খালি পেটে কলা খেলে কি গ্যাস হয় তা জেনে নিন

খালি পেটে কলা খেলে কি গ্যাস হয় এবং কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে হয়তো আপনি অনেক খোঁজাখুঁজি করেছেন। কিন্তু কোন সঠিক তথ্য খুঁজে পাচ্ছেন না।

এছাড়াও কলা খাওয়ার নিয়ম, কলা খেলে কি হয়, কলা খাওয়ার উপকারিতা এবং বেশ কিছু জরুরী বিষয় নিয়ে আলোচনা করছি যা আপনার কাজে লাগবে। বিস্তারিত জানতে এই আর্টিকেলটি প্রতিটা পয়েন্ট মনোযোগ সহকারে পড়ার অনুরোধ রইলো।

ভূমিকা

আমাদের দেহের শক্তি যোগাতে বা সারাদিনের ক্লান্তি দূর করতে কলা অত্যন্ত উপকারী ফল।কলাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন আয়রন খনিজ পদার্থ ও পুষ্টি-উপাদন রয়েছে।এই আর্টিকেলে কলা খাওয়ার উপকারিতা অপকারিতা, খালি পেটে কলা খেলে কি গ্যাস হয় ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করছি।

সকালে কলা খাওয়ার উপকারিতা

কলার স্বাস্থ্য গুণ অনেক।কলা কলা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ সবেতেই কলার ভূমিকা অপরিসীম।মানসিক অবসাদে ভুগলেও রোজ পাতে কলা রাখা পরামর্শদান পুষ্টিবিদরা।কলায় কোষ্ঠকাঠিন্য মত সমস্যা কমে কলায় থাকা আইরন রক্তস্বল্পতা বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।ভিটামিন বি ৬, ভিটামিন বি-র একাধিক স্বাস্থ্য উপকারে গুণ পাওয়া যায় কলাতে।কলায় পটাশিয়াম ম্যাগনেসিয়াম ও ফাইবারের পরিমাণ অনেক বেশি, এগুলো শরীরের জন্য নিঃসন্দেহে উপকারী।


তবে খালি পেটে কলা খেলে কিন্তু উপকারের চেয়ে বেশি অপকার।খালি পেটে কলা খেলে কি গ্যাস হয়, এটা আমরা অনেকে জানি না।এজন্য আমাদের উপকারের চেয়ে অপকার বেশি হবে।কলায় চিনির পরিমাণ বেশি।অনেক সময় খালি পেটে থাকার পর কলা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।ফলে দিনের শুরুতেই কলা খাওয়ার অভ্যাসে ডায়াবেটিসের কারণ হতে পারে।পাশাপাশি খালি পেটে কলা খেলে কিন্তু এই সমস্যা উল্টো বেড়ে যেতে পারে।

কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম দেহের পটাশিয়ামের চাহিদা পূরণ করতে প্রতিদিন একটি কলা খাওয়া উপকারী।শরীরে এনার্জি ও শক্তি বাড়াতে কলা রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবদান কলা খাওয়া যায় এতে শরীরের শক্তি পাওয়া যায়।কলা একটি মিষ্টি ফল তবে মিষ্টি হলেও সুগার বাড়ায় না।
  • ডায়াবেটিস রোগীরাও কলা খেতে পারেন।
  • কলায় পটাশিয়ামের পাশাপাশি ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে এই দুই উপাদান দেহের হার কে শক্ত করে।
  • কলা খেলে পেট পরিষ্কার ও হজম শক্তি বাড়ায় কলায় থাকা ফাইবার এই কাজে সাহায্য করে।
  • ফাইবার থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করে।কলা খাওয়া দেহের জন্য খুব উপকারী।

গর্ভাবস্থায় পাকা কলা খাওয়ার উপকারিতা

বমি বমি ভাব ও অসুস্থতা দূর করে: কলাতে অনেক ভিটামিন বি এবং আন্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান সমূহ স্থায়ী দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।এ সময়ে যে কোন অসুস্থতা নিরাময় গর্ভবতী নারীদের পাকা কলা খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

ত্বক ধরে রাখে: গর্ভাবস্থায় অনেকের তো কোনো শুষ্ক ভাব দেখা দেয় কলাতে থাকা ভিটামিন সি উপাদান ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে যে কোন চর্মরোগ থেকে দূরে রাখে।সে জন্য গর্ভবস্থায় প্রতিদিন একটা কলা খাওয়া যেতে পারে।

কলা এনার্জি বাড়াই: পাকা কলায় শর্করার ফাইবার রয়েছে যা দ্রুত দেহের শক্তি বৃদ্ধি করতে পারে দুইটি কলা থেকে ২০০ কিলো ক্যালরি পর্যন্ত শক্তি পেয়ে যাবেন।তাই গর্ভকালীন সময়ে থেকে অন্তত তিন চার মাস নিয়মিত কলা খান।

হারের পুষ্টি বৃদ্ধি করে: কলাতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে।পুষ্টি লাভ করে থাকে।কলা খেলে মা ও শিশুর হাড়ের বৃদ্ধি অব্যাহত রাখার জন্য গর্ভাবস্থায় কলা খাওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: কলাতে থাকা উপাদান গুলোর বদহজম পেটের সমস্যা দূর করে থাকে।গর্ভাবস্থায় কলা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যসহ গ্যাস দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

রক্তস্বল্পতা দূর করে: কলা খেলে রক্তস্বল্পতা দূর করে।শরীরের যখন রক্ত না থাকে ত্বক ফ্যাকাসে দেখা যায় এবং শরীর দুর্বলতা বৃদ্ধি পায়।কলাতে অনেক আয়রন রয়েছে এই জন্য গর্ভাবস্থায় কলা খাওয়া বিকল্প নেই।

খালি পেটে কলা খেলে কি গ্যাস হয়

আমরা অনেকেই মনে করি যে কলা খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়ে তাই অনেকে কলা খাওয়া থেকে বিরত থাকে।কলা একটি অত্যন্ত উপকারী ফল তাইতো ধনী দরিদ্র সব পরিবারে কলা খায়।কলা খেলে দেহের ভিটামিন হয় ৮০%।সাধারণত খালি পেটে কলা খেলে গ্যাসের সমস্যা দেখা দেয়।সকালে খালি পেটে কলা না খেয়ে সামান্য নাস্তা খেয়ে কলা খাওয়া বেশি উপকারী।যাদের অনেক বেশি গ্যাসের সমস্যা রয়েছে তারা যদি ভরা পেটে কলা খায় তাহলে গ্যাসের সমস্যা হবে না।


খালি পেটে কলা খেলে কি গ্যাস হয়,হ্যা গ্যাস হয়।কলা গ্যাসের জন্য উপকার না করে বরং আমাদের জন্য স্বাস্থ্যর ঝুঁকি বেড়ে যায়।কারণ কলায় রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ শর্করা তাই খালি পেটে খেলে আমাদের রক্তের শর্করার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।এবং আমাদের শরীরের বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি হতে পারে।এর ফলে আমাদের শরীরে ক্লান্তি ভাব দেখা দিতে পারে অথবা যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তাদের শরীরে ডায়াবেটিসের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে।এজন্যদীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পরে অথবা সকালে কলা খাওয়া উচিত নয়।

গর্ভাবস্থায় কাঁচা কলা খাওয়ার উপকারিতা

একজন গর্ভবতী মাকে গর্ভাবস্থায় অনেক রকমের খাবার খেতে হয়।যাতে শরীরে যথেষ্ট পরিমাণে ভিটামিন পুষ্টির প্রয়োজন মেটাতে পারে।গর্ভাবস্থায় কাঁচা কলা খেলে বাচ্চার পুষ্টিগুণ বেড়ে যায়।কাচা কলা ভর্তা করে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য ও বদ হজমের সমস্যা দূর হয়ে যায়।গর্ভবতী মায়েরা কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যায় ভোগেন।

এজন্য কাঁচা কলা খেলেকোষ্ঠকাঠিন্য সকল সমস্যা দূর হয়ে যায়।পেটের ভিতরে যদি কোন রকমের ব্যাকটেরিয়া জীবাণু থাকে তাহলে কাঁচা কলা দূর করে ফেলতে পারে।গর্ভাবস্থায় অনেকের ওজন বেড়ে যায় এতে বাচ্চার অনেক রকমের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।আবার অনেকের বেশি ওজন হওয়ার জন্য বাচ্চা নষ্ট হয়ে যায়।

  • কাঁচা কলা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের সহায়তা করে।
  • কাঁচা কলা গর্ভের শিশুর স্নায়ুর বৃদ্ধি ও মস্তিষ্ক গঠনের কাজ করে।
  • দেহের ওজন স্বাভাবিক রাখে।
  • কাঁচা কলা পুষ্টি পুষ্টি যোগায় ও খাবার রুচি বাড়ায়।
  • রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে কাঁচা কলা।
  • মানসিক ও স্থিতিশীল মেজাজ ভালো রাখে।
  • গর্ভের শিশুর পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে কাচা কলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কলা খাওয়ার নিয়ম

কলা খাওয়ার নিয়ে অনেকে অনেক ধারণা করেন।কলা কখন খাওয়া উচিত দিনে নাকি রাতে খালি পেটে নাকি ভরা পেটে।কিন্তু পুষ্টিবিদরা কলা মূলত সকালবেলায় খাওয়া উচিত বলে মনে করেন।সকালবেলা একটি কলা খেলে সারা দিন এর উপকার পাওয়া যায় তবে সকালে খালি পেটে খাওয়া ঠিক নয়।

খালি পেটে কলা খেলে কি গ্যাস হয় হ্যা গ্যাসের সমস্যা বেশি হয়।এজন্য নাস্তা করার পরে,কলা খাওয়া উচিত।সকালের না খেলেও দ্বীনের যেকোনো সময় কলা খাওয়া যায়।তবে সকালে কিছু খেয়ে কলা খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়।

রাতে কলা খেলে কি সমস্যা হয়: সাধারণত রাতে কলা খাওয়া নিয়ে একেক রকম মন্তব্য রয়েছে। বিশেষ করে কলা ক্ষেত্রে রাতে না খাওয়ার জন্য বলা হয়েছে।তবে এটা সবার ক্ষেত্রে নয় যাদের ঠান্ডা আজমার সমস্যা রয়েছে তাদের রাতে কলা না খাওয়াই ভালো।কারো ঠান্ডা কাশি সর্দি থাকলে রাতে ঠান্ডা ফল আর হজমে অনেক সময় নেই।

কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

আমাদের মানব জীবনে কলা গাছের একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।আমরা বিভিন্নভাবে কলা গাছের থেকে উপকার পেয়ে থাকি।যেমন কাচা কলা আমরা সবজি হিসেবে খেয়ে থাকি।আবার পাকা কলা কে আমরা ফল হিসেবেও খান সারা বিশ্বে কলা প্রচুর চাহিদা রয়েছে উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করব।


  • কলাতে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন রয়েছে ১.০৯ গ্রাম ক্যালরি ৮৯% এছাড়াও ভিটামিন এ ভিটামিন সি ভিটামিন বিটামিন কে আইরন ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি রয়েছে।
  • কলাতে থাকে ক্যালসিয়াম।ক্যালসিয়াম আমাদের হাড়কে মজবুত ও দাঁত কে সুরক্ষা করে।
  • কলাতে থাকা আন্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান যা আমাদের শরীরের গিয়ে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
  • আমাদের শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি হলে শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকে না কলা খেলে পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ থাকে।
  • ওজন কম নিয়ে যারা সমস্যায় ভুগছেন তারা নিয়মিত কলা খেতে পারেন কলাতে প্রচুর ক্যালরি থাকে যা শরীরের ওজন বৃদ্ধি করে।
  • কলা খেলে বদহজম শক্তি বৃদ্ধি পায় ও পেট পরিষ্কার রাখে।
  • কলা খেলে শরীরের দুর্বলতা দূর করে যাদের শরীর দুর্বল তারা শরীরের শক্তি যোগাতে খাদ্য তালিকা কলা রাখুন।
  • কলাতে ভিটামিন বি ৬ মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ঠিক রাখে এবং মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটায়।
  • অতিরিক্ত মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে আসে কলা খেলে।
  • কলাতে প্রচুর আয়রন আছে যা শরীরে আয়রনের অভাবে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয় তাই কলা খেলে রক্তশূন্যতা সমস্যা দূর হয়।
  • ডায়রিয়া হলে আমাদের শরীরে অনেক সময় প্রাণিসূন্যতা দেখা দেয় কলা খেলে শরীরের পানির ঘাটতি দূর হয়।
কলা খাওয়ার অপকারিতা: সব জিনিসেরই উপকারিতার পাশাপাশি অপকারিতা ও থাকে।তবে উপকারে যেসব উপাদান গুলো রয়েছে সে সকলের উপদানের অপকার তখনই দেখা যায়।আপনি যদি অতিরিক্ত মাত্রা উপকারের আসায় কলা খেয়ে নেন।তাহলে এর উপকারের চাইতে অপকারের দেখা আগে মিলবে।খাবার খাওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে যে অতিরিক্ত পরিমাণ না হয়ে যায়।

খালি পেটে কলা কি গ্যাস বাড়ে হ্যা বাড়ে।তবে ভরা পেটে খেলে সমস্যা হবে না।তবে কলা খাওয়ার  উপকারিতা চেয়ে অপকারিতায় বেশি।কলা একটি উপকারী খাবার তবে এই উপকারী খাবার অতিরিক্ত মাত্রায় যখন আমরা বেশি খেয়ে থাকি তখনই অপকারিতা দেখা দেয়।

কলা বেশি খেলে ক্ষতিকর দিক রয়েছে সেগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো-

  • কলা খেলে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা দেখা দেয়
  • কোষ্ঠকাঠির নজনিত সমস্যা হতে পারে।
  • যাদের আযমা ও ঠান্ডা জনিত সমস্যা থাকে তাদের শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা হতে পারে।
  • খালি পেটে কলা খেলে কি গ্যাস হয়।আমরা জানি না।এই না জানার জন্য সকালে খালি পেটে কলা খেলে গ্যাসের পরিমাণ বেশি হয়ে যায়।
  • বেশি কলা খেলে ওজন বৃদ্ধি হয়ে যায়।
বেশিকলা খেলে এসব সমস্যা হতে পারে।উপকারি খাবার বলে যে অতিরিক্ত পরিমাণ খাওয়া যাবে তা মোটেও ঠিক নয়,অতিরিক্ত কলা খাওয়ার ফলে এর উপকারের চাইতে ক্ষতিটাই বেশি হয়।

নিয়মিত কলা খাওয়ার উপকারিতা

আমাদের অনেকেই সকালের নাস্তায় কলা রাখে বা টিফিনের সময় কলা রাখে।প্রতিদিন কলা খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।এটি হয়তো বেশিরভাগেরই জানা নাই।কলায় থাকা প্রয়োজনীয় অনেক ভিটামিন রয়েছে।শরীরে শক্তির ঘাটতি হলে কলা সেটি পূরণ করে থাকে কলায় পর্যাপ্ত ভিটামিন সি ভিটামিন বী রয়েছে কলায়।ডায়েটরি ফাইবার থাকে ভালো পরিমান।কলা খেলে শরীরে অনেক এনার্জি পাওয়া যায়।



কলায় রয়েছে পর্যাপ্ত ভিটামিন বি ৬।শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ পতঙ্গের জন্য ভিটামিন এর গুরুত্ব অপরিসীম শরীরে রক্ত কণিকা তৈরিতে সাহায্য করে।পর্যাপ্ত ভিটামিন একটি করে কলা খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলন।আমাদের আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভূমিকা রাখে।ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে তুলে।এবং রোগ জীবাণু খুব সহজেই ধ্বংস করা যায়।প্রতিদিন ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খাওয়া প্রয়োজন গলায় ভিটামিন সি থাকে।পর্যাপ্ত যে কারণে কলা খেলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা উন্নত করা অনেকটাই সহজ হয়।
  • নিয়মিত কলা খেলে কিডনি ভালো থাকে।
  • কলা খেলে শরীরে এনার্জি বৃদ্ধি পায়।
  • কলা খেলে যেমন শারীরিক সুস্থতা থাকা যায় তেমনি ভালো থাকে ত্বক ও চুল।

লেখকের মন্তব্য

আজকে আমার এই আর্টিকেল এ কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা এবং খালি পেটে কলা খেলে কি গ্যাস হয়, কলা খাওযার নিয়ম আরো অনেক টপিক নিয়ে আলোচনা করলাম।কলার মধ্যে সকল ধরনের পুষ্টির উপাদান রয়েছে।যা আপনি আমার এই আর্টিকেলটি পড়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

আপনার যদি আমার এই আর্টিকেলটি ভালোলাগে থাকে,তাহলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আশা অনলাইন শপ নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url