শিশুর স্বাস্থ্য বৃদ্ধির উপায় সম্পর্কে জেনে নিন
শিশুর স্বাস্থ্য বৃদ্ধির উপায় শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের তালিকা শিশুর পুষ্টিহীনতা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন এবং এর সমাধান খুঁজছেন। আজকে আমার এই আর্টিকেলে শিশুর পুষ্টিহীনতা দূর করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব।
এছাড়াও শিশুর মুখে রুচির আনার উপায় শিশুর বিভিন্ন টিপস নিয়ে আলোচনা করব আমার এই আর্টিকেলে এই টিপস গুলো জানতে হলে আমার এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে।
শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের তালিকা
শিশুদের জন্মের পর মায়ের দুধের বিকল্প নেই মায়ের দুধ উত্তম খাদ্য। বাচ্চাদের ক্ষুধা লাগলে মা বুঝতে পেরে বুকের দুধ খাওয়ায়। শিশুরা যখন বড় হতে থাকে তখনমায়ের দুধের পাশাপাশি খাবারের প্রয়োজন হয়। শিশুদের বয়স যখন ছয় মাস পূর্ণ হবে তখন তাদের পরিপূর্ণ খাবার দেওয়া উচিত।
আরো পড়ুন: রাতে ডিম খাওয়ার উপকারিতা
শিশুদের সবসময় তাজা ফল দিতে হবে। ফলে ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে যা দেহের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে সাহায্য করে। শিশুদের তরমুজ, আম, লিচু, কমলা, আপেল, ড্রাগন ইত্যাদি ফল শিশুদের জন্য খুব উপকারী তবে শিশুদের ফল খালি পেটে খাওয়ানো যাবে না।
শিশুদের খাদ্য তালিকা
শিশুর স্বাস্থ্য বৃদ্ধির উপায়? শিশুদের প্রতিদিন কমপক্ষে চার ধরনের খাবার খাওয়ানো প্রয়োজন। যেমন ভাত, শাকসবজি মাছ ,মাংস ডিম ডিম, ডাল ইত্যাদি। এছাড়াও শিশুকে বিভিন্ন ধরনের সবজি দিয়ে খিচুড়ি খাওয়ানো খুব প্রয়োজন।
খিচুড়িতে যেসব ব্যবহার করবেন তা হল-
মিষ্টি
কুমড়া,
গাজর,
পেপে,
আলু, বিভিন্ন ধরনের ডাল ইত্যাদি।
এবং শিশুদের মুরগির কলিজা গরুর কলিজা ইত্যাদি খাওয়াতে পারেন তাহলে শিশুদের পুষ্টিগুণ পূরণ হতে সাহায্য করবে।
৬-১২ মাস বয়সের শিশুদের খাবার
শিশুর স্বাস্থ্য বৃদ্ধির উপায়? শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বুদ্ধি বিকাশের জন্য বয়স ভেদে শিশুদের ভিন্ন ভিন্ন খাবার দিতে হবে। সঠিক খাবার না দিলে শিশুদের মানসিক বিকাশের ব্যাঘাত ঘটতে পারে। শিশুদের বয়স ৬ মাস হওয়ার পাশাপাশি মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি অন্যান্য খাবার খাওয়ানো শুরু করতে হবে। শিশুদের বেশি বেশি খাবার খাওয়ালে শিশুর বৃদ্ধি ও বিকাশ দ্রুত হবে কিন্তু নিয়ম মেনে খাবার না খাওয়ালে উপকারের চেয়ে অপকারিতায় বেশি হবে।
- সবজির জুস হিসেবে পালং শাক শসা গাজরের রস মেঘ করে জুস হিসেবে দিতে পারেন এই জুসগুলো শিশুদের পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
- ৬ থেকে ১২ মাস বয়সী শিশুদের প্রধান খাবার হল মায়ের বুকের দুধ। মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি তিন বেলা অল্প পরিমাণে অন্যান্য খাবার খাওয়ানো প্রয়োজন।
- শিশুদের নরম করে ও সবজি ডাল দিয়ে খিচুড়ি খাওয়ানো।
- শিশুদের ফল খাওয়ানোর পাশাপাশি ফলের জুস তৈরি করে খাওয়ানো।
- সুজি তৈরি করে শিশুকে খাওয়ানো।
- ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ানো উচিত।
- প্রতিদিন এক খাবার দিলে শিশুদের খেতে মন চায় না এজন্য শিশুদের খাদ্য তালিকা পরিবর্তন করে খাওয়ানো উচিত।
- শিশুকে জোরপূর্বক খাবার খাওয়াবেন না। এতে শিশুদের দৈনিক বিকাশের ব্যাঘাত ঘটবে। এবং পাকস্থলীতে হজম শক্তি ব্যাঘাত ঘটবে এই জন্য শিশুকে খাওয়ানোর সময় সজাগ থেকে খাওয়ানো উচিত।
- শিশুদের মুরগির ডিম নরম করে সিদ্ধ করে খাওয়ানো যেতে পারে।
- চিড়া মুড়ি দুধ দিয়ে নরম করে খাওয়ানো যেতে পারে।
- শিশুদের খাবার অবশ্যই কেমিক্যাল মুক্ত ও নিরাপদ হতে হবে।
শিশুদের অপুষ্টি জনিত রোগের নাম
শিশুদের অপুষ্টি জনিত রোগগুলো হলো-
রক্তস্বল্পতা
স্কার্ভি
রাতকানা
মুখের কোনায় ঘা
রিকেটস
চলুন জেনে নেই অপুষ্টিজনিত রোগের বিবরন-
রাতকানা: শিশুরা বর্তমান রাতকানা রোগে বেশি ভুগতেছে। এই লক্ষণ গুলো দেখা যাচ্ছে ৬ মাস থেকে ৬ বছর শিশুদের মধ্য। ভিটামিন এ এর অভাবে এই রাতকানা রোগটি হয়ে থাকে এজন্য শিশুদের উচিত ভিটামিন এ জনিত খাবার খাওয়ানো।
রিকেটস: এই রিকেটস রোগটি ঘনবস্তি এলাকায় বেশি দেখা দেয়। ভিটামিন ডি এর অভাবে এই রিকেডস রোগটি হয়। রিকেটস রোগটি শিশুদের বেশি দেখা দেয়। যে শাকসবজি বা ফলে ভিটামিন ডি এর উপাদান রয়েছে সেগুলো সবজি খাওয়ালে এ রিকেটস রোগ থেকে শিশুরা মুক্তি পাবে।
রক্তস্বল্পতা: শিশুদের দেহে যখন হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যায় তখন রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। বর্তমান সময়ে প্রায় ৭০ ভাগ লোকেরাই এই রক্তস্বল্পতা রোগে আক্রান্ত। এই দুর্বলতার কারণে শরীর নিস্তেজ হয়ে পড়ে। শিশুরা আয়রন জাতীয় খাবার না খাওয়ার কারণে তাদের এ রক্তস্বল্পতা দেখা দেয় এজন্য আমাদের উচিত শিশুদের আয়রন জাতীয় খাবার খাওয়ানো উচিত।
মুখের কোনায় ঘা: শিশুদের এই মুখের কোন ঘা দেখা দেয়। ভিটামিন বি এর অভাবে মুখের কোনায় ঘা হয়ে থাকে। ছয় বছরের শিশুদের এই মুখের ঘা বেশি দেখা দেয়।
শিশুর স্বাস্থ্য বৃদ্ধির উপায়
বর্তমান শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে মায়েদের কোন চিন্তা শেষ নেই। শিশুদের স্বাস্থ্য কখনো বৃদ্ধি পায় আবার কখনো শিশুর স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বাধা হয়। শিশুদের ওজন কম থাকলে শিশুর বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য বিকাশে বাধা প্রাপ্ত হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। যার ফলে নানা ধরনের শরীরে বাসা বাঁধে। শিশুরা সাধারণত না হলে খাবার খেতে চায় না। শিশুরা বাহিরে খাবার বেশি পছন্দ করে এগুলোতে কোন প্রকারের ক্যালোরি ও পস্টিগুণ থাকে না। চলুন জেনে নেই শিশুর স্বাস্থ্য বৃদ্ধির উপায়-
দুধ: শিশুদের ওজন বৃদ্ধিতে গরুর দুধ খুব গুরুত্বপূর্ণ খাবার। গরুর দুধে প্রাকৃতিক প্রোটিন কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়। বর্তমান শিশুরা দুধ খেতে চায় না দুধের তৈরি বিভিন্ন খাবার তৈরি করে শিশুদের খাওয়াতে পারেন। শিশুদের প্রতিদিন খাবার তালিকায় অবশ্যই রাখতে হবে।
ডিম: ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। শিশুর ওজন বৃদ্ধিতে প্রোটিন ভিটামিন মিনারেল সবকিছুর চাহিদা পূরণ করে থাকে যার শিশুর ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ডিমে কার্বোহাইড্রেট রয়েছে।শিশুদের ডিমের পোচ অমলেট করে খাওয়াতে পারেন। এইজন্য শিশুদের খাবারের তালিকায় ডিম রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
কলা: কলাতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, পটাশিয়াম, ভিটামিন সি ভিটামিন বের হয়েছে যা শিশুর শরীরের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে এবং ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
মুরগির মাংস: মুরগির মাংস ও কলিজায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে যা পেশি মজবুত করে। শিশুদের মুরগির মাংসের পাশাপাশি মাছ রাখাও প্রয়োজন।
বিভিন্ন রকম সবজি: ছয় মাস বয়সের পরে শিশুদের বিভিন্ন রকমের সবজি দিয়ে খিচুড়ি তৈরি করে খাওয়াতে পারেন। সবজিতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম ভিটামিন পটাশিয়াম আয়রন ক্যালসিয়াম রয়েছে যা শিশুর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
আলু: স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য খাদ্য তালিকায় প্রতিদিন আলু রাখেন। আলুতে কার্বোহাইড্রেটের ভালো উৎস রয়েছে। আলুতে থাকা এমাইনো এসিড শিশুর ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
শিশু স্বাস্থ্য ও পুষ্টি
শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য প্রত্যক মা হতাশায় ভোগেন। শিশুরা খায় না এইজন্য। শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির প্রক্রিয়া শুরু হয় শিশুদের মাতৃগর্ভ থেকেই। গর্ভকালীন সময়ে গর্ভবতী মহিলাদের সব সময় পুষ্টিকর খাবার খাওয়া খুব জরুরী। গর্ভবস্থায় যদি মা ভালোভাবে পুষ্টিকর খাবার না খায় তাহলে সন্তানেরও পুষ্টিহীনতার সমস্যা দেখা দেয়।
আরো পড়ুন: প্রতিদিন পেয়ারা খাওয়ার উপকারিতা ১০টি
শিশু জন্মের যখন ছয় মাস পূর্ণ হবে মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি শিশুর বাড়তি খাবার দিতে হবে। এই সময় শিশুর পুষ্টির চাহিদা পূরণের জন্য মায়ের দুধের পাশাপাশি বাড়তি খাবার খুব প্রয়োজন।
শিশুকে যখন প্রথম খাবার দিবেন তখন ডিমের কুসুম, কলা, মিষ্টি আলু, দিয়ে সুজি করে দিতে পারেন। প্রথম প্রথম শিশুকে অল্প পরিমাণে চামচ দিয়ে খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন। প্রথমদিকে শিশুর খাবারের লবণ ও চিনি দেওয়া যাবে না।
আস্তে আস্তে শিশুর খাবার বাড়িয়ে দিতে হবে। শিশুকে প্রতিদিন নতুন নতুন খাবার দেবেন। কিন্তু লক্ষ্য রাখতে হবে যে যে খাবার দিচ্ছেন খাওয়ার পর শিশুর অ্যালার্জি হচ্ছে কিনা। শিশুদের পেটে প্রচুর পরিমাণে গ্যাস থাকে এজন্য শিশুকে অনেক কিছু মিক্স করে খাবার খাওয়াবেন না।
শিশু ঠিকমতো বেড়ে উঠছে কিনা এদিকে নজর রাখতে হবে। এবং ওজন স্বাভাবিক আছে কিনা। ঠিকমত যদি বেড়ে ওঠে এবং বেড়ে ওঠে তাহলে বুঝতে হবে যে পুষ্টির কোনটি নেই। সঠিক মত খাবার না খেলে শিশুর ওজন বেশি হত না। কিন্তু খেয়াল রাখবেন শিশুকে কখনো জোর করে খাবার খাওয়াবেন না এতে শিশুর ক্ষতি হতে পারে। এজন্য শিশুকে
শিশুর মুখে রুচি আনার উপায়
শিশুর স্বাস্থ্য বৃদ্ধির উপায়? শিশুরা অনেক সময় খেতে চায় না এবং তাদের মুখে অরুচি দেখা দেয়। বড় মানুষেরও যেমন জ্বর সর্দি হলে মুখের রুচি থাকে না তেমনি ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রেও। ছোট বাচ্চাদের জ্বর ঠান্ডা লেগেই থাকে এ অসুস্থতার কারণে খাবারের অরুচি জন্মায়। পুষ্টিহীন শরীরের সাথে রোগের লড়াই করার শক্তি থাকে না এজন্য শরীরে আরো রোগ বাসা বাঁধে। এজন্য রুচি ফিরিয়ে আনার জন্য খাবার তালিকা পরিবর্তন করা উচিত।
চলুন জেনে নেই শিশুর মুখে রুচি আনার উপায়-
- ভাত রুটি খেতে না চাইলে শিশুদের বিভিন্ন ধরনের সবজি ও মসুরের ডাল দিয়ে খিচুড়ি রান্না করে দিতে পারেন এতে শিশুর মুখের রুচি বাড়বে।
- শিশুকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে হবে এবং হাসিখুশি রাখার চেষ্টা করবেন শিশুরা যখন খেলাধুলা করবে তখন ক্ষুধা তৈরি হবে।
- শিশুদের প্রিয় খাবারগুলো তৈরি করে দেওয়া। এবং অসুস্থতা হলে বাচ্চাকে তরল খাবার খাওয়াতে হবে।
- প্রতিদিন শিশুকে খাওয়ানোর জন্য নতুন নতুন আইটেম তৈরি করতে হবে। শিশু যদি ডিম খেতে না চায় ডিমের পুডিং বা সব তৈরি করে দিতে পারেন শিশুর খাবারের সঙ্গে সবুজ শাকসবজি রাখা খুব জরুরী এতে শিশুর খাবারের প্রতি আকৃষ্ট হয়
- শিশুকে খাবার খাওয়ানোর আগে পানি খাওয়াবেন। শিশুকে সকালে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস তৈরি করবেন।
বাচ্চা খেতে না চাইলে করনীয় জেনে নিন
- শিশুদের পছন্দমত রান্না করুন। শিশুরা খাবারের যথাযথ স্বাদ অনুভব করতে পারে না এই জন্য শিশুরা যে খাবার খেতে পছন্দ করে সেসব খাবার রান্না করে শিশুদের সামনে নিয়ে যান শিশুরা যদি একটুও খায় তবুও অনেক পুষ্টি পাবে।
- শিশুদের চকলেট চিপস জুস ললিপপ এসব খাওয়া রুচি নষ্ট করে ফেললেন। ওদের এগুলো খাবারের অভ্যস্ত করে তুলবেন না। তাহলে খাবারের প্রতি অনীহা কাজ করবে।
- শিশুদের খাবারের পরিবর্তন করতে হবে মাঝে মাঝে কারণ প্রতিদিন এক খাবার শিশুরা খেতে চায় না। শিশুরা একেবারে দুর ডিম পছন্দ করে না সে ক্ষেত্রে তাদের দুধ দিয়ে পুডিং বানিয়ে তাদের সামনে নিয়ে যাবেন তাহলেই পছন্দ করবে।
- যেসব শিশুরা মাছ-মাংস খেতে চায় না। মাছ-মাংস ব্লেন্ড করে সুস্বাদু খাবার তৈরি করুন।
- শিশুদের ক্ষুধা লাগছে কিনা তা জিজ্ঞাসা করবেন এবং জিজ্ঞাসা করবেন তার কি খেতে ইচ্ছে করছে এতে তার খাবারের প্রতি আগ্রহ জন্ম নিতে পারে।
- শিশুরা খাবার খেতে না চাইলে জোর করে খাবার খাওয়াবেন না এতে শিশু আতঙ্কে পড়তে পারে। সে যদি খাবার কম খায় তাহলে অল্প অল্প করে বারবার খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন।
- শিশুকে যখন খাওয়াবেন তখন আপনিও খাবার খান, না হলে অন্য কাউকে সঙ্গে নিয়ে তাকেও খাবার খাওয়ান দেখবেন শিশুটা খাওয়ার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।
- মাঝে মাঝে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া জন্য শিশুকে উপহার দিন। হতে পারে সেটা চকলেট বা পছন্দের কোনো খেলনা উপহার পেলে শিশুরা লোভে পড়ে খাবার খাবে।
লেখকের মন্তব্য
প্রিয় পাঠক শিশুর স্বাস্থ্য বৃদ্ধির উপায় বাচ্চা খেতে না চাইলে করণীয় শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের তালিকা শিশুর মুখের রুচির আনার উপায় শিশুদের অপুষ্টিজনিত রোগের নাম এগুলো সম্পর্কে আলোচনা করলাম আমার এই আর্টিকেলে। আশা করছি আমার এই আর্টিকেল পড়ে শিশুদের কিভাবে স্বাস্থ্য ভালো হবে এবং শিশুদের কি খাওয়াবেন এসব সম্পর্কে সঠিক ধারণা পেয়েছেন এবং উপকৃত হয়েছেন। ( ধন্যবাদ)
আশা অনলাইন শপ নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url