শসা খাওয়ার সঠিক সময়-শসা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা ১০টি জেনে নিন
শসা খাওয়ার সঠিক সময় শসা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সকালে খালি পেটে শসা খেলে কি হয় সম্পর্কে আপনারা সঠিক তথ্য খুঁজে পাচ্ছেন না তাদের জন্য আমার এই আর্টিকেলটি। আমার এই আর্টিকেলে শসা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।
প্রিয় পাঠক মাসিকের সমস্যা খেলে কি হয় চোখের শশা দিলে কি হয় গর্ভাবস্থায় শসা খেলে কি হয় এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস সম্পর্কে সঠিক তথ্য আলোচনা করব। টিপস গুলো জানতে হলে আমারে আর্টিকেল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে।
ভূমিকা
শসা বর্তমান সারা বছরই পাওয়া যায় শসাতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিগুণ যা আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারী। নিয়মিত শসা খেলে অনেক সমস্যা থেকে আমরা সমাধান পাব। শসা খাওয়ার সঠিক সময় জানতে হবে। অতিরিক্ত বেশি শসা খাওয়া যাবে না অতিরিক্ত শসা খেলে উপকারের চেয়ে অপকার বেশি হবে। শসা তে ভিটামিন সি,পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, প্রোটিন ও খনিজ উপাদান রয়েছে। শসা আমাদের শরীরের ক্ষতিকর টক্সিন বের করতে সাহায্য করে। শসা আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী।
সকালে খালি পেটে শসা খেলে কি হয়
প্রতিদিন সকালে শসা খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। শসা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে শসার অনেক উপকারিতা রয়েছে।
চলুন জেনে নেই প্রতিদিন সকালে শসা খেলে কি হয়-
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে: শসা তে এক ধরনের স্টেরল নামক উপাদান রয়েছে। যা আমাদের শরীরের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
হজম ও ওজন কমাতে সাহায্য করে: চিবিয়ে খেলে হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এবং ওজন কমাতেও সাহায্য করে। শসার মধ্যে থাকা ফাইবার আমাদের ওজন কমাতে শক্তি যোগায়।
চোখের জ্যোতি বাড়ায়: শসা গোল করে কেটে চোখের উপরে কিছুক্ষণ রেখে শুয়ে থাকলে চোখের পাতার উপর জমে থাকা ময়লা শসা রাখার কারণে চোখ পরিষ্কার হয়ে যায় এবং চোখের জ্যোতি দিন দিন বাড়াতে সাহায্য করে।
কিডনি ও লিভার ভালো রাখে: প্রতিদিন সকালে খালি পেটে শসা খেলে কিডনি ও লিভার ভালো রাখে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে: যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগী প্রতিদিন সকালে খালি পেটে শসা খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে।
ক্যান্সার প্রতিরোধ করে: প্রতিদিন খালি পেটে শশার সালাদ খেলে জরায়ু স্তন বিভিন্ন স্থানের ক্যান্সার হওয়া থেকে ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
শরীরে ভিটামিনের অভাব পূরণ করে: আমাদের শরীরে যে পরিমাণ ভিটামিন দরকার হয় বেশিরভাগ শসার মধ্যেই ভিটামিন গুলো পাওয়া যায়। শসার মধ্যে থাকা ভিটামিন এ, বি, সি রয়েছে। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আমাদের শরীরে শক্তি যোগাতে সাহায্য করে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে: শসার মধ্যে থাকা ফাইবার ও কিছু উপাদান থাকায় শরীরের পানির পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে। শসার মধ্যে থাকা পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফাইবার থাকার কারণে আমাদের শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
মাসিকের সময় শসা খেলে কি হয়
শসা খাওয়ার সঠিক সময়? পিরিয়ড ও মাসিক নারীদের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ প্রতিমাসের নির্দিষ্ট সময়ে এই ঋতুস্রাব নারীদের সুস্থতা ও সন্তান ধারণের সক্ষমতা নিশ্চিত করে। চলুন জেনে নেই মাসিকের সময় শসা খেলে কি হয়-
- মাসিকের সময় আমরা মেয়েরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয়ে থাকে।এ সময় আমাদের শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। মাসিকের সময়ে শশা খেলে নানা ধরনের সমস্যার আশঙ্কা বেড়ে যায়।
- শসা খেলে শরীরের উপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে এইজন্য মাসিকের সময় শসা খাওয়া বন্ধ করন। শসাতে রয়েছে থাকরস নামক উপাদান যা পিরিয়ডের রক্তকে জরায়ুর প্রাচির আটকে দিতে পারে। মাসিকের সময় শসা খেলে আপনি বন্ধ্যা ও হয়ে যেতে পারেন।
- মাসিকের সময় যেন শরীরের শক্ত কিছু আঘাত না লাগে। মাসিকের সময় জরায়ু খুব নাজুক থাকে। অল্পতেই মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যেতে পারেন যার ফলে জরায়ুতে ক্যান্সার জরায়ুতে ঘা ও বন্ধুত্বের ঝুঁকি থাকে। পিরিয়ডের সময় ঠান্ডা পানি না খেয়ে হালকা ও সে গরম পানি খান।
- ঠান্ডা পানি খেলে মাসিকে রক্ত বের না হয়ে জরায়ুর প্রাচীরে জমাট বাঁধতে পারে। এই সমস্যাগুলোর কারণে ৫-১০ বছর মধ্য জরায়ুতে টিউমার ও ক্যান্সার আকার ধারণ করতে পারে। তাই কুসুম কুসুম গরম পানি খাবেন।
- মাসিক চলাকালীন শ্যাম্পু করবেন না কারণ চুলের গোড়া আলগা হয় ফলাফলে চুল পড়ে যায়। শ্যাম্পু ব্যবহারের ফলে দীর্ঘস্থায়ী মাথার ব্যথার কারণ হতে পারে।
- মাসিক চলাকালীন ঠান্ডা জল ও কোমল পানীয় নারিকেল খাওয়া যাবেনা
শসা খাওয়ার সঠিক সময়
শসা খাওয়ার সঠিক সময় জেনে নিন? বর্তমান সময়ে সারা বছরই পাওয়া যায়।শসা সালাত হিসেবে খেলেও শসাতে নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান রয়েছে শসা খেলে আমাদের নানারকমের অসুখ দূরে রাখে এবং শরীরকে সুস্থ রাখে। শসা আমাদের জন্য খুব উপকারী। শসা খাওয়ার ফলে আমাদের দেহ থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের হয়ে যায়। শশা সকালে খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। সকালে যদি শসা না খেয়ে থাকেন তাহলে বিকালে শসা খেতে পারেন।
কিন্তু রাতে শসা খাবেন না রাতে শসা খেলে হজমের সমস্যা হয়ে থাকে ফুট ফেলে যেতে পারে। এজন্য সকালে ও দুপুরে শসা খাওয়াই ভালো। দুপুরে খাওয়ার পরে বা আগে খেলে হজমের সহায়তা করে এবং শরীরকে তাজা ও সতেজ রাখে। শসা খালি পেটে খেলে হজম শক্তি উন্নত করে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে ও ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত করে। কিন্তু রাতে যদি সামান্য পরিমাণে সালাত খাওয়া যায় তাহলে ওজন নিয়ন্ত্রণ করতেও সাহায্য করবে। রাতে বেশি শসা খেলে উপকারের চেয়ে অপকার বেশি হয়।
চোখে শসা দিলে কি হয়
চোখে যাদের ডার্ক সার্কেলের সমস্যা রয়েছে তারা নিয়মিত ব্যবহার করলে চোখের কালো দাগ দূর করতে সহজ হবে। শসার মধ্যে রয়েছে প্রশমিত একটু উপাদান। শশা নিয়মিত লাগালে চোখের ফোলা ভাবও কমাতে কাজ করে। চোখের নিচে কালো দাগ কমাতে শসার ব্যবহার অনেক উপকার পাবেন।
শসা মুখে লাগালে কি হয়
শসা শুধু স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী নয়। শসা আমাদের ত্বকের জন্য বেশ উপকারী শসা দিয়ে ত্বকের যত্ন নিয়ে দারুন উপকার পাওয়া যায়। গরমে ত্বকের যত্নে শসা ব্যবহার করতে পারেন এতে ত্বক সতেজ ও সুন্দর থাকবে।
- শসা ত্বক উজ্জ্বল করে, শসা রসের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ব্যবহার করলে অনেক ভালো উপকার পাওয়া যায়।
- ডার্ক সার্কেল দূর করতে শসা রস খুব উপকারী। চোখের উপর শসার টুকরা রেখে ১৫ মিনিট অপেক্ষা এজন্য বিশ্রাম নিন। এরপর দেখবেন চোখের ফোলা ভাব ও ডার্ক সার্কেল কমে যাবে।
- শসার রসে প্রাকৃতিক অপাদান রয়েছে যা ত্বকের খেয়াল ছাড়া দাগ দূর করতে সাহায্য করে। হলুদ ও দইয়ের সঙ্গে শশা রশ মিশিয়ে নিয়ে দাগ যুক্ত স্থানে লাগান এবং ১৫ মিনিট অপেক্ষা করার পরে ধুয়ে ফেলুন নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকের দাগ দূর হয়ে যায়।
- ফর্সা হতে চাইলে নিয়মিত সাথে গায়ের রং ফর্সা হয় ও পাতলা পাতলা করে কেটে মুখে গুছিয়ে নিতে পারেন পরে সকালে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলবেন দেখবেন অনেক উপকার পাবেন
প্রতিদিন শসা খাওয়ার উপকারিতা
প্রতিদিন শসা খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায় শসার স্বাস্থ্যকর পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে।
- শসা খেলে ত্বককে উজ্জ্বল করে।
- নিয়মিত শসা খেলে হজম শক্তি বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমায়।
- শসা তে পটাশিয়াম রয়েছে যা শরীরের রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে।
- শসা খেলে শরীরের বিষাক্ত টক্সিন বের করে এবং কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
- শসা খেলে চুল সিল্কি রাখে।
- ওজন কমাতে সাহায্য করে।
- শসা খেলে পানি শূন্যতা দূর করে।
- শরীরে ভিটামিনের অভাব পূরণ করে
শসা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা
শসা খাওয়ার সঠিক সময়? শশা একটি অতি পরিচিত সবজি। শসা আমরা বেশিরভাগই সালাদ করে খেয়ে থাকে। শসাতে প্রচুর পুষ্টি রয়েছে যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ভালো এবং শরীরের বিষাক্ত পদার্থ গুলোকে বের করতে সাহায্য করে। চলুন জেনে নেই শসা খাওয়ার উপকারিতা-
ওজন কমায়: ওজন কমানোর জন্য শসা অনেক উপকারী। আপনারা ওজন কমাতে চান তাহলে নিয়মিত শসা খান। শসাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভাইবার ও পর্যাপ্ত পানি রয়েছে এতে কালরির পরিমাণ খুব কম থাকে এবং ওজন কমানোর জন্য বেশ কাজে লাগে। প্রোটিন কার্বোহাইড্রেট ভিটামিন ম্যাগনেসিয়াম পটাশিয়াম রয়েছে এতে কোন ফ্যাট নেই নিয়মিত খেলে চর্বি কমতে সাহায্য করে।
পেশীর ব্যথা কমায়: আমরা অনেকেই জয়েন্টে ও পেশির ব্যথায় ভুগে থাকি। আপনার ডায়েটের শসা ও সবুজ সালাদ রাখেন। শসা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী এটি হাড়ো পিসিকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। দীর্ঘস্থায়ী ব্যাথা থেকে মুক্তির জন্য প্রাকৃতিক প্রতিকার হলো শসা। শসা শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে তৈরি করে ভালো এনজাইম উপশম করে। বয়স বৃদ্ধের সঙ্গে সঙ্গে আপনারা নিয়মিত শসা খেতে পারেন।
মাড়ির স্বাস্থ্যের জন্য ভালো: সুস্বাস্থ্যের জন্য মাড়ি ভালো রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। শশা, মুখে অ্যাসিডের ও ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া ও শরীরের কাঁটা ছেড়া ও ক্ষত প্রতিরোধ নিরাময় করা সহজ করে নিয়মিত শসা খাওয়া মারি রোগ ও দাঁতের রোগ কমাতে সাহায্য করে সেই সঙ্গে দাঁতের প্লাক টক্সিন তৈরি করে পরিষ্কার করে।
কলেস্টরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে: নিয়মিত শসা খেলে রক্তের কোলেস্টরেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে এবং ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে।
হার্ট ও ফুসফুস ভালো রাখে: শসা রস খেলে আর্থাইটিস একজিমা আহার ও খুসখুস ভালো রাখতে সাহায্য করে।
চোখ ভালো রাখে: নিয়মিত শসা খেলে চোখ ভালো রাখে। শসাতে প্রচুর পরিমানে বিটা করোটিন রয়েছে শসা খাওয়ার ফলে শরীরে ভিটামিনের অভাব পূরণ করে এবং চোখ ভালো রাখে। এই জন্য নিয়মিত শসা খান চোখ ভালো রাখতে।
মুখের গন্ধ দূর করে: নিয়মিত শসা খেলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং নিঃশ্বাসে সতেজ ভাব আসে।
মাথা ব্যথা দূর করে: আমাদেরই অনেকের মাথা ব্যথা হয় শরীর মাছ করে নিয়মিত শসা খেলে এই সমস্যা দূর হয়ে যাবে শসাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ও সুগার রয়েছে। নিয়মিত শসা খেলে মাথা ব্যাথার সমস্যা থাকবে না।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে: শসা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। শসা খেলে রক্তে সুগারের পরিমাণ কমে যায়। আপনারা যদি সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান তাহলে নিয়মিত শসা খান।
ক্যান্সার প্রতিরোধ করে: শসা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। শসা খেলে জরায়ু স্তন ও বিভিন্ন স্থানে ক্যান্সার হওয়ার যোগী কমায়। আপনারা যদি ক্যান্সারের মত মরণবাদী রোগ থেকে দূরে থাকতে চান তাহলে নিয়মিত শসা ক্ষার অভ্যাস করে তুলুন।
শসা খাওয়ার অপকারিতা
শসা উপকারিতার পাশাপাশি অপকারিতা ও রয়েছে। শরীরের জন্য কোন কিছু বেশি খাওয়া উচিত নয় চলুন জেনে নেই শসা খাওয়ার অপকারিতা-
এলার্জির সমস্যা: কিছু কিছু মানুষের সাথে এলার্জি রয়েছে। শসা খেলে যদি চুলকানি, শ্বাসকষ্ট, দেখতে পান তাহলে শসা খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন।
ডায়রিয়া: অতিরিক্ত শশা খেলে পেটের সমস্যা ডায়রিয়া হতে পারে শসাতে রয়েছে উচ্চ জলীয় উপাদান অন্ত্রের গতিশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
পেট ফাঁপা: অতিরিক্ত শসা খেলে গ্যাসের সমস্যা হতে পারে। শসা ফাইবারযুক্ত খাবারের সাথে খাওয়া উচিত।
হজমের সমস্যা: অতিরিক্ত শসা খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে এইজন্য পরিমাণমতো শসা খেতে হবে। বেশি শসা খেলে বদহজমের সমস্যা হতে পারে।
বারবার প্রস্রাব হয়: শসা বেশি খেলে বারবার প্রস্রাব হয়। অতিরিক্ত শসা খেলে দেহে জলের ঘাটতি হাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এজন্য অতিরিক্ত বেশি শসা খাবেন না।
গর্ভাবস্থায় শসা খেলে কি হয়
শসা খাওয়ার সঠিক সময়? গর্ভবতী মহিলাদের শরীর সুস্থ রাখার জন্য প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়া প্রয়োজন হয়। গর্ভাবস্থায় শসা খাওয়ার উপকারিতা চলুন জেনে নেওয়া যাক-
- শসা তে ভিটামিন সি, কে, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিংক খনিজ উপাদান পাওয়া যায়। এসব একজন গর্ভবতী মহিলার খুব প্রয়োজন।
- গর্ভবতী মহিলার মানসিক চাপ নেওয়া থেকে বিরত থাকতে এবং মানসিক চাপ কমাতে শসা অনেক সাহায্য করে শসাতে থাকা পটাশিয়াম গর্ভাবস্থায় রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
- শসা খেলে শরীরের সোডিয়ামের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এবং পানির ভারসাম্য বজায় রাখে।
- গর্ভাবস্থায় রক্তচাপের মাত্রায় স্থিতিশীল রাখতে শসা খাওয়া খুব প্রয়োজন। তবে শসা খাওয়ার ফলে ঘন ঘন প্রস্রাব হতে পারে কারণ শসা তে পানি ও লবণের মাত্রা বেশি রয়েছে।
- কিন্তু যাদের শসা খেলে এলার্জি ও বদহজমের সমস্যা রয়েছে তাদের গর্ভাবস্থায় শসা খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে এবং পরামর্শ নিতে হবে।
আরো পড়ুন: প্রতিদিন পেয়ারা খাওয়ার উপকারিতা ১০টি
লেখকের মন্তব্য
প্রিয় পাঠক শসা খাওয়ার সঠিক সময় প্রতিদিন শসা খাওয়ার উপকারিতা শসা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা মাসিকের সময় শসা খেলে কি হয় সম্পর্কে আপনাদের সঠিক তথ্য আমারে আর্টিকেলে আলোচনা করেছি। শসাতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান রয়েছে। শসা আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারী এজন্য নিয়মিত শসা খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলন।
আমার এই আর্টিকেল পড়ে আপনারা যদি উপকৃত হয়ে থাকেন, তাহলে আমার এই আর্টিকেলটি আপনার পরিচিত বন্ধুবান্ধব সকলের সঙ্গে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।
আশা অনলাইন শপ নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url