ে থাকে।


ঘন ঘন মাথাব্যথার কারণসমূহ জেনে নিন:

ধূমপান: অতিরিক্ত ধূমপান করলে ঘনঘন মাথা ব্যথা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।ধূমপান আপনার শরীরের উচ্চ রক্তচাপের ওপর প্রভাব ফেলে।মাথার রক্তের প্রভাবকে বাড়ায় যা মাথাব্যথার কারণ হয়ে থাকে।

মানসিক চাপ: মানুষের বিভিন্ন সমস্যার কারনে মাথায় বিভিন্ন চাপ পড়ে থাকে।এবং অতিরিক্ত টেনসান করার কারনে মাথা ব্যথা হতে পারে।

কম্পিউটার ও টিভি: আমরা সাধারণত মোবাইল কম্পিউটার টিভি এসব নিয়ে সারাদিন পড়ে থাকে।আমরা যদি দীর্ঘ ক্ষন ঘন্টার পর ঘন্টা একজায়গায় বসে থেকে এবং অনেক ক্ষন ধরে মোবাইল কম্পিউটার এ বসে থাকার কারনে মাথাব্যথা হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

সাউন্ড:মাথাব্যথার কারণসমূহ জেনে নিন, অনেক সময় আমরা টিভি মোবাইল কম্পিউটার এসবের মধ্যে সাউন্ড দিয়ে যে কোন গান ওয়াজ, গজল ইত্যাদি এসব শুনে থাকে।সেক্ষেত্রে আপনার মাথা ব্যথা অতিক্রম হতে পারে।এবং মোবাইল এ হেডফোন এ মাধ্যমে গান শোনার কারনে ও মাথা ব্যথা হয়।ঘন ঘন মাথা ব্যাথার অন্যতম কারণ হতে পারে।

বায়ুমন্ডলে সমস্যা: আমাদের দেশে গরমের সময় অনেক তাপমাএ, মাঝে মাঝে তাপমাত্রা পরিমান বেড়ে যায়, এই তাপমাত্রার জন্য ও অনেক সময় মাথা ব্যথা হতে পারে।এবং ঘনঘন মাথা ব্যথা ও হতে পারে।

মাথা ব্যাথা কোন রোগের লক্ষণ

মাথা ব্যথা মাথার বিভিন্ন অংশে হয়ে থাকে।বর্তমান সময়ে মাথাব্যথা প্রত্যেককেই প্রভাবিত করে প্রায় ১০% ভাগ ব্যাক্তি বারবার মাথার ব্যথায় ভুগতেছে।মাথা ব্যথা মাথার উপরিভাগের টিস্যু সরবরাহকারী ধমনী গুলোই প্রসারন এবং প্রসারণের কারণে বা মুখ মাথার ত্বক এবং ঘাড়ের পেশী গুলী টেকসই সংগঠনের কারণেও হতে পারে।অতিরিক্ত ক্লান্তি ঘাড়ের সমস্যা এবং চোখের ঝাপসা সবই অতিরিক্ত মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।

চিন্তা ও দীর্ঘস্থায়ী প্রতিদিন মাথাব্যথা: টেনশন টাইপের মাথাব্যথা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সাধারণ ধরনের মাথা ব্যাথা এগুলো কেবল অনিয়মিত হবে ঘটে এবং সাধারণত একজন চিকিৎসকের কাছে যাওয়া প্রয়োজন হয় না ব্যথা সাধারণত হালকা থেকে মাঝারি এবং মাথার উভয় পাশে অনুভূত হয় এ ধরনের মাথাব্যথা 90% এর বেশি গুলো দীর্ঘস্থায়ী ফলে এই ধরনের মাথাব্যথা সবাই ক্লান্তি থেকে হয়।

মাইগ্রেন কাকে বলা হয়: মাথার একপাশে মাঝে মাঝে কম্পন দিয়ে তীব্র ধরনের ব্যথা হয়।কখনো কখনো এই মাথা ব্যথা,মাথার এক পাশ শুরু হয় ধীরে ধীরে ওই পাশের পুরো স্থান জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। আবার মাইগ্রেন সমস্যা কখনো কখনো ব্যথা সঙ্গে বমি বমি ভাব ইত্যাদি হতে পারে।

মাইগ্রেন হওয়ার আগে শরীরে বেশ কিছু লক্ষণ দেখা দেয়।একটি হল চোখ হঠাৎ করে আলো তীব্রতার মত দেখায়।তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মাইগ্রেনের কোন লক্ষণ থাকে না এ ধরনের মাইগ্রেনি বেশি দেখা দেয়।আবার আরেক ধরনের মাইগ্রেন আছে যাকে বলা হয় থাইল্যান্ড এ ধরনের আবার লক্ষণ থাকলেও কোন মাথাব্যথা থাকে না।

মাইগ্রেনের লক্ষণ: মাইগ্রেনের প্রধান হচ্ছে মাথাব্যথা শুরু আরো কিছু লক্ষণ থাকে।যেমন ঘাম মনোযোগীতা অনেক বেশি গরম অনেক বেশি ঠান্ডা দেখতে পান।আর যদি মনে করেন তাহলে দেরি না করে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ নিন।

হরমোন জনিত কারণ: মাথাব্যথার কারণসমূহ জেনে নিন, চিকিৎসকদের মতে অনেক মাইগ্রেন এ ভোগেন আবেগ বা অন্যান্য কারণেও মাইগ্রেনের পেছনে ভূমিকা রাখে।যেমন মানসিক চাপ দুশ্চিন্তা হঠাৎ আঘাত পাওয়া ইত্যাদি।

শারীরিক সমস্যা: শারীরিক বিভিন্ন বিভিন্ন কারণে মাইগ্রেন হতে পারে।যেমন-ঘুম না হওয়া, রাতে ঘুম না হওয়া, রাতে দেরিতে ঘুমানো এবং অনেক সময় আমরা হঠাৎ করে পরিশ্রমের কাজ করা।পরিশ্রম জনিত কারণেও মাইগ্রেনের ব্যথা দেখা দেয়।

পরিবেশগত সমস্যা: পরিবেশগত কারণেও আমাদের মাইগ্রেন হতে পারে।হঠাৎ করে গরম আবার ঠান্ডা এবং ঠান্ডা ঠান্ডা থেকে গরম এ আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে ও, মাইগ্রেন সমস্যা শুরু হতে পারে।

খাবার: আমাদের খাবারের অভ্যাস অনেক সময় মাইগ্রেন সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে।খাবারের অনিয়ম করা পানি শূন্যতা মধ্যপান অতিরিক্ত চা কপি এবং নানা ধরনের অনিয়ম হওয়ার পিছনে বড় ভূমিকা পালন করে।

মাইগ্রেনের চিকিৎসা: আমরা এক কথায় বলতে পারি মাইগ্রেনের কোন চিকিৎসা নেই।তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাদ্য অভ্যাস বা জীবনযাপন মাইগ্রেনকে এড়িয়ে চলতে অনেক সাহায্য করে।

মাথা ব্যথার কারণ ও প্রতিকার

মাথাব্যথার কারণ: ঘরে বাহিরে কাজের চাপের বিশ্রাম নেওয়ার সময় পাওয়া না গেলে চাপ পড়ে চোখ আর মাথার উপর।তখন অনেকেই মাথা ব্যথায় ভোগেন।মাইগ্রেন মাথাব্যথার কমন একটি কারণ।মাইগ্রেনের কারনেও অনেকেই মাথা ব্যাথার সমস্যায় ভোগেন না।অতিরিক্ত টেনশন এর মাথার ব্যথায় ভুগে থাকেন।মাথাব্যথার কারণসমূহ জেনে নিন,গবেষণা করে দেখা গেছে মাথা ব্যাথার প্রায় 70 ভাগ টেনশন টাইপ হেডেক।

মাথা ব্যথার প্রতিকার: মাথাব্যথা থেকে তাৎক্ষণিক পরিত্রাণ পেতে বিভিন্ন ব্যাথা নাশক ঔষধ যেমন প্যারাসিটামল ইত্যাদি।সেবন করা যেতে পারে।ব্যথা নাশক ট্যাবলেট এর সঙ্গে অবশ্যই গ্যাসের ট্যাবলেট খেতে হবে।ব্যথার ট্যাবলেট খেলেও মাথাব্যথা হতে পারে।এ সমস্যাকে বলে মেডিসিনের ওভার ডোস হেডেক।তাইএজন্য প্রয়োজন না হলে ঘন ঘন ব্যথার ট্যাবলেট না খাওয়াই ভালো।

বেশি পানি পান করন খালি পেটে থাকবেন না মোবাইল বা কম্পিউটার চালানো থেকে বিরত থাকুন এবং হালকা শরীর চর্চা করন।রোগের দুটো পাশ ও ঘাড়ের কাছে যদি ব্যথা হয় তাহলে আঙ্গুলের ডগা দিয়ে মেসেজ করুন আরাম পাবেন এবং ক্লান্তি দূর হবে।ক্লান্তির জন্য যদি মাথাব্যথা হয় এই ম্যাসাজ খুব উপকারী।আমাদের অতিরিক্তআলোর কারণেও মাথা ব্যথা হয়ে থাকে তাই মাথা যন্ত্রণা করলে রুমের আলো কমিয়ে দিন।

মাথা যন্ত্রণা কমানোর ঘরোয়া উপায়

মাথা ব্যথায় ভোগের নি এমন লোক পাওয়া যাবে না।তীব্র মাথাব্যথা হলে যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতি তৈরি হয় তবে মাথা ব্যথা কোন রোগ নয়।মাথাব্যথার কারণসমূহ জেনে নিন, সাধারণত ঘুম কম হলে সময়মতো খাবার না খেলে পানি কম খাওয়া মানসিক চাপ অতিরিক্ত ধূমপান ব্যথা নাশক ওষুধ বেশি ব্যবহার মাথাব্যথা কারণ হতে পারে।


পানি পান করুন: পানি শূন্যতা মাথাব্যথার একটি সাধারণ কারণ। আপনি সারাদিন পর্যাপ্ত পানি পান করেছেন কি না।মাথাব্যথা না কমলে বা দুই গ্লাস ঠান্ডা পানি পান করুন।এতে মাথা ব্যথা কমে যাবে।

বিশ্রাম নিন: মাথা ব্যথা যদি অনুভব করেন তাহলে শান্ত আর কোন ঘরে চোখ বন্ধ করে, কিছুটা বিশ্রাম নেওয়ার চেষ্টা কর দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মাথাব্যথা কমে গেছে।

ঠান্ডা কিছু নিন: মাথা ব্যথা হলে আপনার কপাল বা মাথার সামনের অংশে ঠান্ডা পানি বা ঠান্ডা জনিত কিছু চেপে রাখুন, এতে মাথা ব্যথা কমতে যথেষ্ট সাহায্য করে।

চা ও কপি পান করুন: মাথাব্যথা সময় আদা চিবুলে বা আদা চা পান করলে মাথাব্যথা কম হয়।চা বা কফিতে উপস্থিতি ক্যাফিন মাথা যন্ত্রণা কমাতে ভালো কাজ করে।আবার কালো চায় লবঙ্গ ও মধু মিশিয়ে খেলে মাথা যন্ত্রণায় আরাম পাওয়া যায়।

আপেল খেতে পারেন: প্রচন্ড মাথা ব্যথা থেকে আপনাকে উদ্ধার করতে পারে।আপনার অতি পরিচিত ফল আপেল।এক টুকরা আপেলের উপর হালকা লবণ ছিটিয়ে খান দেখবেন মাথা ব্যথা তীব্রতা অনেকটাই কমে যাবে।

লবঙ্গ: বাঙ্গালির রান্নাঘরে লবঙ্গ একটি অতি পরিচিত নাম।একটি তাওয়াতে লবঙ্গ ভালো করে গরম করে নিন।তারপর একটি পাতলা কাপড় লবঙ্গ মরে নাকের সামনে দিয়ে কিছুক্ষন নিঃশ্বাস নিন।এই গন্ধেই আস্তে আস্তে আপনার মাথা ব্যথা কমবে।

গরম পানি খান: এক গ্লাসে হালকা পানি গরম করে অল্প অল্প করে পান করুন।আমাদের অনেক সময় বদহজম থেকেও মাথাব্যথা হয়ে থাকে।গরম পানি বদহজম কমাবে এতে আপনার মাথাব্যথা কমে যাবে।

মাথা ব্যথার দোয়া

মাথাব্যথা হওয়া একটি স্বাভাবিক ব্যাপার।মাথা ব্যথা নেই এমন লোক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।মাথাব্যথার কারণসমূহ ঘুম কম হলে এর অতিরিক্ত চিন্তা ধূমপান আরো জেনে নিন, ঘুমের ট্যাবলেট এসব খাওয়ার কারণে মাথাব্যথা হতে পারে।মাথা ব্যথার কারণে মানুষ স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারে না।সুস্থ সুন্দর আরামদের জীবন যাপনে মাথাব্যথা সব ধরনের রোগ থেকে সুস্থ থাকা খুবই জরুরী।যারা মাইগ্রেন সহ বিভিন্ন কারণে মাথাব্যথায় আক্রান্ত হন।তারা প্রতিদিন ডান হাত দিয়ে ধরে মাথা ব্যথার দোয়া পড়বেন।ত
 মাথা ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়া খুবই জরুরী।

চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক:

মাথা ব্যথা হলে কোরআনুল কারিমের যে দোয়াটি পড়তে হবে-
দোয়া: ‘লা ইউসাদ্দাউনা আনহা ওয়া লা ইয়ুংযিফুন।’( সূরা:- ওয়াকিয়া,আয়াত:১৯)।

যেভাবে এ দোয়া পড়বেন: যখন কারো মাথাব্যথা হয়।তখন তার ডান হাত দিয়ে মাথা চেপে ধরে তিনবার এই দোয়াটি পাঠ করবে ইনশাআল্লাহ মাথা ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা; আমাদের সবাইকে কুরআনি আমলের মাধ্যমে সব ধরনের অসুস্থতা থেকে হেফাজত করুন।আমীন।

লেখকের মন্তব্য

প্রিয় পাঠক আমি আমার আর্টিকেলে মাথাব্যথার কারণসমূহ জেনে নিন, মাথা ব্যথার দোয়া, মাথা ব্যথা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করলাম।আপনারা অনেকেই মাথা ব্যথা জনিত সমস্যায় ভুগছেন তারা দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন।আমার আর্টিকেল পড়ে আপনি যদি উপকার বা অজানা কিছু জানতে পারেন।

তাহলে আমারে এই আর্টিকেলটি আপনার পরিচিত বন্ধুবান্ধব সকলের কাছে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আশা অনলাইন শপ নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url