কিডনির সমস্যা দূর করার ১০টি উপায়-কিডনির সমস্যার লক্ষণ কি

কিডনির সমস্যা দূর করার উপায় কিডনির সমস্যা ও সমাধান সম্পর্কে আপনারা সঠিক তথ্য খোঁজাখুঁজি করেও পাচ্ছেন না আজকে আমার এই আর্টিকেলে কিডনি সম্পর্কে সঠিক তথ্য বিস্তারিতভাবে জেনে নিন।
কিডনির সমস্যা হলে কোথায় ব্যথা হয় কিডনির সমস্যা হলে কি খাওয়া উচিত না কিডনির সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ ও কিডনি সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস আমারে আর্টিকেলে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করব। কিডনি সম্পর্কে জানতে হলে এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে।

ভূমিকা

বর্তমান সময়ে কিডনির সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। কিডনির সমস্যা হলে মরণ হতে পারে। কিডনির সমস্যা লক্ষণ গুলো দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ নিতে হবে। কিডনির সমস্যা হলে পেশীতে টান, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, খিদে না হওয়া, অতিরিক্ত প্রস্রাব হওয়া এবং একবারে প্রস্তাব না হওয়া, শ্বাস নিতে সমস্যা, ঘুমের সমস্যা বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। কিডনির সমস্যা দূর করার উপায় ও কিডনি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে আমার এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

কিডনির সমস্যার লক্ষণ কি

কিডনি আমাদের দেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কিডনি শরীরের খুব আস্তে আস্তে ক্ষতি করে। খুব জটিল না হলে এটা ভালোভাবে প্রকাশ পায় না। চলুন জেনে নেই আমাদের কিডনি রোগের লক্ষণগুলো -

পেছনে ব্যথা: কিডনি রোগের শরীরের ব্যাথা হয়। পিঠের পাশের নিচের দিকে ব্যথা হয় এটাও একটি লক্ষণ কিডনি রোগের।
বমি বমি ভাব: রক্তে বর্জনীয় পদার্থ বেড়ে যাওয়ার জন্য বমি বমি ভাব হয় এবং বমি হওয়ার সমস্যার দেখা দেয়।
সব সময় ঠান্ডা বোধ করা: কিডনি রোগীদের গরমের সময়ও শীত লাগে আর কিডনিতে সংক্রমণ হওয়ার জন্য জ্বরও আসতে পারে ঘন ঘন।
শরীর ফোলে যায়: কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য ও বাড়তি পানি বের করে দেয়। রোগ হলে এই পানি বের হতে সমস্যা হয় এই জন্য শরীরে বাড়তি পানি থাকার কারণে শরীর ফুলে যায়। অনেকের কিডনির সমস্যা দেখা দিলে প্রসাবের সাথে রক্ত যাই রক্ত গেলে খুব তাড়াতাড়ি চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
প্রসাবে জ্বালাপোড়া: প্রসাবের সময় আরেকটি দেখা দেয়। যে প্রস্তাবের সময় জ্বালাপোড়া ও ইনফেকশনের লক্ষণ ইনফেকশন শরীরে ছড়িয়ে পড়ার কারণে জ্বর হয় এবং পিঠের পিছনে ব্যথা হয়।
প্রস্রাবের পরিবর্তন হয়: কিডনির সমস্যা হলে প্রস্তাবের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। রাতের বেলা প্রস্তাব অনেক বেশি হয় এবং প্রস্রাবে রঙ গাঢ় হয়। আবার অনেক সময় প্রসাবের ভাব হয় হ কিন্তু প্রস্রাব হয় না।
পা ফোলে যায়: কিডনির সমস্যা হলে শরীরের সোডিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে পা ফুলে যায় হঠাৎ করে এমনটা হলে সতর্ক হতে হবে শরীরে মারাত্মক কিছু না হলে এসব লক্ষণ দেখা দেয় না এজন্য সতর্ক হতে হবে।
ত্বকের সমস্যা: কিডনির সমস্যা হলে শরীর থেকে টক্সিন বের হতে পারে না এর ফলে ত্বক খসখসে হয়ে যায় এবং এ থেকে বোঝা যায় যে কিডনির সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।
ঘুম হয় না: কিডনি ঠিকঠাক কাজ না করলে শরীরের বর্জ্য পদার্থ গুলো শরীর থেকে বের হতে পারে না এজন্য অনিদ্রার কারণ হতে পারে। কিডনির সমস্যা আক্রান্ত মানুষদের ঘুম হয় না।
শরীরে ক্লান্ত অনুভব হওয়া: কিটির সমস্যা হলে শরীরের অনেক সমস্যা হয় এবং কাজকর্ম মানসিকতা হারিয়ে যায়। কিডনি সঠিকভাবে কাজ করে না এ কারণেে বিষাক্ত অপ্রয়োজনীয় উপাদান বৃদ্ধি পেতে থাকে ফলে সবসময় ক্লান্ত লাগে এবং রক্তস্বল্পতার সমস্যা ও দেখা দেয়।

কিডনির সমস্যা দূর করার উপায়

বর্তমান সময়ে কিডনির সমস্যা আশংকা জনক ভাবে বেড়ে চলেছে বর্তমানে সারা বিশ্বে ৮৮ কোটি মানুষ কিডনি রোগে ভুগছে। কিডনির চিকিৎসা সঠিকভাবে না করলে কিডনি রোগের জন্য মৃত্যুর কারণ হয়। আপনাদের অজান্তেই কিডনির সমস্যার কারণে আপনাদের শেষ করে দিতে পারে। বিভিন্ন ধরনের রোগের যার ফলে স্বাস্থ্যের অবনতি হয় ও প্রাণহানি হতে পারে।

কিডনির সমস্যা হলে পেশীতে টান, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, খিদে না হওয়া, অতিরিক্ত প্রস্রাব হওয়া এবং একবারে প্রস্তাব না হওয়া, শ্বাস নিতে সমস্যা, ঘুমের সমস্যা বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। কিডনির সমস্যা হলে খাবারের অনেক বাছাই করে খেতে হয়। কারণ কেনে রোগীদের শরীরের রক্তের মাত্রা বেশি থাকে এজন্য পরিমাণমতো পানি খাওয়া কম লবণ চিনি খাবা থেকে খাওয়া থেকে এড়িয়ে চলতে হবে সব সময় কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া যাবেনা। চলুন জেনে নেই কিডনির সমস্যা দূর করার উপায়-

  1. লেবু রসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে সাইট্রিক এসিড লেবরস রক্তকে পরিষ্কার ও দূষিত পদার্থ বের করতে সাহায্য করে লেবুর রসের ক্যালসিয়াম রয়েছে যা কিডনি স্টোনের অন্যতম কারণ।
  2. আধা চা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। আদা ভালো করে ধুয়ে নিয়ে গরম পানিতে পাঁচ মিনিট ফুটাতে হবে একে মিষ্টির স্বাদের করতে চাইলে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন। চা সকলের দুর্বলতা ও কাশি দূর করতে সাহায্য করে। মাত্রা কম আতা চায় কোলেস্টেরলের মাত্রা কম থাকে যা আমাদের ক্ষতিকর সংক্রমণের বিরুদ্ধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
  3. প্রতিদিন তরমুজ ও বেদানা খেতে পারলে খুব ভালো। তরমুজের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি এছাড়াও পটাশিয়াম রয়েছে যা কিডনির কার্যকারিতা বাড়ায়। বেদনার পাশে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে যা কিডনিতে পাথর হতে দেয় না।

কিডনির সমস্যা ও সমাধান

কিডনি রোগের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে দিন দিন বেড়েই চলছে সময় মত চিকিৎসার অভাবেও কিডনির সমস্যা বেশি হয়ে যায় কিডনি তাই স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে না। অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস রোগ ও অনিয়ন্ত্রণ রক্তচাপ ইত্যাদি কারণেও হতে পারে। কিডনি আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা না করলে কিডনি রোগের শেষ পরিণতি দীর্ঘ হয়। চলুন জেনে নেই কিডনি রোগের সমস্যা গুলো-

পেছনে ব্যথা: কিডনি রোগের শরীরের ব্যাথা হয়। পিঠের পাশের নিচের দিকে ব্যথা হয় এটাও একটি লক্ষণ কিডনি রোগের।
বমি বমি ভাব: রক্তে বর্জনীয় পদার্থ বেড়ে যাওয়ার জন্য বমি বমি ভাব হয় এবং বমি হওয়ার সমস্যার দেখা দেয়।
সব সময় ঠান্ডা বোধ করা: কিডনি রোগীদের গরমের সময়ও শীত লাগে আর কিডনিতে সংক্রমণ হওয়ার জন্য জ্বরও আসতে পারে ঘন ঘন।
শরীর ফোলে যায়: কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য ও বাড়তি পানি বের করে দেয়। রোগ হলে এই পানি বের হতে সমস্যা হয় এই জন্য শরীরে বাড়তি পানি থাকার কারণে শরীর ফুলে যায়। অনেকের কিডনির সমস্যা দেখা দিলে প্রসাবের সাথে রক্ত যাই রক্ত গেলে খুব তাড়াতাড়ি চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
প্রসাবে সময় জ্বালাপোড়া: প্রসাবের সময় আরেকটি দেখা দেয়। যে প্রস্তাবের সময় জ্বালাপোড়া ও ইনফেকশনের লক্ষণ ইনফেকশন শরীরে ছড়িয়ে পড়ার কারণে জ্বর হয় এবং পিঠের পিছনে ব্যথা হয়।
প্রস্রাবের পরিবর্তন হয়: কিডনির সমস্যা হলে প্রস্তাবের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। রাতের বেলা প্রস্তাব অনেক বেশি হয় এবং প্রস্রাবে রঙ গাঢ় হয়। আবার অনেক সময় প্রসাবের ভাব হয় হ কিন্তু প্রস্রাব হয় না।
পা ফোলে যায়: কিডনির সমস্যা হলে শরীরের সোডিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে পা ফুলে যায় হঠাৎ করে এমনটা হলে সতর্ক হতে হবে শরীরে মারাত্মক কিছু না হলে এসব লক্ষণ দেখা দেয় না এজন্য সতর্ক হতে হবে।
ত্বকের সমস্যা: কিডনির সমস্যা হলে শরীর থেকে টক্সিন বের হতে পারে না এর ফলে ত্বক খসখসে হয়ে যায় এবং এ থেকে বোঝা যায় যে কিডনির সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।
ঘুম হয় না: কিডনি ঠিকঠাক কাজ না করলে শরীরের বর্জ্য পদার্থ গুলো শরীর থেকে বের হতে পারে না এজন্য অনিদ্রার কারণ হতে পারে। কিডনির সমস্যা আক্রান্ত মানুষদের ঘুম হয় না।
শরীরে ক্লান্ত অনুভব হওয়া: কিটির সমস্যা হলে শরীরের অনেক সমস্যা হয় এবং কাজকর্ম মানসিকতা হারিয়ে যায়। কিডনি সঠিকভাবে কাজ করে না এ কারণেে বিষাক্ত অপ্রয়োজনীয় উপাদান বৃদ্ধি পেতে থাকে ফলে সবসময় ক্লান্ত লাগে এবং রক্তস্বল্পতার সমস্যা ও দেখা দেয়।

কিডনি ভালো রাখার উপায়

  1. ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের রক্তে শর্করা এবং প্রস্তাবের এলবুমিন পরীক্ষা করা এবং রক্তের হিমোগ্লোবিন নিয়ন্ত্রণে রাখা।
  2. উচ্চ রক্তচাপ আক্রান্ত রোগীদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
  3. যাদের ডায়াবেটিস উচ্চ রক্তচাপ আক্রান্ত রোগীদের কিডনির রোগীদের ৬ মাস অন্তর অন্তর পরীক্ষা করতে হবে।
  4. ডায়রিয়া বমি রক্ত আমাশয় কারণে রক্ত পড়ে গেলে লবনশূন্য হয়ে পড়লে কিডনি বিকল হতে পারে এই জন্য দ্রুত খাবার স্যালাইন খেতে হবে।
  5. চর্বি জাতীয় খাবার ও লবণ কম খাওয়া এবং পরিমাণ মতো পানি খেতে হবে।
  6. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এন্টিবায়োটিক ও তীব্র ব্যথা নাশক ঔষধ সেবন করা যাবে না।
  7. ধুম পানের অভ্যাস থাকলে তা পরিহার করতে হবে।
  8. যদি বেশি ওজন থাকে তাহলে ওজন কমিয়ে ফেলতে হবে।
  9. নিয়মিত হাটতে হবে এবং শারীরিক ব্যায়াম করতে হবে।
  10. প্রতিদিন বেশি পরিমাণে শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। আমাদের সচেতন হতে হবে এবং কষ্ট করে লাইফস্টাইল ও জীবনযাত্রা প্রণালী বদলে ফেলে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে তাহলে কিডনির বিকল হওয়া থেকে আমরা সহজে নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ করতে পারব।

কিডনির সমস্যা হলে কি খাওয়া উচিত

কিডনির সমস্যা দূর করার উপায়? ডায়াবেটিস রক্তচাপ ও ঘন ইনফেকশন খাবারের জন্য কিডনির সমস্যা হয়ে থাকে। রক্তে ক্রিয়েটে নীনের মাত্রা ধীরগতিতে বৃদ্ধি হয় সেজন্য খাবার সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে কিডনি রোগে আক্রান্ত হলে পরিমাণ মতো খাবার গ্রহণ করা উচিত।

আনারস: আনারসে রয়েছে ফাইবার ম্যাগনেসিয়াম ভিটামিন সি কিডনি রোগে আনারস খুব উপকারী খাবার আনারস খেলে কিডনি রোগ সারিয়ে তোলা সহজ হয় নিয়মিত আনারস খেলে কিডনির দুর্বলতা গুলো দূর করতে সাহায্য করে।
পেঁয়াজ: ভিটামিন সি ম্যাগনেসিয়াম ভিটামিন বি উপাদান রয়েছে কিডনি রোগে নিরাময়ের জন্য পেঁয়াজ খুব উপকারী। কিডনি রোগী রানী ও মিতন পেঁয়াজ খেলে দ্রুত কিডনি রোগ নিরাময়ে সাহায্য করবে।
বাঁধাকপি: বাঁধাকপিতে ভিটামিন কে ভিটামিন সি এবং বিভিন্ন উপাদান রয়েছে বাঁধাকপি নিয়মিত খেলে কিডনি রোগ থেকে মুক্ত থাকা যায় কিডনি রোগ খুব তাড়াতাড়ি ভালো হয়ে।
রসুন: রসুন খাওয়ার মাধ্যমে কিডনি রোগ সারিয়ে তোলা সম্ভব রসুনের ম্যাগনেসিয়াম ভিটামিন সি রয়েছে। রসুন খেলে রসুনের মধ্যে ঔষধি অনেকগুলো রয়েছে কিডনি রোগের রোগীরা নিয়মিত রসুন খেলে।
ডিম: ডিমে পটাশিয়াম সোডিয়াম ফসফরাস রয়েছে। কিডনি রোগীদের ডিমের সাদা অংশ খেতে হবে সাদা অংশ খাওয়ার ফলে রক্ত ছাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে ডিমের সাদা অংশে আমিষ রয়েছে যা কিডনি রোগ নিরাময়ে কাজ করে থাকে।
টমেটো: টমেটো পটাশিয়ামযুক্ত খাবার এজন্য টমেটো খাওয়া যাবে।
আপেল: আপেল ফাইবার ও কোলেস্টেরল রক্তে শর্করার স্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রাখতে সাহায্য করে এবং কিডনি অসুস্থ রাখে। আপেলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায় প্রতিদিন অন্তত একটি করে আপেল খাওয়া শরীরের জন্য খুব উপকারী।

কিডনির সমস্যা হলে কোথায় কোথায় ব্যথা হয়

বর্তমান কিডনির সমস্যা বেড়ে চলছে। কিডনির সমস্যা হলে জ্বর প্রস্তাবের সময় ব্যথা পিঠের নিচের দিকে অস্বস্তি ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। কিডনির সমস্যা হলে কোমরের পাশে পাঁজরের নিচে ব্যথা অনুভব হয় কিডনিতে পাথর ও কিডনিতে পাথর চেষ্টা করে যা বেদনাদায়ক হতে পারে। চলুন জেনে নেই কিডনির সমস্যা হলে কোথায় কোথায় ব্যথা হয়-

  1. কিডনি ব্যথা সাধারণত মেরুদন্ডের উভয় পাশে পাঁজরের নিচে অনুভূত হয়। এটি পেট বা কুঁচকির দিকেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।অন্যদিকে পিঠের ব্যথা সাধারণত মেরুদন্ডের উপরিভাগে হয় মাংস বেশি হারও তার সমস্যা থেকে এ ব্যথা হয় পিঠের ব্যাথা সাধারণত কোমর থেকে খাত পর্যন্ত যেকোন স্থানে হতে পারে এবং শরীরে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে।
  2. কিডনিতে শক্ত খনিজ লবণ জমা হলে মোলালির মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় এর তীব্র ব্যথা সৃষ্টি হতে পারে।
  3. ব্যাকটেরিয়া এ কিডনি আক্রমণ করলে ব্যথা অনুভব হয় এবং ঘনঘন প্রস্রাব দেখা দেয়।
  4. কিডনির সমস্যা হলে পাঁজরের নিচে ও মেরুদন্ড দুপাশে হয়।
  5. কিডনির ব্যথা হলে ঘন ঘন জ্বর প্রস্রাব হয়।

কিডনির সমস্যা হলে কি খাওয়া উচিত না

কিডনির সমস্যা দূর করার উপায়? দিন দিন কিডনি রোগের সমস্যা বেড়ে চলছে মানুষের জীবন যাপনে পরিবর্তন খাদ্য ভেজাল এবং নানাবিধ সমস্যার কারণে কিডনি রোগের সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে। কিডনির সমস্যা দেখা দিলে খাবার পরিমাণ মত খেতে হবে। এবং রক্তে ক্রিয়েটিনের মাত্রা বৃদ্ধিকে গতিতে করার জন্য সঠিক খাবার খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। চলুন জেনে নেই কিডনির সমস্যা হলে কি খাওয়া উচিত না-
সবজি: রক্তে পটাশিয়াম এসিডের মাত্রা ফসফরাস ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে সবজি খাওয়া উচিত সমস্যা হলে অতিরিক্ত পটাশিয়াম সমৃদ্ধ শাকসবজি থেকে এড়িয়ে চলতে হবে কিডনি রোগীদের জন্য। কিডনি রোগীরা কুমড়া চিচিঙ্গা ইত্যাদি খুব উপকারী তবুও তাদের এটা পরিমাণ মতো খেতে হবে। কাঁচা সবজির সালাদ সবজির ছোপ কিডনি রোগীরা এগুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
ফলমূল: কিডনি রোগ হলে অনেকেই ফলমূল খাওয়া বন্ধ করে দেয় যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর আর রক্ত পটাশিয়ামের মাত্রা বিবেচনা করে ফল খাওয়া উচিত তবে কিডনি রোগীদের ফল খাওয়া থেকে সতর্ক হতে হবে অ্যাসিড পটাশিয়াম রক্তচাপ ছাড়া আরো অনেক কিছু বিবেচনা করে ফল দিতে হবে যেমন আপেল, পাকা পেঁপে, পেয়ারা ইত্যাদি।
লবণ: লবন ও সোডিয়াম নিয়ন্ত্রণ করে কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে খুব জরুরী। রক্তচাপ রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা শরীরের পানি পরিমাণের উপর ভিত্তি করে লবণের পরিমাণ করা হয় দুই থেকে পাঁচ গ্রাম লবণ নির্ধারণ করা হয় যা নির্ভর করবে আপনার শরীরের উপর। তবে কিডনি রোগীদের ভারতে কোন লবণ খাওয়া যাবে না। চিপস পাপড় চানাচুর ইত্যাদি জাকির চিকিৎসায় নয় কিডনি রোগ প্রতিরোধে ও সাহায্য করে।
চিনি: চিনি খেলে সুগার বেড়ে যায় সেই সঙ্গে কিডনিরও সমস্যা আসে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে প্রস্তাবের মাধ্যমে চিনিও বেরিয়ে যায়। রক্তের শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেলে কিডনি দিয়ে তত বেশি চিনি পরিশ্রুত হয় এই কারণে ডায়াবেটিসের রোগীদের কিডনির সমস্যা বেশি হয়। চিনি খাবারের আয় আমাদের সচেতন থাকতে হবে। ফল প্রাকৃতিক চীনের উৎস যা আমাদের শরীরের বিভিন্ন প্রয়োজন মিটায় ভিটামিন ও খনিজ সরবরাহ যুক্ত করে।
মাংস দুগ্ধজাত খাবার: মাংস ও দুগ্ধ জাত খাবারের প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে এসব খাবার গুলো কিডনির ক্ষতি করতে পারে। কারণ সেগুলো বিভাগ করা খুব কঠিন হয়ে ওঠে কিডনির উপর ভারী প্রভাব ফেলে। বেশি প্রোটিন খাদ্য খেলে কিডনির সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
কফি: কফি চা সোডা কাফেইন এসব কিডনির উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। কাফের একটি উদ্ভিদ নেই গ্রহণ করলে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

লেখকের মন্তব্য- কিডনির সমস্যা দূর করার উপায়

প্রিয় পাঠক কিডনির সমস্যা হলে কোথায় ব্যথা হয় কিডনির সমস্যা হলে কি খাওয়া উচিত কিডনির সমস্যার লক্ষণ কিডনির সমস্যা দূর করার উপায় কিডনির সমস্যা ও সমাধান উপায় সম্পর্কে আমার এই আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

আমার এই আর্টিকেল থেকে যদি আপনারা উপকৃত সঠিক তথ্য পেয়ে থাকেন। তাহলে আমার এই আর্টিকেলটি আপনার পরিচিত বন্ধুবান্ধব সকলের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো। (ধন্যবাদ)

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আশা অনলাইন শপ নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url