ছেলেদের নতুন চুল গজানোর উপায় ৫টি

ছেলেদের নতুন চুল গজানোর উপায়, ছেলেদের চুল পড়া বন্ধ ও নতুন চুল গজানোর উপায় জানার জন্য সঠিক সমাধান পাচ্ছেন না, টেনসন এর কারণ নেয়, আজকে আমি সেই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করবো।

চুল পড়া বন্ধ চুল গজানোর উপায় তেলের নাম বিস্তারিতভাবে জানতে হলে এখনি আমার পোস্টটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

ভূমিকা

বর্তমান আমাদের মধ্য চুল পড়া সমস্যা সবার দেখা দিচ্ছে। সাধারণত বিভিন্ন কারণে চুল পড়ে যেতে পারে।হরমোন জনিত বা বেশি টেনশন মানসিক চাপ ইত্যাদির কারণে আমাদের চুল পড়ে যায়। আমার এই আর্টিকেলে ছেলেদের নতুন চুল গজানোর উপায়, এবং ঔষধের নাম চুলের তেল বিস্তারিত আলোচনা তুলে ধরার চেষ্টা করব। আপনারা আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়বেন।

ছেলেদের চুল পড়া বন্ধ ও নতুন চুল গজানোর উপায়

চুল পড়ার জন্য কোন বয়স নেই কিন্তু চুল স্বাভাবিক নিয়মেই প্রতিদিন পড়ে।ছেলেদের চুল ওঠার কারণ হয়ে থাকে মানসিক চাপ টেনশন কারণে চুল পড়ে যায়।ত্রিশ বছরের নিচে যদি আপনার চুল পড়তে শুরু করে তাহলে বুঝে নিবেন যে মানসিক টেনশন এর জন্য আপনার চুল ঝরে পড়তেছে।ছেলেদের চুল পড়া ও ছেলেদের নতুন চুল গজানোর উপায় সম্পর্কে নিচে আলোচনা করব:

ছেলেদের চুল বন্ধ করার উপায়:

স্বাস্থ্যকর ডায়েট করুন: শরীরের যেমন পুষ্টি দরকার হয় চুলের কোষ গুলোর ও পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টির উপাদান প্রয়োজন হয়।শরীরের পুষ্টি উপাদান ঘাটতি হলে চুলের কোষগুলো পুষ্টি পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয় আর যার ফলে সহজেই চুল পড়ে যায় তাই প্রত্যেকদিন আমাদের উচিত পুষ্টিকর আয়রন আমিষ জাতীয় খাবার খাওয়া।যেমন ডিম, মাছ, মিষ্টি আলু, বাদাম, শস্যদানা ইত্যাদি।

ভিটামিন ই চুল পড়া বন্ধ করতে খেতে পারেন: সব ভিটামিন নিয়ে চুলের জন্য উপকারী।ভিটামিন ই ত্বক ও চুলের জন্য অত্যন্ত উপকারী, একটি পুষ্টি উপাদান।ভিটামিন এ ক্যাপসুল সেবনের ফলে শরীরে নানাবিধ সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।এজন্য ভিটামিন ই ক্যাপসুল বেশি খাওয়া উচিত না।সবচেয়ে ভালো হবে প্রকৃতির উৎস তথা খাবার থেকে ভিটামিন ই গ্রহণ করা।ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার গুলোর মধ্যে হলো-চিনা বাদাম, বাদাম, ডিমের কুসুম, গম, সোয়াবিন, সূর্যমুখি বীজ ইত্যাদি।

প্রতিদিন শ্যাম্পু ব্যবহার করা বন্ধ করুন: মাথার চুল পরিষ্কার রাখার জন্য শ্যাম্পু ব্যবহার করা যেমন প্রয়োজন।তেমনি চুল পড়া বন্ধ করতে স্যাম্পু ব্যবহার হওয়া উচিত পরিমিত।প্রতিদিন শ্যাম্পু ব্যবহার করলেন মাথার ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।এবং চুল পড়া বৃদ্ধি পায়।আমাদের উচিত সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন শ্যাম্পু ব্যবহার করা।চুল পড়া বন্ধ করতে প্রাকৃতিক শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন না।

বেশি সময় চুল ভিজিয়ে রাখবেন না: গোসলের পর চুল ভালো করে মুছে ফেলতে হবে।গোসলের পর দীর্ঘ সময় মাথার চুল ভিজিয়ে রাখা উচিত নয়।কারণ তাতে নানা বেশি সমস্যা হতে পারে।যেমন
জ্বর, ঠান্ডা লাগা, মাথা ব্যথা, চুলের গন্ধ হওয়া, এবং সহজেই চুল পড়ে যাওয়া শুরু করে।

আমলকি,এলোভেরা,লেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন: চুলের জন্য আমলকি এলোভেরা ও লেবুর রস অনেক উপকারী কাঁচা আমলকিতে রয়েছে প্রাকৃতিক উপাদান যা চুলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আমলকি কাঁচা চিবিয়ে খাওয়া যায় এতে প্রচুর ভিটামিন সি আইরন ক্যালসিয়াম পাওয়া যায় এছাড়া ও আমলকির তেল ঘরোয়া উপায়ে হেয়ার প্যাক তৈরি করতে পারেন।

আলোভেরা ব্যবহার করলে মাথার খুশকি দূর করে।মাথার ত্বক ভালো রাখে।ভিটামিন এ, সি, রয়েছে মজবুত করে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।লেবুতে রয়েছে সাইট্রিক এসিড ও ভিটামিন সি।যার শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।শরীরের জন্য বিশেষ উপকারি এই উপাদানটি চুলের যত্নেও বেশ ভূমিকা পালন করে।ও চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে

ছেলেদের নতুন চুল গজানোর উপায়:

নিমপাতা: চুল ও ত্বক নানা সমস্যার জন্য নিম পাতা অনেক উপকারী।নিমপাতা চুল গজাতে অনেক সাহায্য করে।নিমপাতা পানিতে ভিজিয়ে ভিক্ষা করে রস বা গরম পানিতে ফুটিয়ে ব্যবহার করতে পারেন শ্যাম্পু করার পর সপ্তাহে একদিন নিমের পানি চুলে ব্যবহার করতে পারেন এমনকি তেতা করার ব্যবহার করতে পারেন।১৫ থেকে ২০ মিনিট চুলে রেখে সাম্পু ধুয়ে ফেলুন।এতে করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে।

পেয়াজের রস বা ডিম: পেঁয়াজের রস ও সাথে একটি ডিমের সাদা অংশ চুলে ব্যবহার ব্যবহার করুন সপ্তাহে এক থেকে দুই দিন।এতে করে চুলে পুষ্টি বাড়বে।আমরা অনেকেই পেঁয়াজের রস ওডিম গন্ধের জন্য ব্যবহার করি না।ডিম ও পেঁয়াজের রসে প্রচুর পুষ্টি রয়েছে এতে চুল ভালো রাখে ও চুল গজাতে সাহায্য করে।

কালোজিরা ও মেথি: কালোজিরা ও মেথি রোদে শুকিয়ে নিন তারপর গ্রাইন্ডার দিয়ে একদম ফিনিশিং করে গুড়া করে নিন।প্রতিদিন আপনারা যে তেল ব্যবহার করেন, সে তেলের সঙ্গে মিশিয়ে সপ্তাহে দুইদিন বা তিন দিন ব্যবহার করেন, অনেক ভালো উপকার পেয়ে থাকবেন।এবং চুল পুষ্টি পাবে এবং চুল গজাতে সাহায্য করবে।

নতুন চুল গজানোর ঔষধ কি

বর্তমান সময়ে সবারই চুল পড়া বা টাক জনিত সমস্যায় পড়তেছে, কি ব্যবহার করবে।কি ওষুধ ব্যবহার করবে বা কি করলে চুল গজাবে তা সঠিক তথ্য না জেনেই ওষুধ ব্যবহার করা শুরু করে দেয়।বর্তমান চুল গজানোর চিকি চিকিৎসার জন্য এখন মাত্র দুইটি ওষুধ প্রচলিত আছে প্রথমটি হচ্ছে মিনোক্রিডিল যা পুরুষ ও মহিলা ব্যবহার করতে পারেন, অপরটি হল ফিনাস্টেরাইড।শুধু পুরুষের জন্য।তবে দুইটি ঔষুদের প্রতিটির মধ্যে রয়েছে কিছু না কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া এবং এ দুটি ঔষধ যে সবার ক্ষেত্রে সমান কাজ করবে তাও না।

মিনোক্রিডিল যারা ব্যবহার করতে পারবেন?
  • যাদের বয়স ১৭ থেকে ৪৫ বছর।
  • যাদের বড় কোনো অসুখ নেই।
  • যাদের ব্লাড প্রেসার নেই।
  • যাদের চুল ঝরে গেছে।
  • যাদের নিয়মিত চুল পড়ে।
ওষুধটি ব্যবহার করা সঠিক সমাধান নয় আগে চুল পড়ার আসল কারণ আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে।তারপর চিকিৎসক যদি মনে করেন, তবেই তিনি এই ওষুধ ব্যবহার করতে পারবেন।তার আগে কখনোই নিজে নিজেই ওষুধ ব্যবহার করবেন না।এতে ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যাবে।

ছেলেদের নতুন চুল গজানোর উপায়

চুল পড়া সমস্যা কমবেশি সবারই রয়েছে।চুল পড়া বন্ধ করতে সবারই চিন্তার শেষ নাই।যাদের চুল পাতলা টাক হয়ে যাচ্ছেন,তারা নতুন চুল গজানোর জন্য কি করবেন তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে যান।পুরুষদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা দেয়।এরপর চুলের ফাক গুলো দেখা দেয়।মাথা ভর্তি চুল তখন হারিয়ে যায়।তখন মন অনেক খারাপ হয়ে যায়।অল্প বয়সেই টাক পড়ে যায় এবং সেজন্য বয়সের চেয়েও বেশি বয়স্ক লাগে।ছেলেদের চুল পড়া বন্ধ ও নতুন চুল গজানোর উপায় আপনাদের ওপর নির্ভর করবে।


স্বাভাবিক নিয়মে আমাদের প্রতিদিন কিছু না কিছু চুল পরেই তবে চুল পরার পাশাপাশি নতুন চুল যদি না গজায় তখন চুল পাতলা হতে শুরু করে এ নতুন চুল গজানোর বিষয়টি অনেকটাই নির্ভর করবে আপনার উপর আপনি কিভাবে চুলের যত্ন নিচ্ছেন তা নির্ভর করে চুল গজানোর উপর।যত্ন নিলে আমরা অনেক কিছুই সুন্দর করতে পারি তাই ঠিক যত্ন করলে অবশ্যই সুন্দর হবে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক নতুন চুল গজানোর উপায়-

নিমপাতা ব্যবহার করুন: চুল ও ত্বক নানা সমস্যার জন্য নিম পাতা অনেক উপকারী।নিমপাতা চুল গজাতে অনেক সাহায্য করে।নিমপাতা পানিতে ভিজিয়ে ভিক্ষা করে রস বা গরম পানিতে ফুটিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।শ্যাম্পু করার পর সপ্তাহে একদিন নিমের পানি চুলে ব্যবহার করতে পারেন।এমনকি তেতা করে ব্যবহার করতে পারেন।১৫ থেকে ২০ মিনিট চুলে রেখে সাম্পু ধুয়ে ফেলুন।এতে করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে।

পেয়াজের রস বা ডিম ব্যবহার করুন: পেঁয়াজের রস ও সাথে একটি ডিমের সাদা অংশ চুলে ব্যবহার ব্যবহার করুন সপ্তাহে এক থেকে দুই দিন।এতে করে চুলে পুষ্টি বাড়বে।আমরা অনেকেই পেঁয়াজের রস ও ডিম এর গন্ধের জন্য ব্যবহার করি না।ডিম ও পেঁয়াজের রসে প্রচুর পুষ্টি রয়েছে এতে চুল ভালো রাখে ও চুল গজাতে সাহায্য করে।ছেলেদের নতুন চুল গজানোর উপায় এর জন্য পেয়াজের রস ও ডিম অনেক উপকারি।

কালোজিরা ও মেথি ব্যবহার করুন: কালোজিরা ও মেথি রোদে শুকিয়ে নিন।তারপর গ্রাইন্ডার দিয়ে একদম ফিনিশিং করে গুড়া করে নিন।প্রতিদিন আপনারা যে তেল ব্যবহার করেন, সে তেলের সঙ্গে মিশিয়ে সপ্তাহে দুইদিন বা তিন দিন ব্যবহার করেন, অনেক ভালো উপকার পেয়ে থাকবেন।এবং চুল পুষ্টি পাবে এবং এ  সাহায্য করবে।

চুল পড়া বন্ধ করার তেলের নাম

আমাদের দেশে চুল পড়া সমস্যা কোন নতুন কিছু না।বিশেষ করে নারীরা এ সমস্যার প্রকট তাই চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ব্যবহার করতে পারেন সরিষার তেল।নিয়মিত ব্যবহার চুলে আসবে প্রাকৃতিক ভাবে সৌন্দর্য ও পাশাপাশি চুল পড়াও কমে যাবে।সরিষার তেলে আল্টা ফাটি এসিড থাকায় এই তেল ব্যবহারে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও কন্ডিশনারের কাজ করে।ফলে দূরত্ব চুল বাড়ে।সরিষার তেলে রয়েছে আয়রন ক্যালসিয়াম ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন এছাড়াও রয়েছে যে ক্যারোটিন ইত্যাদি যা চুল লম্বা হতে সাহায্য করে।

  • সরিষার তেল লেবুর রস নিয়া গুড়া ভালোভাবে মিশিয়ে রাখুন।আধা ঘন্টা রেখে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এতে চুল মজবুত ও খুশি দূর হবে।
  • টক দই সরিষার তেলে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে রাখলে চুল ভালো হবে। আপনারা চাইলে সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন ব্যবহার করতে পারেন।
  • সরিষার তেল আলোভেরা চুলে লাগিয়ে চল্লিশ মিনিট ব্যবহার করন।
আমরা প্রাকৃতিক নিয়মেও খাঁটি নারিকেল তেল এর সাথে মেহেদী পাতা,পেঁয়াজের রস, আলোভেরা, ইত্যাদি দিয়ে আমরা ঘরে বসে তেল তৈরি করতে পারি।এই তেলে রয়েছে অনেক পুষ্টি, এই তেল ব্যবহার করলে চুল ঘন ও চুল পড়া বন্ধ করে।ছেলেদের নতুন চুল গজানোর উপায় এর জন্য ও পেয়াজের রস হেয়ার তেল, আমলকি তেল, হেয়ার অলি, ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন।তবে বাজারের তেল ব্যবহার না করে,প্রাকৃতিক নিয়মে ঘরে বসে তেল তৈরি করা।এবং সেই তেল ব্যবহার করা অনেক উপকারী।

চুল লম্বা করার তেলের নাম

চুলের অন্যতম খাদ্য হলো তেল।আমরা মেয়েরা চুল লম্বা করার জন্য অনেক আগ্রহী।কিন্তু চুলের যত্ন না নেওয়ার কারণে আমাদের চুল বড় হয় না।এবং চুলে কোন পুষ্টি না থাকার কারণে চুল বড় হয় না। চুলে আমাদের উচিত সপ্তাহে দুইবার তেল ব্যবহার করা।চুল লম্বা করতে চাইলে আমরা খাঁটি নারিকেল তেল, আমলকি তেল, তিলের তেল, ক্যাস্টর অয়েল এবং প্রাকৃতিক নিয়মের নিজে তৈরি করে তেল ব্যবহার করতে পারেন।


নারিকেল তেল: লম্বা করতে চাইলে নিয়মিত তেল মালিশ করুন।তেল দিয়ে মাথার ত্বকে মেসেজ করতে হবে।এর ফলে মাথার ত্বকে রক্ত চলাচল বাড়বে।চুলের গোড়াতে পুষ্টি আগের তুলনায় বেশি পৌঁছাবে।চুলের বৃদ্ধির জন্য ভিটামিনের অবদান অনেক।প্রয়োজনীয় ভিটামিন না পেলে চুল কখনো বৃদ্ধি হয় না।সাম্পু ব্যবহার করলে চুল পরিষ্কার হয়।তাই সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করুন।চুলে স্টাইল করার যন্ত্রপাতি চুলের ক্ষতি করে তাই এগুলো যত পারেন কম ব্যবহার করবেন।

তিলের তেল: চুল বড় করতে আমরা চাইলে তিলের তেল ও ব্যবহার করতে পারি।তিলের তেল খুকসি ও দূর করে।

আমলকির তেল: আমলকিতে অনেক পুষ্টি রয়েছে।আমরা চাইলে ঘরে বসে আমলকি তেল তৈরি করে ব্যবহার করতে পারি।এতে চুলে পুষ্টি বাড়বে এবং চুল ভালো রাখবে।

লেখক এর শেষ মন্তব্য

আমার এই সম্পূর্ণ পোস্টটিতে চুল পড়া বন্ধ, ছেলেদের নতুন চুল গজানোর উপায়, তেলের নাম, ছেলেদের চুল পড়া বন্ধ ও নতুন চুল গজানোর উপায় চুলপড়া বন্ধ করা ঔষুধের নাম, ছেলেদের চুল গজানোর উপায় সহ বিস্তারিত আলোচনা করেছি।আপনারা এতক্ষণে আলোচনা পরে ভালোভাবে চুল পড়ার বন্ধের কারণ প্রাকৃতিক উপায় সম্পর্কে জেনে গেছে।আপনারা নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার ও আমার নিয়মগুলো মেনে চলন এবং চুল পড়া বন্ধ করুন।

আমার এই আর্টিকেল পড়ে এবং কাজগুলো নিয়মিত করে উপকার পেয়ে থাকলে।তাহলে আমার পোস্টটি আপনার বন্ধু-বান্ধবদের সাথে শেয়ার করুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আশা অনলাইন শপ নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url