প্রতিদিন মাছ খেলে কি হয় ১০টি উপকারিতা জেনে নিন
প্রতিদিন মাছ খেলে কি হয় মাছ খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন না পাঙ্গাস মাছ খাওয়ার উপকারিতা অপকারিতা সম্পর্কে আজকে আমারে আর্টিকেলটি।
আমার এই আর্টিকেলে মাছের বিভিন্ন উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করব এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস নিয়ে আমার এই আর্টিকেল। মাছের বিভিন্ন ধরনের উপকারিতা সম্পর্কে জানতে হলে আমার এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে।
ভূমিকা
মাছের বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান রয়েছে মাছ একটি পুষ্টিকর খাবার মাসে অনেক ক্যালসিয়াম রয়েছে যা আমাদের শরীরের ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে। মাছ খেলে আমাদের বেশি মজবুত উপহার মজবুত করতে অনেক বেশি সাহায্য করে। বিভিন্ন ধরনের মা সম্পর্কে জানতে হলে আমার এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধৈর্য সহকারে পড়বেন।
আরো পড়ুন: রাতে ডিম খাওয়ার উপকারিতা
পাঙ্গাস মাছ খাওয়ার উপকারিতা
প্রতিদিন মাছ খেলে কি হয়? আমাদের দেশের প্রায় বেশিরভাগ মানুষই পাঙ্গাস মাছ পছন্দ করে। পাঙ্গাস মাছ অন্যান্য মাছের তুলনায় অনেক সুস্বাদু। পাঙ্গাস মাছ আমাদের শরীরের কোলেস্টেরলের ঘাটতি কমায়। যাদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম তাদের পাঙ্গাস মাছ খাওয়া খুব প্রয়োজন। পাঙ্গাস মাছে রয়েছে অ্যামিনো এসিড রয়েছে যার ফলে শরীরে মজবুত রাখতে সাহায্য করে।
চলুন জেনে নেই পাঙ্গাস মাছ খাওয়ার উপকারিতা-
পাঙ্গাস মাছ বেশি গঠনে সাহায্য করে: যারা প্রতিদিন ব্যায়াম করে তাদের মাংসপেশি শক্তিশালী করতে চান তাদের পাঙ্গাস মাছ খেতে হবে পাঙ্গাস মাছের রয়েছে প্রোটিন পাঙ্গাস মাছ খেলে আপনার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখে।
উচ্চপুষ্টি উপাদান: আমাদের পাঙ্গাস মাছের রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিগুণ যার শরীরের ঘাটতি পূরণ করে। পাঙ্গাস মাছের অনেক পরিমাণে প্রোটিন ও চর্বি থাকার কারণে স্বাস্থ্যের জন্য খুব দরকারী হয়ে থাকে এই উপাদানগুলো।
কোলেস্টেরল কমায়: পাঙ্গাস মাছ কোলেস্টেরলের মাত্রা খুবই কম যাদের শরীরে কোলেস্টেরলের সাথে তারা পাঙ্গাস মাছ খেতে পারেন তাদের কোন সমস্যা নেই আমাদের শরীরে কোলেস্টেরল কমাতে পাঙ্গাস মাছ অনেক সাহায্য করে।
হার্টের রোগ প্রতিরোধ করে: পাঙ্গাস মাছের কিছু উপাদান রয়েছে যা রোগ প্রতিরোধ সাহায্য করতে পারে। পাঙ্গাস মাছ এ থাকা চর্বি এই রোগ প্রতিরোধে খুব কার্যকর ভূমিকা রাখে। পাঙ্গাস মাছের অসম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ এর মোট পুষ্টি মানের ৫০% পর্যন্ত আছে।
গর্ভে শিশুর বৃদ্ধিতে সাহায্য করে: গর্ভবতী মহিলাদের জন্য পাঙ্গাস মাছ খুব উপকারী গর্ভাবস্থায় ভ্রনের স্বাস্থ্য বৃদ্ধির জন্য পাঙ্গাস মাছ খুব উপকারী। পাঙ্গাস মাছের প্রচুর ওমেগা থাকার কারণে এটি গর্ভে থাকা ভ্রনের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে: পাঙ্গাস মাছ হাড়ে ও মেরুদন্ডে ফসফরাস এবং ক্যালসিয়াম রয়েছে। এই উচ্চ ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম উপাদান প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম মেটাতে সাহায্য করে। এছাড়া অস্বাস্থ্যকর হার ও দাঁত বজায় রাখতে সাহায্য করে।
ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখে: পাঙ্গাস মাছের উপস্থিতি ওমেগা ফাটি এসিড ও ভিটামিন ই রয়েছে যা ত্বকের কোষের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
খনিজ সরবরাহ করে: পাঙ্গাস মাসে জিঙ্ক ও পটাশিয়াম ও গণেশ পাওয়া যায় যা শারীরিক ক্রিয়া-কলাপের জন্য খুব দরকার। পটাশিয়াম শরীরের কোষে ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। জিঙ্ক শরীরের আহত টিস্যুতে ক্ষত নিরাময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
পাঙ্গাস মাছ খাওয়ার অপকারিতা
সব ধরনের মাছের মধ্য পাওয়া যায় কীটনাশক ও রাসায়নিকের মাত্রা অনেক বেশি থাকে এজন্য পাঙ্গাস মাছ বেশি খাওয়া থেকে পরিহার করতে হবে। মাছ তাজা রাখার জন্য মেডিসিন কীটনাশক ওর রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় যা মানব দেয়ার জন্য খুব ক্ষতিকর এই জন্য আমাদের উচিত তাজা বা জীবিত পাঙ্গাস মাছ কিনা।
- অতিরিক্ত পাঙ্গাস মাছ খাওয়ার ফলে স্বাস্থ্যর ঝুঁকির কারণ হতে পারে।
- পাঙ্গাস মাছের পারদ জমে যা প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের জন্য স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বয়ে আনতে পারে।
- অতিরিক্ত পাঙ্গাস মাছ খাওয়া উচিত নয়
- কিছু কিছু মাছের ব্যাকটেরিয়া রয়েছে মাছের ত্বকে ও ফুলকা গুলোতে এগুলো ভাত দিয়ে মাছ খাওয়া উচিত।
- পাঙ্গাস মাছ দ্রুত ওজন বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের খাবার খাওয়ানো হয় যা আমাদের শরীরের জন্য খুব ক্ষতিকর এবং মাছের পুষ্টিগুণ কমিয়ে ফেলে।
প্রতিদিন মাছ খেলে কি হয়
প্রতিদিন মাছ খেলে কি হয়? মাসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, চর্বি, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস যা আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারী। মাছে রয়েছে ওমেগা ফ্যাটি এসিড যা আমাদের শরীরের খুব উপকারী।
চলুন জেনে নেই প্রতিদিন মাছ খেলে আমাদের শরীরে কি কি উপকার হয়ে থাকে-
- প্রতিদিন মাছ খেলে শরীরে কোলাজেন বৃদ্ধি পায়।
- কোলাজেন ত্বক চুল দুটোই জন্য খুব ভালো।
- প্রতিদিন মাছ খেলে রক্তে চিনির মাত্রা বজায় রাখে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
- আত্মসত্তা অবস্থায় প্রতিদিন মাছ খেলে শিশুর প্রি-ম্যাচিউর সন্তান হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়।
- ছোট থেকে শিশুরা যদি মাছ খায় তাহলে শিশুর হাঁপানি হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়।
- প্রতিদিন মাছ খেলে চোখের রেটিনা সুস্থ থাকে এবং চোখের শুষ্কতা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
- প্রতিদিন মাছ খেলে মেটাবলিজম অনেক দ্রুত হয়। যার ফলে মোটা হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না।
- নিয়মিত মাছ খেলে হতাশা ও ডিপ্রেশন ছুঁতে পারে না।
- মাসে থাকা ও মেগা থ্রি ফাটিয়ে সিট শরীরে অতিরিক্ত চর্বি দূর করতে সাহায্য করে।
- প্রতিদিন মাছ খেলে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি কমায়।
- প্রতিদিন মাছ খেলে স্ট্রেস কমায়।
- নিয়মিত মাছ খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
মাছ খাওয়ার উপকারিতা
মাসে ভাতে বাঙালি এটা আমরা সবাই জানি আমাদের খাবারের মাছ না হলে চলেই না। আজ আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারী মাছ স্মৃতিশক্তি বাড়াতে মস্তিষ্কের পুষ্টি জোগাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। তৈলাক্ত মাছে থাকা ও মেগা ও ফাটি অ্যাসিড শরীরের জন্য খুব উপকারী। যারা সপ্তাহে তিন দিন বা বেশি মাঝখান তাঁর মস্তিষ্কের নিউরন কোষ অনেক বেশি গঠিত হয় বিশেষ করে তৈলাক্ত মাছ যেমন রুই কাতলা এগুলোতে প্রোটিন, আয়োডিন, ভিটামিন ডি, ফসফরাসহ নানা খনিজ উপাদান রয়েছে।
প্রতিদিন মাছ খেলে কি হয়? যা আমাদের মস্তিষ্ক সচলা রাখার পাশাপাশি সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। মস্তিষ্ক ছাড়াও হৃৎপিণ্ড সুস্থ ও রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে মাছ অত্যন্ত উপযোগী খাবার। হার্টের অসুখ ও মস্তিষ্ক রক্ত জমাট বাধা প্রতিরোধ করতে মাছে থাকা ওমেগা ফাটি এসিড খুব উপকারী। ছোট শিশুদের স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য ছয় মাস পর থেকে একটু করে মাছ খাওয়ানো খুব দরকার। নিয়মিত মাছ খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
আরো পড়ুন: প্রতিদিন আমলকি খেলে কি হয়
ইলিশ মাছ খাওয়ার উপকারিতা
ইলিশ মাছ বাঙ্গালীদের কাছে খুব জনপ্রিয় খাবার। ইলিশ মাছ প্রচুর পুষ্টিগুণে ভরপুর ও সুস্বাদু। ইলিশ মাছে প্রোটিন, আমাগো ফাটি এসিড, ভিটামিন বি ১২, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম সহ অনেক উপাদান রয়েছে। ইলিশ মাছ রান্না করার জন্য অনেক রেসিপি রয়েছে। সরষে ইলিশ, পাতুরি, ভাজা ইলিশ, ইত্যাদি ইলিশ দিয়ে রান্না করা বাঙালিদের শেষ নেই। চলুন জেনে নেই ইলিশ খাওয়ার উপকারিতা-
- ইলিশ মাছের খনিজ উপাদানে ভরপুর। ইলিশ মাছের রয়েছে পটাশিয়াম, জিংক, সেলেনিয়াম, আয়োডিন ইত্যাদি। ক্যান্সার মোকাবেলা করতে এসব উপাদান গুলো সাহায্য করে।
- ইলিশ মাছে খনিজ থাকায় ফসফরাস দাঁত ও ক্যালসিয়াম হাড়ের পুষ্টি জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
- ইলিশে থাকা সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম শরীরের বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশের জন্য খুব প্রয়োজনীয় উপাদান।
- ইলিশে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি, ও ই। ভিটামিন ডি কিন্তু খুব কম খাবারে পাওয়া যায়। ইলিশ মাছ খেলে রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে এবং শিশুদের রিকেটস রোগ থেকে রক্ষা করে।
- ইলিশ মাসে রয়েছে ভিটামিন এ ওমেগা থ্রি ফাটিয়ে সিট চোখে সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ইলিশ মাছ খেলে চোখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে চোখ উজ্জ্বল হয় বয়সকালে দৃষ্টিশক্তি ক্ষীন হয়ে আসার মোকাবেলা করতে পারে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড।
- ত্বক সৌন্দর্য ও ত্বকের ক্ষতি হওয়া প্রতিরোধে ইলিশ মাছের ওমেগা ফাটি এসিড সাহায্য করে। ইলিশ মাছের থাকা প্রোটিন ও কোলাজেন অন্যতম প্রধান এই উপাদান ত্বক টাইড করতে সাহায্য করে।
- ইলিশ মাছ আমাদের রক্তনালীর স্বাস্থ্যে রক্ষা করতে ভালো কাজ করে। ইলিশ মাছ খেলে রক্তের সঞ্চালন ভালো হয়। তার সাথে রক্তশূন্যতা হওয়ার ঝুঁকিতে কমায়।
- ইলিশ মাছে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফাটি অ্যাসিড থাকার কারণে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম থাকে। ইলিশ মাছ সামুদ্রিক হয় ইলিশে চর্বি খুব কম থাকে যার ফলে আমাদের আমাদের হার্ট ভালো সুস্থ থাকে।
- সামুদ্রিক মাছে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ ও উপকারী উপাদান। সামুদ্রিক মাছে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন, ভিটামিন ডি যা আমাদের শরীরের জটিল রোগ থেকে আমাদেরকে রক্ষা করে থাকে।
সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার উপকারিতা
প্রতিদিন মাছ খেলে কি হয়? সামুদ্রিক মাছ কম ক্যালরিযুক্ত খাবার। শ্বাযাত্রিক মাছে রয়েছে প্রচুর গুনাগুন। সামুদ্রিক মাছ যেমন- ইলিশ, কোরাল, রুপচাঁদা, চিংড়ি, লইটা এসব মাছে প্রচুর পরিমাণে মিনারেল ও ভিটামিন রয়েছে। সামুদ্রিক মাছ হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায় শিশু-কিশোরদের মানসিক শারীরিক গঠনে বেশ ভূমিকা পালন করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে: সামুদ্রিক মাছের আমাদের দেহের অনেক পুষ্টি উপাদান ও পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে। সামুদ্রিক মাছ আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
হজমে যোগ্য আমিষ: সামুদ্রিক মাছে আমিষ রয়েছে দেহের বৃদ্ধি ও ক্ষয় রোধে সাহায্য করে। ভিটামিন বি রয়েছে সামুদ্রিক মাছের আমিষ ও তেল দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ সাহায্য করে।
ডায়াবেটিস এর জন্য উপকারী: সামুদ্রিক মাছ খাদ্য তালিকায় রাখলে ডায়াবেটিস এর পাশাপাশি অনেক রোগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
ক্যান্সার থেকে বাঁচায়: সামুদ্রিক মাছে রয়েছে পটাশিয়াম, আয়োডিন, জিংক ও অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান রয়েছে। সেলেনিয়াম এক ধরনের হজম শক্তি তৈরি করে যা আমাদের ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করে। এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।
দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে: সামুদ্রিক মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে যা আমাদের চোখের রেটিনার কর্ম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং আমাদের দৃষ্টিশক্তি উন্নতিতে সাহায্য করে।
কোলেস্টরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে: সামুদ্রিক মাছে ভিটামিন এর এটি থাকে যা আমাদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং হৃদরোগ আক্রান্ত ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সামুদ্রিক মাছ খুব উপকারী।
জয়েন্টের ব্যাথা সারায়: সামুদ্রিক মাছে রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের জয়েন্ট গুলো বেদনা দায়ক ভাবে ভুলে যায় নিয়মিত সামুদ্রিক মাছ খেলে এসব লক্ষণ গুলো কমে যায়।
আরো পড়ুন: ৫টি কাঁচা গাজর খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন
লেখক এর মন্তব্য
প্রিয় পাঠক প্রতিদিন মাছ খেলে কি হয় পাঙ্গাস মাছ খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা ইলিশ মাছ খাওয়ার উপকারিতা সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে ধারণা দিতে পেরেছি আমার এই আর্টিকেল পড়ে যদি উপকৃত হয়ে থাকেন।
তাহলে আমার এই আর্টিকেলটি আপনার পরিচিত বন্ধুবান্ধবদের সাথে শেয়ার করবেন। তাহলে তারাও সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার উপাদান ও ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে জানতে পারবে।
আশা অনলাইন শপ নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url