স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ২০টি উপায়-স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার কারণ জেনে নিন

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির উপায় কি স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার কারণ আপনারা সঠিক তথ্য খুঁজে পাচ্ছেন না আজকে আমার এই আর্টিকেলে স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্ক নিয়ে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব। স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্ক সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানতে হলে আমার এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে।
প্রিয় পাঠক মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল বৃদ্ধির উপায় স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ঘরোয়া ঔষুধ সম্পর্কে এবং আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস আমার এই আর্টিকেলে আলোচনা করব। টিপস গুলো জানতে হলে আমার এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

ভূমিকা

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এবং কম বয়সীদের এই স্মৃতিশক্তি ভুলে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দিচ্ছে। অনেক মানসিক চাপ টেনশন এর কারণে স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। আমরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ কথাগুলো মনে রাখতে পারছি না। আমাদের স্মৃতিশক্তিকে ও মস্তিষ্ককে সতেজ রাখতে হবে। মস্তিষ্ক কার্যক্ষমতা ঠিক না থাকলে মানুষ যেন জড় পদার্থের সমান হয়ে যায়। মস্তিষ্কে দুর্বল হয়ে গেলে এর পরিণাম ভয়ংকর হয়ে যায়। স্বাভাবিক জীবন যাপনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আমাদের অহেতুক চাপ নেওয়ার অভ্যাস থাকলে মস্তিষ্কের কোষগুলো দুর্বল হয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে হলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে হবে।

স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার কারণ

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির উপায় কি? বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই স্মৃতিশক্তি ভুলে যাওয়ার সমস্যায় ভুগে থাকে। অনেক সময় ছোট ছোট মনে রাখতে পারে না। শুধু বয়স্কদের ক্ষেত্রে না কম বয়সীদের মধ্যেও এই লক্ষণ দেখা দিতে পারে। যারা নিয়মিত ঘুমায় না হৃদরোগ উচ্চ রক্তচাপ ডায়াবেটিস ইত্যাদির কারণেও স্মৃতিশক্তি কমতে শুরু করে। চলুন জেনে নেই স্মৃতিশক্তি কেন কমে যায়-

  • বেশি রাত জেগে থাকলে সেটি মস্তিষ্কের উপর প্রভাব পড়ে এতে করে আস্তে আস্তে স্মৃতিশক্তি কমে যায়।
  • অতিরিক্ত মধ্যপানের কারণেও স্মৃতিশক্তি কমে যায়।
  • অতিরিক্ত ডিপ্রেশন হতাশার কারণেও স্মৃতিশক্তি কমতে শুরু করে।
  • মানুষের বিভিন্ন ধরনের শারীরিক অসুস্থতার কারণে ও স্মৃতিশক্তি কমে থাকে।
  • মস্তিষ্কে আঘাত লাগার কারণেও অনেক সময় স্মৃতিশক্তি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
  • পুষ্টিগুণ খাবারের অভাবেও কমে যেতে পারে স্মৃতিশক্তি তাই সুস্থ সবল থাকতে হলে সুষম খাবার খেতে হবে।
  • বেশি মোবাইল ব্যবহার করার ফলে ও স্মৃতিশক্তি কমে যেতে পারে।
  • অনেক সময় ঔষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থেকেও স্মৃতিশক্তি কমে যায়। রক্তচাপের ওষুধ আন্টি হিসামিন এন্টি ডিপ্রেসেন্টন এর ঔষধ গুলো স্মৃতিশক্তি দুর্বল করে দিতে পারে তাই দীর্ঘদিন এসব ওষুধ খাওয়া থেকে নিজেকে সতর্ক রাখতেহবে।
  • ডায়াবেটিস রোগীদেরও স্মৃতিশক্তির সমস্যা হতে পারে উচ্চমাত্রায় ইনসুলিন গ্রহণের ফলে ও মস্তিষ্কের কোষ গুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকলে স্মৃতিশক্তির সমস্যা আরও বাড়তে পারে।
  • স্ট্রোকের কারণেও অনেক সময় স্মৃতিশক্তি কমে যায়। স্ট্রোক করলে মস্তিষ্কের রক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। এবং অনেকেও আবার একাধিকবার স্টক করে থাকে উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগ ধূমপান ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। নিয়ন্ত্রণ না রাখলে স্মৃতিশক্তি কমে যাবে।

মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বৃদ্ধির উপায়

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির উপায় কি? মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করার জন্য আমাদের স্ট্রেস কমাতে হবে চেষ্টা করতে হবে সমস্যা থেকে দূরে থাকার। যে সকল কাজ করলে আপনার মনের মতো স্ট্রেস বা চিন্তা আসবে সেসব কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করার জন্য যে সকল খাবার খেলে মস্তিষ্ক ভালো থাকবে সে সব খাবার খেতে হবে। মস্তিষ্ক কার্যক্ষমতা ঠিক না থাকলে মানুষ যেন জড় পদার্থের সমান হয়ে যায় মস্তিষ্কে দুর্বল হয়ে গেলে এর পরিণাম ভয়ংকর হয়ে যায়। স্বাভাবিক জীবন যাপনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আমাদের অহেতুক চাপ নেওয়ার অভ্যাস থাকলে মস্তিষ্কের কোষগুলো দুর্বল হয়ে যায় একে অপরের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে হলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে হবে।

চিন্তামুক্ত থাকতে হবে: মস্তিষ্ককে সব সময় শান্ত রাখতে হবে তাই শরীরের দিকে সচেতন থাকতে হবে। চিন্তা থেকে সচেতন হতে হবে এক্ষেত্রে শরীরকে উন্মুক্ত করে দিন যে কাজ করছেন সেটিতেই মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করবেন যা হতে চলছে তা হতে দিন এবং চিন্তা মুক্ত থাকুন।
হাসিখুশি থাকতে হবে: আমরা কাজ করতে এমন বেশি ব্যস্ত হয়ে যায় যে আরো সময় রাখে না নানামুখি চিন্তাই এর মাধ্যমে আমরা ডুবে থাকি মস্তিষ্ককে খুব বেশি সংক্রীয় করে রাখে এ থেকে বেরিয়ে আপনি প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করার চেষ্টা করেন দেখবেন জীবন অনেকটাই পাল্টে গেছে।
পানি: মস্তিষ্কের সত্তর ভাগিয়ে পানি থাকে তাই শরীরে পানির অভাব থাকলে তা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমাবে পানির অভাবে মনোযোগ ও সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব হয় এই জন্য অনেক সময় স্মৃতিশক্তি কমানো লক্ষণ দেখা দেয়।
কলা: কলাতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম ভিটামিন বি রয়েছে যা ব্রেন কে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
মাংসের কলিজা: মাংসের কলিজায় থাকে আয়রন ভিটামিন বি যা মস্তিষ্কের জন্য খুব উপকারী এবং বিভিন্ন ধরনের শাক সবজি পালন শাক বিভিন্ন ফল সামুদ্রিক মাছ ইত্যাদি খেলে মস্তিষ্কের জন্য খুব উপকারী।
প্রকৃতিক সাথে থাকুন: নিজেকে যখন খুব খারাপ মন লাগবে তখন প্রকৃতির কাছে যান প্রকৃতির গাছপালা নদী পাহাড় সমুদ্রর সাথে সময় কাটান সবকিছু ঝেড়ে ফেলে দিয়ে প্রাকৃতির কাছে গেলে দেখবেন মনের মধ্যে সুন্দর একটি অনুভূতি দেখা দিচ্ছে যা আপনার মস্তিষ্কে সচল রাখতে সাহায্য করবে।
ডিম: ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন রয়েছে যা স্মৃতিশক্তি বাড়াও মস্তি ভালো রাখতে কাজ করে এবং মনোযোগ বাড়াতেও ভূমিকা রাখে।
চকলেট: চকলেট খেলে আমাদের স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের রক্ত প্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করে।
মাছ: সামুদ্রিক খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট থাকে মাছের তেল খেলে ব্রেনের সেল গঠন করে মস্তিষ্কের প্রবাহ কমায় ও মস্তিষ্ককে রক্ষা করে মাছের তেলে ওমেগা থেরী পাওয়া যায় যা ব্রেনের জন্য খুব উপকারী। সামুদ্রিক মাছের ছাড়াও ইলিশ চিংড়ি ও খেতে পারেন এগুলো খুব উপকারী।

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির উপায় কি

আমরা অনেক সময় সবকিছু ভুলে যায় মনে রাখতে পারি না। অনেক সময় দেখা যায় যে কাজের জিনিসগুলো আমরা কোথায় রেখেছি তা মনে রাখতে পারি না। যেমন- ঘরের চাবি কোথায় রাখছি, ঘড়ি কোথায় রাখা হয়েছে, আমরা পড়াশোনা করতেছি কিন্তু পরীক্ষার হলে গিয়ে মনে করতে পারছি না। এমন অনেক ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। এইজন্য আমাদের স্মৃতিশক্তিকে বৃদ্ধি করতে হবে। চলুন জেনে নিন স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির উপায় কি- 
ব্যায়াম: আমরা যদি নিয়মিত হাটা দৌড়ানো সাইকেল চালানো সাঁতার কাটা ইত্যাদি করে থাকি তাহলে মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ এবং স্মৃতিশক্তির কর্ম ক্ষমতা উন্নত করে। হিপোক্যাম্পাস মস্তিষ্কের একটি অংশ যা শেখা ও স্মৃতিশক্তির জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ব্যায়াম করার ফলে আমাদের স্মৃতিশক্তি উন্নত করে।
ঘুম: ঘুম আমাদের স্মৃতিশক্তির সঙ্গে জড়িত রয়েছে। ঘুম আমাদের স্মৃতিশক্তিকে একত্রিকরণ করতে সাহায্য করে। সময় মত ঘুমানোর কারণে স্মৃতি শক্তি শালী হয় এবং দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতি শীতে রূপার সাহায্য করে তাহলে আপনার স্মৃতিশক্তিকে নেতিবাচকভাবে প্রভাব পড়তে পারে।
ডিম: ডিমে রয়েছে কোলিন আচ্ছা এক ধরনের পুষ্টি ডিম খেলে মেজ আছে এবং স্মৃতি নিয়ন্ত্রণের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদিন সকালে খাবারের একটি করে ডিম খেতে পারেন এতে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পাবে।
কমলা: ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার হল কমলা যা মানসিক অবক্ষয় রোধ করে এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে আপনার মস্তিষ্ক তীক্ষ্ণ রাখতে খাবারের তালিকায় নিয়মিত কমলা রাখতে পারেন।
বাদাম: বাদাম স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ফল। বাদামে ওমেগা থ্রি ফাটিয়ে সিট আন্টি-অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন ই রয়েছে নিয়মিত বাদাম কাঠবাদাম খেলে স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করবে।
চর্বিযুক্ত মাছ: মাছ রয়েছে ওমেগা থ্রি ফাটি এসিড সমৃদ্ধ যা ম মস্তিষ্কের বিকাশে অবদান রাখে ওমেগা থ্রি ফাটি এসিড মস্তিষ্কের কার্য ক্ষমতা উন্নত করে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ায় এজন্য খাদ্য তালিকায় আপনারা মাছ রাখতে পারেন।
খাবার: ব্যায়াম ঘুমের পরে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে আপনার আপনি যেসব খাবার খান তা আপনার মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করে এবং নির্দিষ্ট মানসিক যে দিকগুলো যেমন স্মৃতিশক্তি ও একাগ্রতাকে উন্নত করতে সাহায্য করে।
মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে: মানসিক চাপ আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। মনের মধ্যে সব সময় চিন্তা কাজ করলে কোন কিছুতেই ভালো লাগে না। অবসাদের চেয়ে স্বস্তিতে থাকলে যে কোন কাজ ভালোভাবে ও দীর্ঘ সময়ের জন্য মনে রাখা যায় তাই বর্তমানে ব্যস্ত জীবনের চাপে থাকা স্বাভাবিক হলেও এই চাপ ঝেড়ে ফেলে দিয়ে মস্তিষ্ককে ও স্মৃতিশক্তিকে শান্ত রাখুন।
ইন্টারনেটে কম আসক্ত হন: আমরা অনেক সময় প্রশ্নের উত্তর বা কোন কিছু খুঁজে না পেলে আমরা ইন্টারনেট ব্যবহার করে তা খুঁজে বের করিয়ে এর ফলে আমাদের মস্তিষ্ক অলস হয়ে পড়তে পারে এর জন্য কোন উত্তর খোঁজার আগে কিছুক্ষণ নিজে সেই উত্তর মনে করার চেষ্টা করেন এর ফলে স্মৃতিশক্তি উন্নত হবে এবং ভুলে যাওয়ার কার্য ক্ষমতা কমে আসবে।
দুধ: দুধে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিগুণ রয়েছে। দুধের সাথে সামান্য পরিমাণে কাজুবাদাম, জায়ফল গুড়া, এলাচের গুঁড়া মিশিয়ে খেলে দুধের স্বাদ বেড়ে যায় এবং ঘুমেও সাহায্য করে। যার ফলে আমাদের স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্ক উন্নত থাকে।

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ঘরোয়া ঔষুধ

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির উপায় কি? দুর্বল হয়ে গেলে আমাদের মান নানা ধরনের সমস্যার মধ্য পড়তে হয় স্মৃতিশক্তি কমে গেলে আমরা অনেক কিছুই ভুলে যায়। মানসিক চাপ বিষন্নতা অপুষ্টি থাইরয়েড ধূমপান মধ্যপান ইত্যাদির কারণে আমাদের স্মৃতিশক্তি কমে যায়। বৃদ্ধ বয়সে এই সমস্যাগুলো আরো বেশি দেখা দেয় বেশি সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এছাড়াও আমাদের ঘরে অনেক জিনিস থাকে এই ঘরোয়া জিনিস খেলেও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করা যায়। চলুন জেনে নেই স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ঘরোয়া ওষুধ-

  1. মধু ও দারুচিনি নিয়মিত খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। খাওয়া ছাড়াও দারুচিনি নাকের কাছে নিয়ে শুকলে ও স্মৃতিশক্তি ভালো হয় এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। আবার ঘুমের সমস্যা ও দূর করে এবং মানসিক চাপ কমাতেও সাহায্য করে।
  2. আমাদের ঘরে কাঠবাদাম থাকে কাঠবাদাম আমাদের স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্ক শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে কাঠ বাদামের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ওমেগা ফাটি এসিড যা আমাদের চোখের জন্য খুব উপকারী।
  3. তুলসী পাতা সাথে মধু মিশিয়ে খেলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।
  4. প্রতিদিন খালি পেটে সামান্য পরিমাণে তুলসী পাতা রস খেলে এবং মাথায় বাদামের তেল মালিশ করলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।
  5. গরম দুধের সাথে মধু মিশিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে খেলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।
  6. নারিকেল বাদাম আখরোট ইত্যাদি খেলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি।
  7. কাঁচা হলুদ ও দারুচিনি মিশিয়ে খেলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি হতে সাহায্য করে।
  8. বাদাম ও গোলমরিচ একসাথে মিক্স করে এক কাপ দুধের সাথে রাতে ও সকালে খেলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে।

মস্তিষ্ক ভালো রাখার ব্যায়াম

মস্তিষ্ক আমাদের শরীরের সবচেয়ে জটিল অঙ্গ মস্তিষ্ক আমাদের নিয়ন্ত্রণ করে আমাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে এটি স্মৃতিশক্তি বুদ্ধিমত্তা ও কল্পনা ইত্যাদি। স্মৃতিশক্তি কার্যক্ষমতা উন্নত করার জন্য মস্তিষ্কের ব্যায়াম করা অনেক প্রয়োজন মস্তিষ্কের ব্যায়াম করলে শরীর অনেক উপকৃত হয়। চলুন জেনে নেই মস্তিষ্ক ভালো রাখার ব্যায়াম-
ধ্যান করতে হবে: ধ্যান করলে আমাদের মনোযোগ স্থির থাকে ধ্যান আমাদের মস্তিষ্ক ও শরীরের উভয়ের জন্য খুব উপকারী। ধ্যান করার ফলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।
ব্যায়াম: নিয়মিত শারীরিক ব্যায়ামগুলো করলে মস্তিষ্ক বাদে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ভালো থাকে এবং করার ফলে মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তি উন্নত হয়।
ঘুম: ব্যায়াম শুধু নয় আমাদের মস্তিষ্ককে ভালো রাখতে ঘুমেরও প্রয়োজন।প্রতিদিন আমাদের সাত থেকে নয় ঘন্টা ঘুমিয়ে প্রয়োজন যদিও অনেক লোক প্রয়োজনের তুলনায় কম ঘুমায় ঘুম স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং মানসিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখার জন্য ঘুম খুব গুরুত্বপূর্ণ।
খেলাধুলা: খেলাধুলা ও আমাদের এক ধরনের শারীরিক ব্যায়াম। খেলাধুলা করলে শরীর ও মন দুটোই ভালো থাকে। খেলাধুলা করলে আমাদের মস্তিষ্ক ও ভালো থাকে।
গান শুনুন: গান শুনলে মন ও শরীর ভালো থাকে গান শুনলে মস্তিষ্কে বিভিন্ন অংশকে নিযুক্ত করে এবং সংযুক্ত করে থাকে। গান শুনলে শরীল ও মস্তিষ্ক ভালো থাকে।
স্বাস্থ্যকর খাবার: আমাদের শরীরে ব্যায়াম এর পাশাপাশি আমাদের স্বাস্থ্যকর খাবার প্রয়োজন। স্বাস্থ্যকর খাবার যেমন শাকসবজি ফলমূল মাছ মাংস স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী সমৃদ্ধ খাবার মিষ্টি কুমড়া সামুদ্রিক মাছ ইত্যাদি খাবার গুলো মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
স্ট্রেস কমাতে হবে: স্ট্রেস আপনার স্মৃতিশক্তি গুলোকে নষ্ট করে দেয়। স্ট্রেস সাময়িক স্মৃতি শক্তি নষ্টকরার সাথে সাথে দীর্ঘমেয়াদি স্মৃতিশক্তি ও নষ্ট করে দেয়। স্ট্রেস কমানোর জন্য লম্বা একটি শ্বাস নেন যার ফলে মস্তিষ্ক রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রেখে মস্তিষ্ককে সচল রাখতে সাহায্য করে।

লেখকের মন্তব্য- স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির উপায় কি

প্রিয় পাঠক আমাদের মস্তিষ্ককে সবসময় সচল রাখতে হবে মস্তিষ্ক আমাদের শরীরের সঙ্গে জড়িত রয়েছে মস্তিষ্ক যদি ভালো না থাকে তাহলে আমাদের শরীরও ভালো থাকবে না। আমাদের স্ট্রেস নেওয়ার কারণে আমাদের স্মৃতিশক্তি কমে যায় এবং আমরা অনেক কিছু ভুলে যাই যা আমাদের জন্য খুব ক্ষতিকর।

স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার কারণ, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ঘরোয়া ঔষুধ, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির উপায় কি, মস্তিষ্ক ভালো রাখার ব্যায়াম, সম্পর্কে আমার এই আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করলাম। আমার এই আর্টিকেল পড়ে আপনারা যদি উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে আপনার পরিচিত বন্ধুবান্ধব আত্মীয়-স্বজন সকলের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো। (ধন্যবাদ)

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আশা অনলাইন শপ নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url