এলার্জি জাতীয় সবজি তালিকা-এলার্জি কমানোর উপায় সমূহ জেনে নিন

এলার্জি জাতীয় সবজি তালিকা গুলোতে অ্যালার্জির সমস্যা দেখা দেয়। এবং কোন কোন ফলে এলার্জি আছে  সম্পর্কে জানি না আপনারা হয়তোবা অনেকে বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা আর্টিকেল পড়ে সঠিক সমাধান পাচ্ছেন না তাদের জন্য আজকে আমার এই আর্টিকেলটি।

আমার এই আর্টিকেলে এলার্জির আরো বেশি কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি।এসব জানতে হলে আমার এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

এলার্জি জাতীয় সবজি তালিকা জেনে নিন

.

ভূমিকা

এলার্জি সকলের কাছে একটি পরিচিত বাংলাদেশের প্রায় লক্ষ লক্ষ মানুষ এই রোগে ভোগে।ছোট বড় সবারই এই এলার্জির সমস্যা রয়েছে।শিশুদের এলার্জিটা একটু বেশি।ময়লা আবর্জনা ধুলাবালির মধ্য থাকলেও এলার্জি দেখা দিতে পারে।আবার বিভিন্ন ধরনের খাবার থেকেও এলার্জি জাতীয় সবজি তালিকা গুলোতে আলাদা ভাবে দেখা দিতে পারে।শরীরে লাল লাল চাকা হয়।


এলার্জি সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই সঠিক কোন ধারণা নেই।যাদের এলার্জি রয়েছে তাদের কাছ থেকে এড়িয়ে চলতে হবে।ঘরের কম্বল পর্দা তোষক আসবাবপত্র জমে তা পরিষ্কার করার সময় ও দূরে থাকা উচিত।

কোন কোন মাছে এলার্জি আছে

অনেকেরই মাছ খেলে এলার্জি সমস্যা দেখা দেয়।সাথে রয়েছে অনেক প্রোটিন।মাছ খেলে যে সব এলার্জির লক্ষণগুলো দেখা যায়।ত্বকের সমস্যা চুলকানি বমি বমি ভাব শ্বাসকষ্ট ডায়রিয়া ইত্যাদি।যেসব মাছ খেলে এলার্জি সৃষ্টি হতে পারে সেগুলো কিছু মাছের নাম উল্লেখ করা হলো:
  • ইলিশ
  • তেলাপিয়া
  • পাঙ্গাস
  • চিংড়ি
  • পুঁটি
  • চিতল মাছ
  • বোয়াল মাছ
  • কই মাছ
  • পোনা মাছ
  • মাগুর মাছ
  • সামুদ্রিক মাছ
এছাড়াও ডিম, হাঁসের মাংস, গরুর মাংস, কোয়েল পাখি, মাখন, আইসক্রিম ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে এলার্জি রয়েছে।
এই মাছগুলো খেলে এলার্জির সৃষ্টি হতে পারে।কিন্তু এই মাছগুলো যে সবার এলার্জি লক্ষণ দেখা দিবে এমন নয়।একজন মাছে এলার্জি রয়েছে।মাছ খেলে যদি অ্যালার্জি হয় তাহলে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিত।

মুখে এলার্জি দূর করার ঘরোয়া উপায়

মুখে এলার্জি হলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।আমাদের সৌন্দর্য প্রকাশ পায় চেহারার মাধ্যমে। যাদের মুখে এলার্জি রয়েছে তাদের উচিত এলার্জি জাতীয় সবজি তালিকা তৈরি করে বিরত থাকা এবং   ঘরোয়া উপায় রয়েছে এলার্জি দূর করার জন্য যেমন তুলসী পাতা নারিকেল তেল আলু বেরা নিমপাতা ইত্যাদি ব্যবহার করে মুখের এলার্জি ভালো করতে পারেন। চলন তাহলে মুখে এলার্জি দূর করার ঘরোয়া উপায় বিস্তারিত ভাবে জেনে নেই-

  1. ঠান্ডা পানি ত্বক জ্বালাপোড়া বা অ্যালার্জি দূর করতে সহায়তা করে।ঠান্ডা পানি অনেক উপকারী প্রতিদিন গোসল করার সময় ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে ত্বকে জ্বালাপোড়া থেকে রেহাই পাওয়া যায়
  2. প্রথমে একগ্লাস পানি নিন তারপর তিন চামচ লবণ সেই পানির ভিতরে দিন এবং পানিটিকে ফুটিয়ে নিন তারপর পানি ঠান্ডা হয়ে গেলে এক টুকরো তুলো নিয়ে সেই পানিতে ভিজে আপনার চোখে লাগাতে পারেন এতে যদি কোন ময়লা থাকে তাহলে উঠে যাবে এলার্জি হলে চোখ চুলকায় এই চুলকানো এবং জ্বালাপোড়া থেকে রেহাই পাবেন।
  3. অ্যালোভেরা প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে আন্টি ব্যাকটেরিয়া ত্বক জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে।অ্যালোভেরা পাতা থেকে রস বের করে আলুভেরার রস এলার্জি স্থানে লাগালে অনেক উপকার পাওয়া যায়।
  4. নিমপাতা অনেক উপকারী এবং ঔষধ হিসেবেও কাজ করে ব্যাকটেরিয়া সৃষ্টি এলার্জি দূর করতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।নিমপাতা রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালে বেটে নিয়ে এলার্জি স্থানে লাগালে চুলকানি ভালো হয়ে যাবে।
  5. নারিকেল তেল বড়দের এবং শিশুদের ত্বকে এলার্জি হলে এক চামচ নারিকেল তেল হালকা গরম করে নিয়ে।তেলটি এলার্জি স্থানে ৩০ মিনিট পর্যন্ত লাগিয়ে রাখুন তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।যতদিন এলার্জি দূর হবে না ততদিন দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করুন অনেক উপকার পাবেন।
  6. তুলসী পাতায় রয়েছে অনেক উপকারী যা চুলকানি দূর করতে সাহায্য করে।একমোট তুলসী পাতা নিয়ে তুলসী পাতা গুলো ভালো করে বেটে নিয়ে, এলার্জি স্থানে লাগিয়ে ২০ থেকে ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।দিনে দুই থেকে তিনবার লাগালে অনেক ভালো উপকার পাওয়া যায়।
  7. ঘর এবং বিছানা সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে যাতে ধুলা বালি না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। টিভি মোবাইল ফোন কম্পিউটার সামনে টানা বসে থাকবেন না।আর চোখ চুলকালে আঙ্গুল দিয়ে নাড়ানো থেকে বিরত থাকুন।

কোন কোন ফলে এলার্জি আছে

ফলে বিশেষ ধরনের প্রোটিন রয়েছে যার জন্য ফলে এলার্জি হয়।ফল খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।বাহির থেকে বোঝা যায় না যে ফলে বা এলার্জি জাতীয় সবজিতে আপনার এলার্জি হবে।এই জন্য আপনাকে ফল বা সবজি রস ত্বকে লাগিয়ে দেখে নিতে পারেন।যদি কোন অস্বস্তি বা সমস্যা না হয় তাহলে খাদ্য তালিকা থেকে এই ফল বা সবজি বাদ দিতে হবে না।


যেসব ফলে এলার্জি রয়েছে তা নিচে আলোচনা করা হলো:
  • আপেল
  • টমেটো
  • শসা
  • কাঠবাদাম
  • গাজর
  • কমলা
  • ডালিম
  • জলপাই
  • পেয়ারা

এলার্জি জাতীয় সবজি তালিকা

এলার্জির সমস্যা একজনের একেক খাবার থেকে দেখা দিতে পারে।যাদের রক্ত আর গ্রুপ ‘ও’ তাদের বাঁধাকপি ফুলকপি আলু বেগুন ইত্যাদি খেলে এলার্জি বাড়াতে পারে।আবার যাদের রক্তের গ্রুপ ‘এ’ তাদের জন্য এলার্জি তৈরি করতে পারে টমেটো ইত্যাদি আবার যাদের ‘এবি’ এর জন্য এলার্জিযুক্ত খাবার হলো ইত্যাদি।নিচে এলার্জি জাতীয় সবজির তালিকা তৈরি করা হলো:


পুঁইশাক: পুঁইশা খেলে এলার্জি বেড়ে যায় যাদের এলার্জির সমস্যা রয়েছে বেশি পরিমাণে পুঁইশাক খেলে এলার্জির মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।এবং বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখে দিতে পারে যেমন যাদের চোখ উঠে এই পুঁইশাক খেলে চোখের চুলকানি আরো বেড়ে যায়।

বেগুন: যাদের এলার্জি রয়েছে তাদের বেগুন না খাওয়াই ভালো বেগুনে প্রচুর পরিমাণে এলার্জি রয়েছে।বিভিন্ন গবেষণা করে দেখা গিয়েছে যে টমেটো, বেল, পেঁপে সবজি খেলে এলার্জি হয় তাদের বেগুন খেলেও সেই রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে।এই সবজিগুলোতে ‘স্যালিসাইলেট’ রাসায়নিক উপাদান রয়েছে।যা শরিলে বিষের মতো কাজ করে।

কলা: যাদের অ্যালার্জি রয়েছে কলা খেলে তাদের এলার্জির পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে কলাতে রয়েছে অনেক ক্যালরি।ডাক্তারেরা তিন বছর বয়সী শিশুদের জন্য কলা খাওয়া নিষেধ করে থাকেন।

গাজর: গাজরে রয়েছে বিটাকার রুটিন ফাইবার।গাজরে রয়েছে প্রচুর এলার্জি।গাজর রান্না করার চেয়ে কাছা কাচরে বেশি এলার্জি রয়েছে।রান্নার ফলে গাজরে এলাজেনিক প্রোটিন ভেঙ্গে যায় এবং ইমিউন সিস্টেমের উপর তাদের প্রভাব কমে যায়।

টমেটো: আমরা অনেকে জানিনা টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে এলার্জি রয়েছে।বেশি পরিমাণে টমেটো খেলে হাঁচি তোকে ফুসকুড়ি ও গলা চুলকাতে পারে।যাদের অ্যালার্জি জনিত সমস্যা রয়েছে তাদের টমেটো থেকে দূরে থাকা উচিত।

মিষ্টি আলু: মিষ্টি আলুতে ও এলার্জি রয়েছে তবে অন্যান্য সবজির তুলনায় কম।তবে মিষ্টি আলু খেয়ে আগে দেখতে হবে যে এলার্জি হচ্ছে কিনা।খাওয়ার পর যদি কোন এলার্জির লক্ষণ দেখা দেয় তাহলে অবশ্যই আপনাকে মিষ্টি আলু থেকে এড়িয়ে চলতে হবে।

মিষ্টি কুমড়া: কুমড়া থেকেও এলার্জি হতে পারে। মিষ্টি কুমড়াতে এলার্জি বেশি নেই।যদি কুমড়ো খাওয়ার পর আপনার এলার্জি বেড়ে যায়।তাহলে আপনাকে কুমরার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে । আবার কুমড়ায় মাংস দিয়ে রান্না করলে এতে এলার্জির পরিমাণ আরো বেড়ে যেতে পারে।

পালং শাক: পালং শাকের এলার্জি অন্যান্য সবজির তুলনায় অনেক বেশি। কারণ পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। যাদের পরাগ থেকে এলার্জি হয় তাদের অবশ্যই পালং শাক খেলে এলার্জি হতে পারে।

কচু শাক: কচুতে প্রচুর পরিমাণে এলার্জি রয়েছে যাদের কচু খেলে শালার যে বেশি হয় তাদের না খাওয়াই উচিত।

লাল শাক: লাল শাক এলার্জি নেই তবে আপনাকে লাল শাক খেয়ে দেখতে হবে যে এলার্জির কোন লক্ষণ দেখা দিচ্ছে নাকি যদি এলার্জির লক্ষণ দেখা দেয় তাহলে লাল শাক খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

এলার্জি কমানোর উপায়

এলার্জি থেকে মুক্ত থাকার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো যেসব বস্তুু  এলার্জি জাতীয় সবজি তালিকা থেকে বাদ দিয়ে সেগুলো থেকে এড়িয়ে চলা উচিত।


  1. এলার্জি রয়েছে এমন খাবার থেকে এড়িয়ে চলুন।
  2. বিছানা বালিশ বাড়ির গৃহপালিত পশু পাখির বাসস্থান এগুলো সব সময় নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন।
  3. বিছানার চাদর বালি লেপের খাবার জানালার পর্দা এগুলো সপ্তাহে অন্তত একবার হলে গরম পানিতে ধুয়ে নিন।যেসব জিনিস নিয়মিত ধোঁয়া যায় না সে সব জিনিস কম ব্যবহার করাটায় ভালো।যেমন কার্পেট
  4. যখন আপনি বিছানার চাদর বা ঝাড়া মোছার কাজ করবেন অবশ্যই মাক্স ব্যবহার করে এগুলো পরিষ্কার করুন এতে ধোলা আপনার নাকের ভিতর যাবে না এতে এলার্জি সৃষ্টি করবে না।
  5. গরম বা ঘাম থেকে এলার্জি হতে পারে।তাই খুব পরিশ্রম করার পর শরীর ঘেমে গেলে শরীর ঠান্ডা করে নিন এবং সব সময় ঢিলাঢালা কাপড় পরন।
  6. ঠান্ডা থেকেও এলার্জি হতে পারে বৃষ্টিতে ভেজা পুকুরে গোসল করা থেকে বিরত থাকুন।যাদের প্রচুর এলার্জির সমস্যা রয়েছে গোসলের সময় কুসুম গরম পানি ব্যবহার করে গোসল করতে পারেন।
  7. বিভিন্ন প্রসাধ্বনিতে কেমিক্যালে এলার্জি থাকতে পারে যেমন সাবান শ্যাম্পু ফেসওয়াশ সুগন্ধি ইত্যাদি যেসব পণ্যের এলার্জি হয় সেগুলো ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

এলার্জি ব্রণ দূর করার উপায়

মুখে কোন দাগ বা ব্রণ হলে অনেক বিরক্ত লাগে।কারণ সৌন্দর্য মানুষের মুখে প্রকাশ পায়।এলার্জির ব্রণ হলে মুখ গর্ত ও দাগ হয়ে যায় এবং অনেকের লাল ভাব তৈরি হয় মুখ দেখতে খুব বিচ্ছিরি লাগে। যারা এই এলার্জির সমস্যায় ভুগছেন এলার্জির ব্রণ দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে যা নিয়ম মেনে ব্যবহার করলে অনেক উপকার পাবেন।যেমন ডিম ও লেবুর রস লেবু হলুদ গোলাপ জল টক দই লেবুর খোসা ইত্যাদি কিভাবে ব্যবহার করবেন বিস্তারিত নিচে আলোচনা করা হলো:-

ডিম ও লেবুর রস যেভাবে ব্যবহার করবেন: প্রথমে এক চামচ আর লেবুর রস এবং একটি ডিমের সাদা অংশ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।যেখানে ব্রণ দাগ বা গর্ত হয়েছে সেখানে ভালোভাবে লাগিয়ে নিন তারপর শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিবেন এভাবে এক মাস থেকে বা কয়েক সপ্তাহ ব্যবহার করলে মুখের গর্ত বা অ্যালার্জি অনেকটাই কমে যাবে এবং পাশাপাশি ত্বক উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দেবে।

লেবু ও হলুদ যেভাবে ব্যবহার করবেন: এক চামচ হলুদের গুড়া এবং হাফ চামচ লেবুর রস ভালোভাবে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন তারপর ব্রণের স্থানগুলোতে সমানভাবে ২০ থেকে ৩০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন।শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।তবে রোদে বা চুলার কাছে যাবেন না।এভাবে একটানা কয়েক সপ্তাহ লাগালে মুখের এলার্জির ব্রণ বা দাগ কমে যাবে।

গোলাপজল টক দই ও লেবুর খোসা যেভাবে ব্যবহার করবেন: প্রথমে এক চামচ গোলাপ জল এক চামচ টক দই এক চামচ লেবুর খোসা বাটা ভালোভাবে মিশিয়ে নিন তারপর ব্রণের জায়গাগুলোতে ভালোভাবে লাগিয়ে এবং ভালোভাবে শুকিয়ে গেলে তা ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এগুলো ব্যবহার করলেব্রণ এবং ব্রণের দাগ দূর দূর হবে।এবং পাশাপাশি আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

বাচ্চাদের এলার্জি দূর করার ঘরোয়া উপায়

বড়দের তুলনায় শিশুদের এনার্জি অনেক বেশি হয়।এলার্জির হলে শিশুর ত্বক লাল লাল রাশ বের হয় ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়।শিশুরাই নখ দিয়ে আক্রান্ত স্থানে চুলকাতে থাকে।এই চুলকানোর জন্য শিশুর হাত-পায়ে এবং বিভিন্ন স্থানে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

  • অনেকেই শিশু ত্বকে পাউডার লোশন ব্যবহার শুরু করে দেন এটা মোটেও উচিত নয়।
  • তেল বা ক্রিম বাবার না করে ভালো মানের পাউডার ব্যবহার করন ঘাড় বুক পেট বগল ঢেকে থাকা স্থানে ভালো করে পাউডার ব্যবহার করলে শিশু স্বস্তি পায়।
  • শিশুর ঘর যেন অতিরিক্ত ঠান্ডা বা গরম না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
  • গোসলের সময় শিশুদের শরীরে ফেনাযুক্ত সাবান ব্যবহার করবেন না।
  • যেসব খাবারে এলার্জি জাতীয় সবজি  রয়েছে  তালিকা সেসব খাবার শিশুকে খাওয়াবেন না।
  • শিশুকে ঘন ঘন পানি খাওয়াবেন এতে ত্বক ভালো থাকবে।
  • বাহিরে বা সূর্যের তাপে গেলে শরীরে যেন অতিরিক্ত ঘাম না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।
  • শিশুকে সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখবেন। শিশুদের কাপড় ভালো ভাবে পরিষ্কার ও রোদে শুকিয়ে নিবেন।

রক্তে এলার্জির লক্ষণ

  1. শরীরের বিভিন্ন অংশে অতিরিক্ত মাত্রায় চুলকানি।
  2. তলপেটে ব্যথা ও পেট কামড়ানো।
  3. হজম শক্তি কমে যাওয়া এবং পেটের বিভিন্ন সমস্যা হওয়া।
  4. চোখ লাল হওয়া।
  5. বুকেও গলায় চাপ অনুভব করা।
  6. বারবার বমি হওয়া।
  7. গলা ঠোঁট জিব্বা ফুলে যাওয়া।
  8. নাকের ঘ্রাণশক্তি কমে যাওয়া।
  9. শরীরে গোল গোল চাকা চাকা দাগ।

রক্তের এলার্জি দূর করার ঘরোয়া উপায়

রক্তে এলার্জি অনেক বড় একটা সমস্যা।বর্তমান সময়ে ১০০ জন মানুষের মধ্য প্রায় ৯০ জন মানুষ এই এলার্জির সমস্যায় ভুগে থাকেন।এলার্জি জাতীয় সবজি তালিকা গুলো এবং কোন বস্তু বা খাবারের প্রতিক্রিয়াকেই এলার্জি বলা হয়ে থাকে।এটি অনেকের বংশগত বা জন্মগতভাবেই এলার্জি হয়ে থাকে।এলার্জি কখনো পুরোপুরি ভাবে ভালো হয় না কিন্তু খাওয়া দাওয়া পরিবর্তন এর মাধ্যমে কিছুটা নিয়ন্ত্রণের মধ্য রাখতে পারবেন।


যেসব খাবারে এলার্জি রয়েছে সেসব খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে যেমন গরুর দুধ হাঁসের ডিম গরুর মাংস চিংড়ি মাছ ইলিশ মাছ শাকসবজি ইত্যাদি এলার্জির পরিমাণ অনেক বেশি থাকে এজন্য এসব খাবার থেকে সব সময় বিরত থাকবেন।

রক্তে এলার্জি কমানোর ঘরোয়া উপায় জেনে নিন

  • ধূমপান থেকে বিরত থাকুন
  • শরীরের চর্বি কমান।
  • মসলা জাতীয় খাবার পরিহার করুন।
  • টক দই খেতে পারেন।
  • এলার্জিযুক্ত খাবার পরিহার করুন।
  • শারীরিক ব্যায়ামকরণ।
  • লবণ খাওয়া কমিয়ে দিন।
  • গ্রিন টি পান করুন।
  • অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ পরিহার করুন।
  • এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিহার করুন।

লেখক এর শেষ মন্তব্য

প্রিয় পাঠক আমার এই আর্টিকেলে এলার্জি জাতীয় সবজির তালিকা এলার্জি কমানোর উপায় রক্তে অ্যালার্জি কমানোর উপায় কোন কোন ফলে এলার্জি আছে এবং আর ও বেশ কিছু টপিক নিয়ে আমার এই আর্টিকেলে আলোচনা করেছি। আমার এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে অনেক অজানা তথ্য জানতে পেরেছেন বা অনেক সমস্যার সমাধান খুঁজে পেয়েছেন।

আমার এই আর্টিকেলটি পরে যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে আপনার পরিচিত বন্ধুবান্ধব আত্মীয় স্বজনের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো এবং আপনার যদি কোন কিছু এলার্জি সম্পর্কে জানার থাকে।তাহলে কমেন্ট বক্সে জানাবেন।(ধন্যবাদ)

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আশা অনলাইন শপ নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url