বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ১০টি খাবার-স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির কৌশল জেনে নিন
বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির খাবার শিশুদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির কৌশল সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানিনা। শিশুদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করার জন্য বাবা-মায়েরা অনেক চিন্তায় পড়ে যায়। বাচ্চাদের অনেক কিছুই মনে থাকে না এবং পড়াশোনায় মনোযোগী হতে পারেনা।
মনোযোগ বৃদ্ধির খাবার, বাচ্চাদের স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধির উপায় সহ বাচ্চাদের কি কি করলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায় এসব সম্পর্কে আজকে আমার এই আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করব। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি সম্পর্কে জানতে হলে আমার এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়তে হবে।
ভূমিকা
প্রিয় পাঠক সন্তানেরা যখন বড় হয়ে যায় তখন বাবা-মা অনেক টেনশন করে। বাচ্চারা অনেক সময় অ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো মনে রাখতে পারে না এবং তাদের সবকিছুতে অমনোযোগী হয়ে পড়ে। এসব সম্পর্কে আমাদের সচেতন হতে হবে। স্মৃতিশক্তি আমাদের বড় সম্বল এর স্মৃতি শক্তি না থাকলে আমরা জড় পদার্থের সমান। এজন্য আমাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে হবে। বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির খাবার উপস্থিতি শক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব আজকের এই আর্টিকেলে।
বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির উপায়
বাচ্চারা যখন বড় হয় তখন থেকেই মায়েদের অনেক চিন্তা শুরু হয়ে যায়। না পড়াশোনায় অমনোযোগী পড়ালেখা মনে রাখতে পারে না বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। সব বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি সমান নয়। চলুন জেনে নেই বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির উপায়-
- শিশুদের স্মৃতি শক্তি বাড়াতে চাইলে লাইব্রারি বা মিউজিয়ামে নিয়ে যান। শিশুদের এক জায়গায় বসে থেকে পড়াবেন না ঘুরতে ঘুরতে সেখানে লাইব্রেরীতে নিয়ে গিয়ে বই দেখাতে পারেন এতে শিশুদের স্মৃতিশক্তি বিকাশ ঘটবে।
- বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শিশুদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে তারা কি ভাবছে তাদের কাছ থেকে জানতে হবে এভাবে শিশুদের চিন্তাধারা কে উন্নতি করতে হবে তেমনি স্মৃতিশক্তি ও বেড়ে যাবে।
- শরীল ও মন দুইটিকে ভালো রাখে শরীরচর্চা মস্তিষ্কের কার্যকরিতা বাড়াতেও সাহায্য করে এই জন্য শিশুকে ঘুম থেকে উঠানোর পরে তাদেরকে শরীরচর্চা করানো খুব প্রয়োজন।
- শিশুদের প্রশ্ন করতে শেখান যেন আপনার শিশুর মধ্যে কোন কিছু জানার আগ্রহ তৈরি হলে তা প্রশ্ন করে সেই বিষয়টি জানতে পারে ফলে শিশুর স্মৃতিশক্তি শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
- আপনার শিশুরা যা শিখছে তা দিয়েই ছড়া গান তৈরি করা শিখান মানুষের মস্তিষ্ক মেয়ে মিউজিক প্যাটার মনে রাখতে পারে দ্রুত তাই মিউজিক বা ছড়া শিশুকে কিছু শেখালে সে তাড়াতাড়ি সবকিছু মনে করতে পারবে।
- বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির জন্য বাচ্চাদের পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা গভীর ঘুম বাচ্চাদের জন্য খুব প্রয়োজন।
- শিশুদের স্মৃতিশক্তি ও জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য গেম খুব প্রয়োজনীয় খেলা এগুলো নিজেদের তৈরি গেম হতে পারে যে কোন জায়গায় খেলা যেতে পারে। বাড়িতে সকলের সঙ্গে বোর্ড গেম ও বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে গেম খেলতে পারে বাচ্চাদের প্রয়োজনীয় কিছু গেম নির্ধারণে আপনারা সহযোগিতা করুন যেগুলো গেম খেললে শিশুদের মস্তিষ্ক ভালো থাকবে সঠিকভাবে কাজ করবে এবং কর্মক্ষমতা বাড়াবে সেসব গেম বাচ্চাদের খেলানো উচিত। হৃদয়
- শিশুদের মস্তিষ্কের যেকোনো তথ্য দীর্ঘদিন রাখতে চাইলে শিশুদের রং করা শিখা শিখান। রং দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ছবি আকার ফলে স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্ক উন্নতি হবে।
বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির খাবার
শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য পুষ্টিকর খাবারের খুব প্রয়োজন। শিশুদের পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খাওয়ানো খুব প্রয়োজন। শিশুদের ড্রাই ফুড কাঠবাদাম খেজুর ড্রাই ফুড খাওয়াতে পারেন এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন মিনারেল ক্যালসিয়াম রয়েছে যা বাচ্চার স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ভুল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
চলুন জেনে নেই বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির খাবার গুলো কি কি-
মিষ্টি দই: দই এ প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে যার কারণে শিশুর মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য কে ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং পাশাপাশি অন্ত্রের স্বাস্থ্যকেও ঠিক রাখে বাচ্চাকে স্নাক হিসেবে ফলের সাথে দই খাওয়ানো যেতে পারে।
ডিম: ডিমের প্রচুর পরিমাণে কলিন রয়েছে।যা শিশুদের স্মৃতি শক্তি মেজাজ নিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভাবে কাজ করে। নিয়মিত সিদ্ধ করে পরিমাণ মতো ডিম খাওয়ানোর শিশুদের জন্য খুব উপকারী।
ডার্ক চকলেট: ঘরে তৈরি করা ডার্ক চকলেট শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য যেমন উপকারী তেমনে শিশুদের মস্তিষ্ক বাড়ানোর পাশাপাশি মেজাজ নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে তবে পরিমাণ মতো খাওয়ানো উচিত ডার্ক চকলেট খাওয়ার ফলে বাচ্চাদের মন ভালো থাকে।
দুধ: দুধ শিশুদের পুরো শরীরের বিকাশে সহায়তা করে দুধ খেলে ক্ষার শক্তিশালী হয় এবং মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটে দুধে ফসফরাস ভিটামিন ক্যালসিয়াম প্রোটিন ও আয়রন রয়েছে যা শিশুদের শক্তিশালী ও সুস্থ রাখে।
ঘি: শিশুদের স্মৃতি শক্তি বাড়ানোর জন্য ঘি খুব ভালো খাবার খেতে কিছু উপাদান রয়েছে যা শিশুদের শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি মস্তিষ্ককে সাহায্য করে যখন বাচ্চাদের খাবার রান্না করবেন তখন এক চামচ ঘি যোগ করে দিবেন।
কলা: কলায় রয়েছে প্রোটিন কার্বোহাইড্রেট ক্যালসিয়াম আয়রন যায় শিশুদের শক্তি যোগায় এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও খুব কার্যকরী ভূমিকা রাখে এবং শিশুর ওজন বেড়ে যায় তাই প্রতিদিন সকালে বাচ্চাকে কলা খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
মাছ: মাসে ভিটামিন ডি ও ওমেগা থ্রি ফাটিয়েছে রয়েছে এই দুইটা উপাদান শিশুর মস্তিষ্ক বৃদ্ধির জন্য খুব উপকারী।
সবুজ শাকসবজি: সবুজ শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন থাকে যা শিশুর মস্তিষ্ক গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আপেল: প্রতিদিন আপেল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন আপেলে রয়েছে ভিটামিন যা শিশুর মস্তিষ্কে গঠনের সহায়তা করে।
মনোযোগ বৃদ্ধির খাবার
আমরা অনেকেই এখনো কিছুতে মনোযোগ দিতে পারি না মনোযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করেও মনোযোগ বাড়াতে আমরা পারিনা এজন্য আমাদের প্রয়োজনীয় কিছু খাদ্য অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। কিছু খাবার পারে আপনার খাদ্যভ্যাসগুলো মনোযোগ বাড়িয়ে দিতে পারে। মনোযোগ বাড়াতে কার্বোহাইড্রেট ও শর্করা জাতীয় খাবার খেতে হবে যেমন ভাত, রুটি, চিনি খেলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বেড়ে যায়। ফলের রস গুলোতে প্রচুর পরিমাণে শর্করা থাকে তবে অতিরিক্ত শর্করা জাতীয় খাবার খেলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে। জেনে নিন মনোযোগ বৃদ্ধির খাবার সমূহ-
- মাছে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফাটি এসির যা মস্তিষ্ক বৃদ্ধি করে পাশাপাশি মনোযোগ বৃদ্ধি করতেও সহায়তা করে।
- আমরা যেগুলো রান্নাতে মসলা ব্যবহার করি সেগুলো আমাদের মস্তিষ্কের অক্সিজেন চলাচল বৃদ্ধি করে এবং মনোযোগ সৃষ্টি করে যেমন আদা হলুদ দারুচিনি ইত্যাদি।
- সবুজ শাকসবজিতে ভিটামিন ছি সহ বিভিন্ন ধরনের খনিজ উপাদান রয়েছে যা মানসিক মনোযোগ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
- আমরা অনেকে সকালের নাস্তা করতে ভুলে যাই সকালের নাস্তা করলে আমাদের মস্তিষ্ককে সতেজ রাখে এবং কাজ করার মনোযোগ ও স্মৃতির শক্তি বৃদ্ধির জন্য খুব উপকারী। সকালের নাস্তায় বেশি পরিমাণে খাবার খাবেন না পরিমাণ মতো খাবার খেতে হবে।
- গবেষকরা বলেছেন দিনভর মনোযোগ ধরে রাখার জন্য আমাদেরও ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মনোযোগ থাকে না প্রতিদিন পরিমাণ মতো পানি পান করতে হবে পানি স্বল্পতা মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটায় এছাড়া প্রতিদিন আমাদের উচিত শরীর চর্চা ও ব্যায়াম করা।
- পালং শাকের প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। যার জন্য শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
- শরীরের ক্লান্তি দূর করতে কপি খুব গুরুত্বপূর্ণ কপি মনোযোগ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে কপিতে কাফায়েন নামক উপাদান রয়েছে যার রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ ঠিক রাখে এবং কাজে মনোযোগ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
- বাদামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই ও আন্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা মনোযোগ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। আমাদের উচিত সকলেরই প্রতিদিন পরিমাণ মতো বাদাম খাওয়া।
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির কৌশল
বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির খাবার? আমরা অনেকেই আছে যে পরীক্ষার আগের রাতে সারারাত পড়াশোনা করি এতে করে পরীক্ষার হলে গিয়ে কিছুই মনে রাখতে পারি না। এবং কোন খুঁটিনাটি বিষয়গুলো মনে রাখা খুব মুশকিল হয়ে পড়ে যাকে আমরা ভুলে যাওয়া রোগও বলতে পারি তাই স্মৃতিশক্তি ভালো রাখতে মস্তিষ্ককে সক্রিয় করা খুব জরুরী। জেনে নেওয়া যাক স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির কৌশল গুলো-
নিয়মিত ব্যায়াম করুন: ব্যায়াম করার ফলে আমাদের পেশী মজবুত হয় এবং আমাদের মস্তিষ্ককেও ভালো রাখে ব্যায়াম করার ফলে মস্তিষ্ক অনেক বেশি অক্সিজেন পায় এবং ব্রেনের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এই জন্য প্রতিদিন যেকোনো ধরনের ব্যায়াম করা খুব প্রয়োজন হাঁটাহাঁটি করলে ব্রেইনের কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
গান শোনা বই পড়া: আমাদের উচিত প্রতিদিন একটু হলেও গান শোনা গান আমাদের ব্রেন কে সক্রিয় করে তুলতে সাহায্য করে আমরা যখন বই পড়বো তখন এই বইটি মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে প্রতিটি লাইন বুঝে বুঝে পড়তে হবে প্রতিদিন বই পড়ার ফলে ব্রেনের কার্যকরিতা বাড়তে থাকে যাদের বই পড়ার অভ্যাস নেই তারা হয়তো শুরুতে বেশি সময় ধৈর্য ধরে পড়তে পারবেন না তবে কিছুদিন বই পড়লে তার অভ্যাস ধীরে ধীরে বেড়ে যাবে।
খাদ্য ভাস: স্মৃতিশক্তি বাড়াতে খাদ্যের ভূমিকা অপরিসীম প্রতিদিন এক মুঠ বাদাম খেলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায় এছাড়াও মাছ-মাংস দুধ ফলমূল স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্ক গঠনে সাহায্য করে। আমাদের চিনি জাতীয় খাবার কম খেতে হবে এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার বেশি খাওয়া খুব প্রয়োজন।
নতুন কিছু করতে হবে: প্রতিদিন এক কাজ করলে ব্রেন সঠিকভাবে কাজ করে না এজন্য জীবনযাত্রার পরিবর্তন করার জন্য নতুন কিছু করতে হবে যেদিন স্কুল ছুটি থাকবে সেদিন কোথাও ঘুরতে যাওয়া নতুন স্থান ভ্রমণ এসব করলে স্মৃতিশক্তি ভালো থাকে এবং স্মৃতি শক্তির উন্নতি হয়।
মনে রাখার উপায়: পড়াশোনা এবং যেকোনো কিছু মনে রাখার জন্য ভোরবেলা খুব প্রয়োজন সারারাত ঘুমানোর ফলে ব্রেন অনেকটাই সচল থাকে যে কোন কাজ ও ব্রেন সহজে স্মৃতিশক্তিকে রেখে দেয় সকাল বেলা এজন্য ডায়েরিতে লেখার অভ্যাস করলেও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায় কোন কিছু যদি আমরা লিখি তাহলে দেন খুব সহজেই আয়ত্তে রাখতে পারে।
পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে: স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে চাইলে সময়মতো ঘুমাতে হবে প্রতিদিন ছয় থেকে সাত ঘন্টা ঘুম আমাদের শরীরের জন্য খুব প্রয়োজন। পর্যাপ্ত ঘুমানোর কারণেও আমাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি হয়।
মেডিটেশন করন: স্মরণশক্তি বাড়ানোর জন্য মেডিটেশন খুব গুরুত্বপূর্ণ মেডিটেশন করার ফলে মনের চিন্তা ও চাপ অনেকটাই কমে যায় কাজের মনোযোগ বাড়ে ও ব্রেনের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। প্রতিটি নিয়মমাফিক সকালে উঠে 10 থেকে 15 মিনিট মেডিটেশন করন চোখ বন্ধ করে লম্বা শাঁস এমন কে শান্ত করার চেষ্টা করন এর সপ্তাহের মধ্যে আপনি অনেক ভাল ফলাফল পাবেন।
আরো পড়ুন: পুরো শরীরের মেদ কমানোর ১৫টি উপায়
লেখকের মন্তব্য- বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ১০টি খাবার
প্রিয় পাঠক বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির খাবার, মনোযোগ বৃদ্ধির খাবার, বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির উপায়, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির কৌশল সম্পর্কে আমি বিস্তারিত আলোচনা করলাম। আশা করছি আমার এই আর্টিকেল পড়ে আপনারা শিশুদের স্মৃতিশক্তি বাড়ার সম্পর্কে সঠিক ধারণা ও তথ্য পেয়েছেন। (ধন্যবাদ)
আশা অনলাইন শপ নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url