ক্যান্সার প্রতিরোধ করার উপায় ১০টি বিস্তারিতভাবে জেনে নিন

ক্যান্সার প্রতিরোধ করার উপায় ক্যান্সার প্রতিরোধ করে যেসব ফল সম্পর্কে আপনারা সঠিক তথ্য খুঁজে পাচ্ছেন না। টেনশন এর কোন কারণ নেই আজকে আমার এই আর্টিকেলে আপনাদের সঠিক তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করব।
জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধের উপায় কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধের উপায় এবং ক্যান্সার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো জানতে হলে আমার এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সহকারে পড়তে হবে। আমার এই আর্টিকেলে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস সম্পর্কে আলোচনা করব যা আপনার কাজে আসবে এই জন্য আমার এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

ভূমিকা

ক্যান্সার একটি মরণবাদী রোগ। এই ক্যান্সার হলে একটি তাজা পান ঝরে যায়। কিন্তু এই ক্যান্সারটি একদিন বা দুইদিনে হয় না। বর্তমান সময়ে এই ক্যান্সার রোগটি বেশি হচ্ছে কিছু অনিয়ম এর জন্য ক্যান্সারের ঝুঁকি দিন দিন বেড়ে চলছে। আজকে আমার এই আর্টিকেলে ক্যান্সার সম্পর্কে আলোচনা করলাম। এ আর্টিকেলে ক্যান্সার প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে এবং লক্ষণ আলোচনা করলাম এজন্য এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ার অনুরোধ রইলো যা আমাদের জীবন যাপনের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করে যেসব খাবার

ক্যান্সার প্রতিরোধ করে যেসব খাবার? আমাদের রাতারাতি হয় না দীর্ঘদিনের অনিয়ম এর জন্য ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে থাকে।আপনারা চাইলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও পারেন।এজন্য আপনাকে আপনার খাবার তালিকা কিছু খাবার যুক্ত করতে হবে।
চলুন জেনে নেই ক্যান্সার প্রতিরোধের খাবার সম্পর্কে-

নিয়মিত বাদাম খান: বাদামে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি রয়েছে। নিয়মিত বাদাম খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়।বাদাম শ্বসনতন্ত্র ও স্নায়ুতন্ত্র কে প্রভাবিত করে ক্যান্সার প্রভাব বিস্তার করতে পারে। যেহেতু বিভিন্ন কারণে ক্যান্সার হতে পারে। তাই বাদাম খেলে কিছু ঝুঁকি কমাতে পারে।
অ্যালকোহল থেকে বিরত থাকতে হবে: অতিরিক্ত অ্যালকোহল এর জন্য ক্যান্সার হয় মুখ গলা খাদ্যনালী এসব জায়গায় ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় তাই আলকোহল পরিহার করতে হবে।
বেশি সময় বসে থাকা যাবে না: যারা বেশি সময় বসে থাকে তাদেরকে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক পরিমাণ বেড়ে যায়। এজন্য একটানা বসে না থেকে কয়েক ঘন্টা পর পর একটু হলেও হাটাহাটি করে আবার বসে থাকতে হবে।
লেবু: লেবু শরীরের টক্সিন সরিয়ে শরীরের ক্ষতিকর টক্সিন থেকে দূরে রাখে প্রতিদিন আমরা যদি গরম পানির সাথে লেবু মিশিয়ে খেলে শরীরের টক্সিন দ্রুত বেরিয়ে যায়। তিন থেকে চার বার এই পানিও খেলে ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যায়।
ফুলকপি খেতে হবে: যারা ফুলকপি ও বাঁধাকপি বেশি খায় তাদের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়। গবেষণা করে দেখা গেছে যে যারা এসব খাবার খায় তাদের কিডনি ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কম থাকে।
রসুন: রসুন খেলে কোন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায় রসুন হার্টের জন্যও খুব উপকারী। রসুনে থাকে ওষুধি গুণ যা যৌন ও ক্যান্সারের বিরুদ্ধে ইমিউন সিস্টেম তৈরি করে।
গাজর: গাজরে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যার শরীরের ক্যান্সারের কোষ উৎপাদন কমায়। গাজর আমরা বিভিন্নভাবে খেতে পারি সালাত রান্না করে গাজর আমরা খেতে পারি। প্রতিদিন আমরা যদি খাদ্য তালিকায় গাজর রাখি তাহলে ক্যান্সারের সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায় ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধ ও গাজর বিশেষ ভূমিকা রাখে।
টমেটো: টমেটোতে লাইকোপেন নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা হৃদরোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করবে। টমেটোতে ভিটামিন এ সি ই থাকে যা ক্যান্সারের শত্রু ।টমেটো রস ক্ষতিকর ডি এন এ কোষগুলোকে নষ্ট করে। এইজন্য সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন টমেটো খাদ্য তালিকায় রাখুন।
গ্রিন টি: গ্রিন টি ক্যান্সার প্রতিরোধে অনেক উপকারী। এই সবুজায়ের এন্ড টেক্সিডেন্ট নামক উপাদান থাকে যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সক্ষম। গবেষকরা গবেষণা করে দেখেছে গ্রিন টিউমার হওয়া প্রতিরোধ করে চায়ের চেয়ে গ্রিন টি বেশি উপকারী। এই জন্য চা না খেয়ে গ্রিন টি খেতে পারেন।

ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধের উপায়

বর্তমান সময়ে বেস্ট ক্যান্সার দিন দিন বেড়েই চলছে। অনেক নারীরাই এই মরণ বাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে। তোর ক্যান্সার এক ধরনের টিউমার। বেস্ট ক্যান্সার এমন এক ধরনের অসুখ যা প্রতিরোধের কোন নির্দিষ্ট পদ্ধতি নেই।
চলুন জেনে নেই যেগুলো ত্যাগ করলে কিছুটা বেস্ট ক্যান্সার কমে যায়।

  1. নিয়মিত শরীরচর্চা করলে স্তন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।
  2. যে সমস্ত মহিলারা শিশুদের স্তন পান করান তাদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়।
  3. বর্তমান মেয়েরা এখন ধূমপান করে। এজন্য অনেক মেয়েদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি খুব বেশি থাকে। স্তন ক্যান্সার ছাড়াও শরীরের বেশি অনেক ক্ষতি করে।
  4. সপ্তাহে ৮০ থেকে ১৪০ মিনিট দ্রুত বেগে হাঁটলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়।
  5. যারা অস্বাস্থ্যকর ডায়েট করে তাদের জন্য স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে যারা স্তন ক্যান্সারের শিকার না হতে চান তাহলে তাদের স্বাস্থ্যকর মেনে চলতে হবে ডাঃ এর তালিকায় সবসময় টাটকা ফল ও সবজি রাখতে হবে।
  6. বর্তমান সময়ে অনেক মেয়েরাই মদ্যপান করে থাকে। মধ্যপান করলে মেয়েদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় এজন্য যারা ক্যান্সার থেকে মুক্তি পেতে চান তাহলে মধ্যপান বাদ দিন।
  7. নিয়মিত ফল ও শাকসবজি খেলে বেস্ট ক্যান্সার থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
  8. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখলে অনেকটাই বেস্ট ক্যান্সার থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করার উপায়

ক্যান্সার প্রতিরোধ করার উপায়? ক্যান্সার হল মরণবাদী রোগ এ রোগ থেকে বাঁচার উপায় নেই। বর্তমান বিশ্বে ১২ ভাগ মৃত্যুর কারণ হয় ক্যান্সার। ক্যান্সার হলে শরীরের কোষগুলো অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে এ যায়। এবং চারপাশের টিস্যু গুলো অঙ্গে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এই দৃশ্যগুলো ছড়িয়ে পড়ার কারণে এক পর্যায়ে মৃত্যুবরণ হয়। এই চিকিৎসা নেওয়ার পরেও অনেক মানুষ মারা যায়। আমরা যদি জীবন যাপনের কিছু নিয়ম পরিবর্তন করি তাহলে ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব।
স্বাস্থ্যকর ডায়েট করতে হবে: যাদের ওজন অনেক বেশি থাকে তারা আমরা ডায়েট করি। ডায়েট করতে গেলে আমরা যেগুলো পুষ্টিকর খাবার সেগুলো খাবার আমরা বাদ দিয়ে ফেলি যা আমাদের শরীরের পক্ষে অনেক ক্ষতি কর। আমাদের উচিত ফাস্টফুড চর্বিযুক্ত খাবার সেগুলো থেকে এড়িয়ে চলতে হবে।
নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে: নিয়মিত ব্যায়াম করলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়। প্রতিদিন কমপক্ষে তিরিশ মিনিট ব্যায়াম করলে যার শরীরের পক্ষে খুব উপকার। প্রতিদিন একসময় ব্যায়াম করলে অনেক ভালো এজন্য একই সময় ব্যায়াম করার অভ্যাস করুন। দুপুরে খাবারের সময় জিমে যাওয়ার চেষ্টা করবেন এবং রাতে খাবারের পরে একটু হাঁটাহাঁটি করুন।
ধুমপান বা মদপান থেকে বিরত থাকুন: মানব দেহে অনেক ক্যান্সার হতে পারে যা আমাদের ৩০ শতাংশ ধূমপান ও তামাকের সরাসরি ভূমিকা রাখে। এজন্য ক্যান্সার প্রতিরোধের জন্য ধূমপান ও মদপান করা থেকে বিরত থাকুন। ধুমপান ফুসফুস ও ক্যান্সারের জন্য অন্যতম কারণ। খাদ্যনালী ,গলা, কিডনি ,পাকস্থলী, জরায়ুর ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে: আপনার ওজন যদি বেশি হয় তাহলে ওজন না বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দেন। বেশি ওজন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এইজন্য স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে কিছু নিয়ম মেনে চলুন। ফল শাকসবজি গোটা শস্য দানা সমৃদ্ধ খাবার খান। ছোট অংশগুলো খাবার ধীরে ধীরে খান। কম্পিউটার ও টেলিভিশন ব্যবহারে সময় সীমিত রাখুন।
সূর্যের তাপে নিজেকে রক্ষা করুন: অত্যাধিক সূর্যের তাপ ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। ত্বকের ক্ষতি আমাদের শৈশব থেকে শুরু হয়। শিশুদের রক্ষা করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য সকাল থেকে সূর্য ডোবা পর্যন্ত সূর্যের আলো থেকে বিরত থাকুন। কারণ এই সময়ে সূর্যের তাপ খুব ক্ষতিকর। এ জন্য বাহিরে বের হলে স্থান ব্যবহার করন।
ক্যান্সার প্রতিরোধক ভ্যাকসিন: ক্যান্সার প্রতিরোধের জন্য ভ্যাকসিন নিতে পারেন। ভাইরাস ইনফেকশনের কারণে ও ক্যান্সার হতে পারে যেমন জরায়ু ক্যান্সার লিভার ক্যান্সার এই জন্য ভ্যাকসিন নেওয়া জরুরী এছাড়াও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ভ্যাকসিন নিতে হবে।

জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধে করনীয়

ক্যান্সার প্রতিরোধ করার উপায়? মহিলাদের জরায়ুতে যে ক্যান্সার হয় তাকে জরায়ু ক্যান্সার বলে।জরায়ু ক্যান্সার সাধারণত ৩০ থেকে ৫৫ বছর বয়সে মহিলাদের বেশি হয়ে থাকে। অল্প বয়সে যৌন সম্পর্ক, একাধিক যৌনসঙ্গে, একাধিক গর্ভধারণ ধূমপান ইত্যাদি। এসব কারণে জরায়ু ক্যান্সার হতে পারে।

  • জরায়ু ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।
  • ক্যান্সারের কোন লক্ষণ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
  • টিকা প্রদান করা ও অবিবাহিত মহিলাদের জরায়ু ক্যান্সার থেকে নিরাপদে রাখা।
  • ১৮ থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত নারীদের বছরে একবার পরীক্ষা করা উচিত। এবং ঝুঁকিপূর্ণ নারীরা পর পর পরীক্ষা করবেন।

জরায়ু ক্যান্সারের লক্ষণ

  • অতিরিক্ত সাদা স্রাব, অতিরিক্ত রক্তস্রাব, সহবাসের পর রক্তাক্ত, মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরেও রক্তপাত, কোমর, তলপেট ইত্যাদি হলে জরায়ুর ক্যান্সারের লক্ষণ হয়।
  • জরায়ু ক্যান্সার হওয়ার কারণ হলো সন্তান প্রসব করা বাল্য বাল্যকালে বিয়ে হওয়ার নারীরা এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
  • জরায়ু ক্যান্সার একদিনে বা এক মাসে হয় না। স্বাভাবিক কোষ থেকে এ ক্যান্সার হতে ১০ থেকে ১৫ বছর লাগে।
  • রোগের শুরুতেই চিকিৎসা নিতে হবে। প্রাথমিক অবস্থায় যদি ধরা পড়ে তাহলে ১০০% রোগী ভালো হয়ে যেতে পারে।
  • রোগ মুক্ত থাকতে হলে বছরের বেশি হলে তিন বছর পর পর চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে জরায়ু পরীক্ষা করতে হবে। পরীক্ষা করলে যদি এই রোগের সমস্যা দেখা দেয় তাহলে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা খুব প্রয়োজন।

স্কিন ক্যান্সার প্রতিরোধের উপায়

সূর্যের আলোতে থাকে ক্ষতিকর রশ্নি যা আমাদের ত্বকের সমস্যা করে এবং ক্ষতিকর বেগুনি রশ্মি ত্বকে প্রবেশ করে। বর্তমান পৃথিবীতে স্কিন ক্যান্সার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ত্বকের ক্যান্সার গুলো শরীরের বিভিন্ন অংশে দেখা দেয় যা সূর্যের আলো আসে। উচ্চমাত্রায় ইউভি বিকিরণের জন্য এই ক্যান্সার হয়। কিছু কিছু অসতর্কতার কারণেই ত্বকের ক্যান্সার দেখা দেয় সর্তকতা অবলম্বন করলে এই ক্যান্সার থেকে সহজে মুক্তি পাওয়া যায়।
চলুন জেনে নেয়া যাক স্কিন ক্যান্সারের প্রতিরোধের উপায় সমূহ-
  1. দীর্ঘ সময় ধরে সূর্যের তাপে ঘোরাঘুরি করা থেকে বিরত থাকুন।
  2. তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি হলে সতর্ক হবেন রোদে বের হওয়ার সময় সান ক্রিম ব্যবহার করতে হবে।
  3. অতিরিক্ত সূর্যমুখে পড়লে চামড়া পুড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ক্যান্সার ও ডেকে আনে।
  4. মেকআপ করা যাবে না সবসময় মেকআপ করে থাকলে স্কিন ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। এজন্য সব সময় মেকআপ করে থাকা যাবে না।

কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধের উপায়

ক্যান্সার প্রতিরোধ করার উপায়? ক্যান্সারের কথা শুনলে মানুষ আতঙ্কে ওঠে। এই ক্যান্সার গুলো মানুষের জীবন ধ্বংস এবং বিপর্যয় ডেকে নিয়ে আসে। এই ক্যান্সারের জন্য অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে। নারী পুরুষ দুইজনেই এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারে। ক্যান্সারের এখনো পর্যন্ত কোন ঔষুধ আবিষ্কার হয় নাই। বর্তমানে সময় মানুষ ক্যান্সার, ফুসফুস, ব্লাড ক্যান্সার, ব্রেন ক্যান্সার আক্রন্ত হচ্ছে। কিছু খাদ্য ও জীবনযাপন অভ্যাস পরিবর্তন করলেই বা এই ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়া থেকে বাঁচতে পারে।

সবুজ শাকসবজি: শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট,ভিটামিন খনিজ আয়রন রয়েছে। শাক-সবজি খেলে কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
কলা: কলাতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে যা শরীরের শক্তি বাড়ায়। কলা পাকস্থলীর আলছার ও কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে।
মাছ: মাছে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন ই ও শক্তিশালী পুষ্টি উপাদান রয়েছে। কলা ওজন কমায় ও মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ওমেগা ৩ফ্যাটি এসিড যা স্তন ও কোলন ক্যান্সার জনক কোষ সৃষ্টি প্রতিরোধ করে।
দই: নিয়মিত দই খেলে অনেক উপকার পাবেন। দই অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া জীবাণুর সংখ্যা বাড়ায়। যা কোলনের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য জরুরী। ভালো থাকে যখন কোলন তখর কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।
চিনাবাদাম: বাদাম চিনাবাদাম খেলে কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ হয়। বাদামে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড ও ম্যাগনেসিয়াম উপাদান। এই দুইটা উপাদান ক্যান্সার প্রতিরোধ করেন এবং কোলন ক্যান্সার ও প্রতিরোধ করে।
পেয়ারা: পেয়ারা তে রয়েছে ভিটামিন সি যা প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। ভিটামিন সি কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
জিরা: জিরাতে রয়েছে নানা ধরনের ঔষুধি গুণ। জিরাতে রয়েছে কামিনএলডি-হাইড উপাদান যা অন্ত্রের ভিতরে ক্যান্সার ও কোষের বৃদ্ধি প্রতিরোধ করেন যার ফলে কোলন ক্যান্সার হয় না।
ধূমপান করবেন না: ধূমপান হৃদরোগ, স্ট্রোক ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি কোলন ক্যান্সার সহ বিভিন্ন ক্যান্সারের প্রধান কারণ হলো ধূমপান। এর জন্য ধূমপান করবেন না।
অ্যালকোহল খাওয়ার অভ্যাস থেকে বিরত থাকবেন: নিয়মিত অ্যালকোহল খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িতে পারে এজন্য অ্যালকোহল সেবন থেকে বিরত থাকবেন।
পুষ্টিকর খাবার খাবেন: আপনাদের খাদ্য তালিকায় ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার কার্বোহাইড্রেট ও শাকসবজি রাখুন। এবং মাংস খাওয়া কম করন অতিরিক্ত তেল জাতীয় খাবার থেকে বিরত থাকুন।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করে যেসব ফল

ক্যান্সার হলো একটি মরণবাদি রোগ। প্রতিকারের কোন উপকার নাই । জেনে নেই যেসব ফল খেলে ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব। ক্যান্সার প্রতিরোধ করার উপায় সমূহ জেনে নিন-
আপেল: আপেল ফলটি আমরা বারোমাসি পেয়ে থাকে। নিয়মিত আপেল খেলে ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
কমলা লেবু: কমলালেবু সব সময় পাওয়া যায়। নিয়মিত কমলা লেবু খেলে ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা পালন করে।
বেদেনা বা ডালিম: বেদানা বা ডালিম সারা বছর পাওয়া যায় বেদনা ডালিম খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধেও ভূমিকা পালন করে।
স্ট্রবেরি: আমাদের দেশে স্ট্রবেরি চাষ হয় স্ট্রবেরিতে নানা রকম ভিটামিন রয়েছে যা আমাদের ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
আঙ্গুর: আঙ্গুরে ভিটামিন ও পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে যা আমাদের শরীরকে সুস্থ ও ভালো রাখে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা পালন করে।
কাফির: কাফির লেবুতে আন্টি ব্যাকটেরিয়া উপাদান রয়েছে যা হজম শক্তি বাড়াতে লিভারের ময়লা পরিষ্কার এর সাহায্য করে এবং প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে যে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
বিট: বিটে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে বিটা সায়ানিন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
টমেটো: টমেটোতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।

লেখকের মন্তব্য

প্রিয় পাঠক আমি আমার এই আর্টিকেলে ক্যান্সার প্রতিরোধ করার উপায় বেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধের উপায়, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে যেসব ফল, স্কিন ক্যান্সার প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি এবং আপনাদের সুস্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। আশা করছি আমার এই আর্টিকেল পড়ে উপকৃত হয়েছেন।

আমার এই আর্টিকেল পড়ে যদি আপনারা অজানা তথ্য জানতে পারেন তাহলে আপনার পরিচিত বন্ধুবান্ধব সকলের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আশা অনলাইন শপ নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url