মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার খাবার সম্পর্কে ১০টি উপায় জেনে নিন

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার খাবার টেনশন হলে কি কি সমস্যা হয় আমাদের অবশ্যই জানা দরকার।আপনারা বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট তে সঠিক তথ্য খুঁজে পাচ্ছেন না আজকে আমার আর্টিকেলে সঠিক তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করব।
আমি আমার এই আর্টিকেলে দুশ্চিন্তা দূর করার উপায় মাথা থেকে চিন্তা দূর করার উপায় সহ আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস আমি আর্টিকেলে আলোচনা করব। টিপসগুলো জানতে হলে আমার এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে।

ভূমিকা

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখা সকলেরই উচিত। আর্টিকেলে অতিরিক্ত চিন্তা থেকে মুক্তির উপায়, টেনশনের শারীরিক লক্ষণ, মানসিক স্ট্রেস কমানোর উপায়, মাথা থেকে চিন্তা দূর করার উপায়, মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার খাবার, সহ মানসিক স্বাস্থ্য কেমন করে ভালো রাখতে হবে বিস্তারিত ভাবে জানতে হলে আমারে আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ুন এবং সুস্বাস্থ্য জীবন গড়ুন।

মাথা থেকে চিন্তা দূর করার উপায়

আপনি যদি নিজেই আজেবাজে চিন্তা দূর করতে না চান তবে কেউ আপনাকে দুশ্চিন্তা দূর করতে পারবেনা আপনাকে নেতিবাচক চিন্তা থেকে বের হয়ে আসতে যা যা করতে হবে তা নিচে আলোচনা করা হলো-
আল্লাহর উপর ভরসা রাখা: দুশ্চিন্তা দূর করার অন্যতম উপায় হলো আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখা বা ভরসা করা আল্লাহর উপর ভরসা করলে জীবনে প্রশান্তি বৃদ্ধি পায় এবং হতাশা দূর হয়।
নিজেকে সুখী রাখা: অন্যের মতামত দেন নিজেকে কখনোই বিচার করবেন না নিজের কাজ নিয়ে নিজেকে সব সময় খুশি রাখার চেষ্টা করবেন।
আবেগ নিয়ন্ত্রণ করবেন: অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করলে মন বিষন্ন ও মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। ছোট ছোট ব্যাপারেও আমরা রেগে যাই সে ক্ষেত্রে আমরা আমাদের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এমন খিটখিটে থাকলে নিজের দুব্যহারের জন্য জন্য আরো মানসিক ভাবে বিষাদগ্রস্ত হয়ে পড়বেন।
সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবেন: কোন সমস্যায় পড়লেন তা সমাধানের চেষ্টা করবেন। সমস্যায় পড়ে থাকলে কোন দুশ্চিন্তা করবেন না। চিন্তা নিয়ে নিজের মনকে উদ্বিগ্ন করে রাখবেন না।
পজেটিভ চিন্তাভাবনা করবেন: যেকোনো সমস্যার মধ্যে পড়লে নেতিবাচক চিন্তা থেকে বেরিয়ে এসে ইতিবাচক দিক খুঁজে বের করুন। প্রতিটি জিনিসের ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় দিক থাকে ঝেড়ে ফেলে দিন।
কথা বলা: অতিরিক্ত আজেবাজে চিন্তা মাথা থেকে দূর করতে মনের সকল উদ্বিগ্ন মনের মানুষের সাথে শেয়ার করুন। এতে আপনার চিন্তা কিছুটা কমবে। কাছের মানুষের দেওয়া ভরসা আপনাকে উজ্জীবিত করে তুলবে।
ছোট ছোট স্মৃতি মনে রাখবেন: ছোট ছোট বিষয় আপনি ভুলে যাবেন না সেটিকে সুন্দর স্মৃতি হিসেবে মনে রাখবেন জীবনে যা পেয়েছেন তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করবেন।
কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখবেন: কাজে আপনি আগ্রহী সেসব কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখবেন নতুন কিছু কাজ শিখবেন। কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখলে এমন ভালো থাকে এবং দুশ্চিন্তা কমানো সম্ভব হয়।
কাজের চাপ নিবেন না: সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কোন প্রকার কাজের চাপ নিবেন না নিজের পরিবারের সাথে সময় দিবেন। বেশি কাজের চাপ মানসিক টেনশনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

দুশ্চিন্তা দূর করার উপায়

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করার ফলে মানসিক সমস্যায় পড়তে হয়। বেশি চিন্তা করার ফলে শরীরের মধ্যে তৈরি হয় ভারসাম্যহীনতা। দুশ্চিন্তা অনেকটা চক্রের মত যতদূর করতে চাইবেন তত আপনাকে চেপে ধরবে। বাংলায় প্রবাদ বাক্য রয়েছে যে অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। যত বসে থাকবেন মাথায় অহেতুক চিন্তা আসবে। চলুন জেনে নেই যে দুশ্চিন্তা দূর করার উপায়-

নিজে নিজেকে সময় দিন: চিন্তা নিজের স্বাভাবিক কাছ থেকেই দূরে সরিয়ে দেই এবং নিজের কাজে নিজেকে মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয় না। এসব কিছু বাদ দিয়ে নিজে নিজেকে সময় দিন ছবি আকন যেসব শখের কাজ সেগুলো করণ সেটিকে মনোযোগ দিয়ে এবং নতুন কিছু শুরু করেন নিজের কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন দেখবেন নিজের মধ্যেও হারানো আত্মবিশ্বাস আবার ফিরে আসবে।
বেশি বেশি কথা বলুন: মনের ভিতর কথা জমিয়ে রাখলেই দুশ্চিন্তার সৃষ্টি হয়।যখন মনে হবে মনের ভিতর দুশ্চিন্তা বাধা বাসা বাধছে তখন আপনার প্রিয় বন্ধু বা কাছের মানুষের সাথে কথাগুলো খুলে বলুন। নিজেকে অনেক ভারমুক্ত মনে হবে।
অতীতের চিন্তা বাদ দিন:যখন মনে হবে অহেতুক চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে তখন একটু দীর্ঘশ্বাস নিয়ে ভাববেন যে যা হয়েছে ভালোর জন্যই হয়েছে। অতীতকে চাইলেও পরিবর্তন করা সম্ভব নয় ফলে এসব ভেবে লাভ নেই। অতীতকে অতীতের জায়গায় রাখলে তা সকলের জন্যই ভালো নতুন করে কাজ শুরু করুন এবং এই দুষ্ট চক্র থেকে বের হয়ে আসেন।খেয়াল রাখবেন দুশ্চিন্তা যেন আপনি নিয়ন্ত্রণ করেন দুশ্চিন্তা যেন আপনাকে নিয়ন্ত্রণ না করতে পারে।
চকলেট খান: নিয়মিত চকলেট খেলে দুশ্চিন্তা দূর করা সম্ভব। সেরিটেনিন নামকহর মণটে মস্তিষ্কের উৎপাদন করার জন্য চকলেট খান। সেরিটেনিন মস্তিষ্ক ভালো লাগার অনুভূতির সৃষ্টি করে। মস্তিষ্ককে শিথিল রাখতে সাহায্য করে। দুশ্চিন্তা দূর করতে হলে চকলেট খান।

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার খাবার

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার খাবার? মানুষের স্বাস্থ্য আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শরীর সুস্থ রাখার পাশাপাশি আমাদের মানসিক সুস্থতা ও খুব প্রয়োজন। মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে আমাদের দৈনন্দিত জীবনের খাদ্য বড় ভূমিকা পালন করে। সঠিক খাবার গ্রহণ ও সঠিক নিয়ম মেনে চললে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখা সম্ভব।
ফলমূল খেতে হবে: ফলমূল রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন পনিজ আন্টি অক্সিডেন্ট যা আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। কমলা, মাল্টা, স্ট্রবেরি, বেদেনা। প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সাইডার পাওয়া যায় যা আমাদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
বাদাম: বাদামে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড রয়েছে যা মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য খুব জরুরী বাদাম মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। আপনাদের খাদ্য তালিকায় বাদামের পাশাপাশি চিয়া সিড আখরোট ইত্যাদি রাখতে পারেন।
সবুজ শাকসবজি: খাদ্য তালিকায় আপনারা শাকসবজি নিয়মিত রাখতে পারেন শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে যা আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং শাকসবজি মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ করে থাকে।
মসলা: কিছু কিছু মসলা রয়েছে যা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। যেমন হলুদ আদা দারুচিনি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
ভিটামিন ই জাতীয় খাবার: শাকসবজি ডিম লাল চাল থেকে ভিটামিন ই অনেক বেশি পাওয়া যায়। ভিটামিন ভিটামিন এ খাওয়ার ফলে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
ডিম: নিয়মিত ডিম খেলে তাদের স্মৃতিশক্তি কম অবক্ষয় ঘটে। ডিমের ভিটামিন বি৬ ভিটামিন বি ১২ ফলিড রয়েছে। ভিটামিন গুলো মস্তিষ্কের কার্যক্রম চালাতে সাহায্য করে। ভিটামিন বি মুরগির মাংস মাছ সবজি বাদাম ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ভালো উৎস পাওয়া যায়।
কফি: চা ও কফিতে রয়েছে ক্যাফেইন। ক্যাফেইন মানসিক ক্রিয়া-কলাপের ভালো কাজ করে ও স্মৃতিশক্তি শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ১০টি উপায়

ডিজিটাল ডিভাইস থেকে বিরত নিন: বর্তমান আধুনিক সময়।মোবাইল টেলিভিশন বা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা অনেক সংবাদ দেখার মাধ্যমে সময় নষ্ট হয় যার ফলে নিজের কাজের প্রতি মনোনিবেশ নষ্ট হয় এবং মানসিক চাপ বৃদ্ধি পায়।
প্রিয় মানুষের সাথে কথা বলুন: মানসিক চাপ বেশি হলে আপনার প্রিয় মানুষের সঙ্গে সময় কাটান কেননা বন্ধুত্ব পারিবারিক বন্ধন মানসিক চাপ কমায় প্রিয় মানুষের সঙ্গে মন খুলে কথা বললে ধীরে ধীরে মানসিক চাপ কমে আসে নিজেকে হালকা মনে হয় তাই আপনার প্রিয় মানুষের কাছে নিজের অবস্থান তুলে ধরুন।
ব্যায়াম করুন: শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য ব্যায়াম খুব উপকারী। কয়েক ধরনের যোগ ব্যায়াম রয়েছে যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করবে। শ্বাস-প্রশ্বাস ঠিক রাখতে দুশ্চিন্তা দূর করতে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে শরীর রক্ত চলাচলের স্বাভাবিক রাখতে পারে যোগ ব্যায়াম করতে হবে সূর্যাস্তের সময়ে এছাড়া বিকাল বা সন্ধ্যার সময় করতে পারেন।
চুইংগাম চিবানো: কাজের ভিতর যদি অন্যমনস্ক হয়ে যান বা মাথায় দুশ্চিন্তা ভর করে এই সমস্যায় চুইংগাম চিবালে এই সমস্যা এড়ানো সম্ভব। চুইংগাম চিবালে মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবর স্বাভাবিক থাকে যার ফলে কাজে মনোযোগ দেওয়া যায়।
আপনার পছন্দের কাজগুলো করুন: আমাদের ছোট বড় অনেক কাজই থাকে সেগুলো হল গান শোনা বই পড়া খেলাধুলা করা মুভি দেখা ঘুরতে যাওয়া যখন এই কাজগুলোর মাধ্যমে নিজেকে ব্যস্ত রাখবেন তখন স্বাভাবিকভাবেই একটা ভালো লাগা কাজ করবে মানসিক চাপ অনুভব করলেই ব্রেকনিন এবং পছন্দের কাজ শুরু করেন।
হাঁটতে বেরিয়ে পড়ুন: অতিরিক্ত কাজের চাপে মানসিক চাপ অনুভব করছেন তাহলে কিছু সময়ের জন্য ব্রেক নিয়েন এবং হাটাহাটি করুন।যদি খুব চাপ অনুভব করেন তাহলে প্রাকৃতির চলে যান এবং দ্রুত হাঁটা কিংবা অক্সিজেন গ্রহণ করার মাধ্যমে দ্রুত চাপ কমাতে সক্ষম হবেন।
ধর্মীয় কাজে করুন: সৃষ্টিকর্তা যাকে আমরা নির্দ্বিধায় নিজের সকল মনের কথা বলতে পারি ধর্মের প্রতি বিশ্বাস রেখে আমরা প্রার্থনার মাধ্যমে নিজের সমস্যার কথা সৃষ্টিকর্তাকে জানানোর মাধ্যমে নিজের ভিতর প্রশান্তি নিয়ে আসতে পারি যে কাজগুলোর মাধ্যমে মানসিক চাপানো হচ্ছে সেসব থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করতে পারি। নামাজ পড়া কোরআন তেলাওয়াত করা।

টেনশন হলে কি কি সমস্যা হয়

টেনশন হলে কি কি সমস্যা হয়? বেশি টেনশন করার ফলে আমাদের মানসিক সমস্যা ও শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। মানসিক সমস্যা হলে নিজের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলা এবং অতিরিক্ত টেনশন এর ফলে স্টক এর মত ভয়ানক সমস্যা মুখোমুখি হতে হয়। এই অতিরিক্ত টেনশনের কারণে মানুষ মৃত্যুবরণ করতে পারে।

  1. অতিরিক্ত টেনশনের ফলে হার্ট অ্যাটাক ও ব্রেন স্টোক হতে পারে।
  2. অতিরিক্ত টেনশন করার ফলে মস্তিষ্কের উপর চাপ বেড়ে যায়।
  3. হৃদরোগের সমস্যা অনেক বেশি হয়।
  4. অতিরিক্ত টেনশন করার ফলে দেহের স্বাভাবিক ওজন হ্রাস পায়।
  5. অতিরিক্ত টেনশন করার ফলে মাথা ব্যথা হয়।
  6. অতিরিক্ত টেনশনের ফলে চোখের চোখে ব্যথা ও চোখের দৃষ্টিশক্তির সমস্যা হয় এবং আস্তে আস্তে চোখের ক্ষতি হয়।

মানসিক স্ট্রেস কমানোর উপায়

মানসিক প্রেস বর্তমান অনেক বেশি বেড়ে গেছে এর পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করছে দৈনন্দিত জীবনের স্ট্রেস বেড়ে যাওয়ার জন্য হার্ট অ্যাটাক এর ঝুঁকিও বেড়ে যাচ্ছে। বর্তমান কাজের চাপ জীবন যাত্রার মান বৃদ্ধি ভালো থাকার আকাঙ্ক্ষা আইয়ের চেয়ে বেশি ভাই ইত্যাদির কারণে দিন দিন বেড়ে চলছে স্ট্রেস। চলুন জেনে নেই কিভাবে স্ট্রেস কমাবেন-

  • জোরে জোরে শ্বাস নেওয়ার ফলে আমাদের পেশিগুলো শীতল হয় এবং আমাদের মস্তিষ্ক ওর শরীর শান্ত হয় কয়েকবার জোরে জোরে শ্বাস টানার পাশাপাশি হালকা কুসুম গরম পানি গোসল ও ঘাড় মেসেজ করুন দেখবেন শরীরের অনেক স্ট্রেস দূর হবে।
  • প্রতিদিন মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার খাবারে শাক-সবজি জিনিস জাতীয় খাবার রাখুন এবং প্রোটিন ও আশঁ সমৃদ্ধ খাবার খেলে শরীর ও মন ফুরফুরে থাকবে। এজন্য বেশি বেশি শাকসবজি ফল ও বাদাম খান।
  • স্ট্রেস কমানোর জন্য ব্যায়ামকরণ তবে খুব ভারী ব্যায়াম করবেন না। জগিং সাঁতার এর পাশাপাশি প্রকৃতির পরিবেশে গিয়ে হাটাহাটি করণ দেখবেন শরীর ও মন ভালো থাকবে।
  • স্ট্রেস কমানোর জন্য আপনার পরিবার ও আত্মীয়স্বজন সকলের সঙ্গে সময় কাটান এবং সবাই মিলে ঘুরতে যান।
  • জীবনকে কখনো জটিল করে তুলবেন না বা কখনোই স্ট্রেস লেভেল বাড়িয়ে তুলবেন না পরিস্থিতির সাথে নিজেকে মানিয়ে নিবেন। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করার অভ্যাস বাদ দিবেন। জীবন আপনাকে নয় আপনি নিয়ন্ত্রণ করবেন জীবনকে। এগুলো করেও যদি স্টেজ কমাতে না পারেন তাহলে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ নিবেন।
  • মানসিক চাপ কমাতে হলে ঘুমাতে হবে। প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি রাতে ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমিয়ে প্রয়োজন। বিশ্রাম করার ফলে শরীরের স্ট্রেস দূর করা সহজ হয়ে উঠবে।

টেনশনের শারীরিক লক্ষণ

শারীরিক লক্ষণ গুলো জেনে নেই
  1. মাথা ব্যথা হওয়া।
  2. মাথা ঘোরা।
  3. বমি বমি ভাব।
  4. ঘুমের অসুবিধা হওয়া।
  5. বদহজম হওয়া।
  6. ওজন বেড়ে যাওয়া অথবা কমে যাওয়া।
  7. নিজের মধ্যে অস্বস্তি বোধ হওয়া।
  8. অসুস্থতায় ভোগা।

অতিরিক্ত চিন্তা থেকে মুক্তির উপায়

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার খাবার? অতিরিক্ত চিন্তা কমন কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে অনেকের। সবারই জানা দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত থাকা ও সহজ নয় তবে অতিরিক্ত চিন্তা ও মানসিক চাপ কমানোর রয়েছে কিছু সহজ উপায়।অশোকের হাত থেকে মুক্ত খেতে চাইলে টেনশন থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে। এই দুশ্চিন্তা থেকেই শরীরের ভিতর নানা ধরনের অসুখ-বিসুখ ও ডায়াবেটিস উচ্চ রক্তচাপের মত দীর্ঘমেয়াদি অসুখ গুলো বাসা বাঁধে। চলুন জেনে নেই অতিরিক্ত চিন্তা থেকে মুক্তির উপায় গুলো-
বিশ্রাম ও ঘুমানো: দ্রুত টেনশান ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে হলে বিশ্রাম ও ঘুমের প্রয়োজন। দীর্ঘ সময় গভীর ঘুমের পর মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যায়। এবং দুশ্চিন্ত ও টেনশন থেকে দূরত্ব কমাতে পারে এই অভ্যাস।
ফুলের সুগন্ধ নিতে পারেন: যখন খুব বেশি টেনশন হবে তখন আপনি তাজা ফুলের সুগন্ধ নিতে পারেন। এবং ঘরের সুন্দর মোমবাতি ও জ্বালাতে পারেন। নিয়মিত এই অভ্যাস গুলো অনেক সময় অতিরিক্ত চিন্তা থেকে ও মানসিক চাপ কমিয়ে দেয়।
দীর্ঘ শ্বাস-প্রশ্বাস এর অভ্যাস: প্রতিদিন ধ্যান করলে অনেকটাই টেনশনমুক্ত থাকা যায় এজন্য চোখ বন্ধ করে কিছু সময় একান্তই কোন কিছু না ভেবে বসে থাকুন এবং দীর্ঘস্বাস-প্রশ্বাস নেয়ার অভ্যাস করন দেখবেন অনেক দুশ্চিন্তা ও টেনশন কমিয়ে যাবে।
প্রাণ খুলে হাসতে হবে: হাসি ঠাট্টার ফলে দেহি সংবহনতন্ত্র ও বিভিন্ন নালীর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায় তাই ঠোঁটের কোণে সবসময় হাসি রাখুন।
গান: দুশ্চিন্তা সময় কষ্টের সুর বা কষ্টের গান শুনতে যাবেন না। মন ভালো করে দেওয়ার গানগুলো শুনবেন। না এতে করে মনের উপর চাপ খুব সহজে দূর হয়ে যাবে।
চা পান করুন: অতিরিক্ত চিন্তা কমানোর জন্য চা পান করতে পারেন। সবুজ চায়ে ধিয়ানির নামক এসিড রয়েছে যা আপনার শরীরের ক্লান্তি কমিয়ে দেই অনেকখানি শান্তিতে ঘুমাতে এবং কাজ করতে পারবেন। এজন্য চা পান করতে পারেন।

লেখকের শেষ মন্তব্য

 প্রিয় পাঠক মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার খাবার মানসিক স্ট্রেস কমানোর উপায় টেনশন হলে কি কি সমস্যা হয় অতিরিক্ত চিন্তা থেকে মুক্তির উপায় সহ আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ মানসিক চাপ কমানোর উপায় সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করলাম।

আমার এই আর্টিকেল পড়ে যদি আপনারা উপকৃত হন এবং আপনার ভাল লেগে থাকে তাহলে আমার এই আর্টিকেলটি আপনার পরিচিত বন্ধুবান্ধবদের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আশা অনলাইন শপ নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url